সোশ্যাল মিডিয়ায় অরিজিৎ সিং-এর একটি ফ্য়ানপেজ থেকে অরিজিৎ সিং ও কোয়েলের বিয়ের একটি ছবি ভাগ করে নেওয়া হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়াতে। ছবিটি যদিও এর আগে বহুবার দেখেছেন অনেকেই। যেখানে তসর রঙের শেরওয়ানি জিয়াগঞ্জের-ভূমিপুত্রের গায়ে, মাথায় মেরুন রঙের পাগড়ি। অন্য দিকে, কোয়েল একটি মেরুন রঙের শাড়ি পরে আছেন। দুজনের গলাতেই মালা। একে-অপরের সঙ্গে কথা বলছেন।

জানা যায় ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে কোয়েল ও অরিজিৎ গোপনে বিয়ে করেছিলেন তারাপীঠে। এমনকী, গায়ক এই ব্যাপারটাকে গোপন রাখতে যথাসাধ্য চেষ্টাও করেছিলেন। এরপর অরিজিতের হোয়াটসঅ্য়াপ ডিপি থেকে ব্যাপারটা আচমকাই চোখে পড়ে এক সাংবাদিকের। ব্যাস আর কী, পরেরদিনই সংবাদ। প্রসঙ্গত, এর আগেও কোয়েল বসেছিলেন বিয়ের পিঁড়িতে। তবে সেটা আইনি বিয়ে ছিল। আর অরিজিতের প্রথম স্ত্রী কখনোই আসেননি লাইমলাইটে। শোনা যায় তিনিও মুর্শিদাবাদের মেয়ে। কিন্তু প্রাক্তনের জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে সম্মুখে আসেননি কখনোই।
এক সাক্ষাৎকারে স্বল্পভাসী অরিজিৎ জানিয়েছিলেন তিনিই প্রপোজ করেছিলেন কোয়েলকে। সেই সাক্ষাৎকারে অরিজিৎকে প্রশ্ন করা হয়েছিল কে প্রপোজ করে? যাতে লজ্জা পেয়ে গায়ক জবাব দেন, ‘আমিই’। এরপরের প্রশ্ন আসে, গান গেয়ে প্রপোজ করেছিলেন নাকি! তাতে বেশ আতঙ্কিত হয়েই গায়ক বলেন, না না। একদম নরমাল। সঙ্গে জানান, ছোটবেলা থেকেই চিনতেন তাঁরা একে-অপরকে। একসঙ্গে পড়তেন। তারপর বন্ধুত্বই প্রেমে পরিণতি পায়। সঙ্গে এটাও স্পষ্ট করে দেন চোখে-চোখে মোটেও ইশারা হয়নি। বলেছিলেন, ‘না বাবা, কোনও কনফিউশন চাই না’!
প্রসঙ্গত, অরিজিৎ যখন কেরিয়ারের শুরুর দিকে গানের রিয়েলিটি শো ‘ফেম গুরুকূলে’ ভাগ নিয়েছিলেন, তখনো তাঁর কাছে একবার এসেছিল কোয়েলের ফোন। বেশ লাজুক মুখেই কথা বলতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, অরিজিৎ যখন কেরিয়ারের শুরুর দিকে গানের রিয়েলিটি শো ‘ফেম গুরুকূলে’ ভাগ নিয়েছিলেন, তখনো তাঁর কাছে একবার এসেছিল কোয়েলের ফোন। বেশ লাজুক মুখেই কথা বলতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।
{{/usCountry}}বরাবরই অরিজিৎ নিজেকে লাইমলাইট থেকে দূরে রাখতে পছন্দ করেন। জিয়াগঞ্জে যখন থাকেন তখন সাধারণ পোশাকে ঘুরে বেড়ান এলাকায়। ঠিক একইরকম কোয়েলও। এমনকী, তাঁরা দুই ছেলেকে ভর্তি করিয়েছেন জিয়াগঞ্জেরই স্থানীয় এক স্কুলে।
আসলে গুণীর কদর তাঁর কাজে। তাই তো অরিজিতের সঙ্গে গান গাইতে সুদূর মুর্শিদাবাদে ঘুরে গিয়েছেন অতীতে ব্রিটিশ তারকা এড শিরান। সেখানে রাত কাটান। অরিজিতের নিজের স্টুডিয়োতে তাঁরা গান রেকর্ড করেন। এমনকী, অরিজিৎকে নিজের ছবিতে গান গাওয়ার জন্য রাজি করাতে তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন আমির খানও। সঙ্গে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা গায়কের লাখ লাখ অনুরাগীর ভালোবাসা তো আছেই।