...
...
Next Story

Aparajita Auddy: প্রেম আসলে বয়স মানে না, শুধু বানায় সর্বনাশী! কেন এই উপলব্ধি অপরাজিতার?

বিয়ের প্রেমে চোখ খুলে যায়—কোথায় গেল সেই আলো!' বিয়ের আড়াই দশক পেরিয়ে কেন এই উপলব্ধি অপরাজিতা আঢ্যর।

Published on: Aug 1, 2026, 10:30:47 IST
Advertisement

প্রেম কখন কীভাবে জীবনে কড়া নাড়ে, তা বলা বেশ দায়! কখনো সে আসে চুপিচুপি, কখনো বা ঢাকঢোল পিটিয়ে। এবার প্রেমের এই নানা রূপ, বিয়ের নির্মম বাস্তব আর পঁচাশ পেরিয়েও মানুষের মনের 'ক্লাস এইট'-এ আটকে থাকা নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় এক দারুণ মিষ্টি ও মজার কবিতা শেয়ার করলেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য।

প্রেম আসলে বয়স মানে না, শুধু বানায় সর্বনাশী! কেন এই উপলব্ধি অপরাজিতার?
প্রেম আসলে বয়স মানে না, শুধু বানায় সর্বনাশী! কেন এই উপলব্ধি অপরাজিতার?

স্কুলের গোলাপ থেকে বিয়ের বাজারের ফর্দ!

নিজের সোশাল মিডিয়া পোস্টে জীবনের বিভিন্ন ধাপে প্রেমের রং বদলকে ভারি সুন্দর ছন্দে ফুটিয়ে তুলেছেন অভিনেত্রী। খাতার পেছনে লুকিয়ে প্রিয় মানুষের নাম লেখা কিংবা গোলাপ আঁকা দিয়েই তো শুরুর অধ্যায়। তারপর কলেজের ক্যানটিনে বসে শুধুই 'তুমি আর আমি'-র মিষ্টি প্রতিশ্রুতি।

বিয়ের বাস্তব প্রেম: তবে বিয়ের পর প্রেমটা কিন্তু একেবারে খাঁটি ও সত্যবাদী! সেখানে কাল্পনিক ভালোবাসার গোলাপকে একপাশে সরিয়ে রেখে হাতে সোজা চলে আসে লম্বা বাজারের ফর্দ। মোহ ভেঙে যেন বাস্তব জগতের সাথে পরিচয় ঘটে।

বয়স পঞ্চাশ, কিন্তু মনটা সেই 'ক্লাস এইট'!

তবে বয়স বাড়লেও প্রেমের টান যে বিন্দুমাত্র কমে না, অপরাজিতার লেখায় উঠে এসেছে সেই চিরন্তন সত্যও।

হাঁটুতে ব্যথা কিংবা চোখে চশমা উঠলেও, পঁচাশ বছরে পৌঁছে ফোনে একটা 'হাই' ভেসে এলেই বুক ধড়ফড় করে ওঠে, মুখে ফুটে ওঠে হাসি। মনটা নিমেষেই যেন ফিরে যায় সেই স্কুলের 'ক্লাস এইট'-এর দিনগুলোয়। কারণ, প্রেম তো আর বয়সের হিসাব-নিকাশ মেনে আসে না, তার কাজই তো মিষ্টি এক 'সর্বনাশ' ডেকে আনা!

অপরাজিতার এই চমৎকার ও বাস্তবসম্মত কবিতাটি সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট হতেই ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন নেটিজেনরা। জীবনের এই খাঁটি সত্যগুলোকে এত সহজে আর রসময় ভঙ্গিতে ছন্দে বাঁধার জন্য টলি তারকাকে কুর্নিশ জানিয়েছেন ওঁর অনুরাগী ও নেটিজেনরা!

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe