মাটির সঙ্গে জুড়ে থাকতে ভালোবাসেন অরিজিৎ সিং। তাই তো মায়নগরীর চাকচিক্য তাঁকে বেঁধে রাখতে পারেনি। জিয়াগঞ্জে নিজের জন্মভিটে আঁকড়ে পড়ে রয়েছেন অরিজিৎ সিং। বর্তমানে দেশের সবচেয়ে আলোচিত গায়ক জীবন কাটান নিজের শর্তে। এবার পাড়ার বিয়েবাড়িতে লাইমলাইট কাড়লেন সস্ত্রীক অরিজিৎ সিং।

তিনি গোটা দুনিয়ার কাছে ধরাছোঁয়ার বাইরে হলেও জিয়াগঞ্জের মানুষদের কাছে পাড়ার ছেলে সোমু (অরিজিৎ-এর ডাকনাম) আজও বদলাননি এতটুকু। তাই তো পাড়াতুতো ভাইয়ের বিয়ের আসরে মধ্যমণি তিনি। প্রচারের আলো থেকে নিজেকে গুটিয়ে রাখা এই গায়ককে এবার পাওয়া গেল সম্পূর্ণ ঘরোয়া মুডে— ওঁর নিজের শহর জিয়ারগঞ্জের এক চেনা মানুষের বিয়েবাড়িতে! সম্প্রতি সস্ত্রীক এক বিয়েবাড়ির অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন অরিজিৎ সিং, যেখানে তাঁর উপস্থিতি নিমেষের মধ্যে বর-কনেকে ছাপিয়ে সমস্ত আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে।
কাছের মানুষের বিয়েতে সকাল থেকেই হাজির অরিজিৎ
বহরমপুরের পাঠান পাড়ার বাসিন্দা দেবাশিস বিশ্বাস ও বহরমপুর নিবাসী পিয়া দুবের বিবাহের আসর বসেছিল জিয়াগঞ্জে। নবদম্পতি পিয়া ও দেবাশিস গায়ক অরিজিৎ সিংয়ের কাছের মানুষ হিসেবে পরিচিত। বিয়ের এই অনুষ্ঠানকে আরও স্পেশাল করে তুলতে অরিজিৎ শুধু যে সন্ধ্যায় উপস্থিত হয়েছিলেন তা নয়, সকাল থেকেই বিয়ের খুঁটিনাটি কাজ দেখাশোনা করা থেকে শুরু করে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানেও সশরীরে হাজির ছিলেন তিনি। গায়কের এমন আন্তরিকতা দেখে আপ্লুত হয়েছেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।
সাবেকি লুকে সস্ত্রীক এলেন গায়ক
{{/usCountry}}সাবেকি লুকে সস্ত্রীক এলেন গায়ক
{{/usCountry}}বিয়ের সন্ধ্যায় পরিবারের সাথে অনুষ্ঠানস্থলে এসে পৌঁছান অরিজিৎ। গোলাপি রঙা একটি পাঞ্জাবি পরে এসেছিলেন গায়ক। সাথে ছিলেন তাঁর স্ত্রী কোয়েল সিং এবং পিতা সুরিন্দর সিং-ও। অরিজিৎ ও ওঁর পরিবারের স্থানীয় লোকেদের সঙ্গে খুব ভাব ও চেনা যোগাযোগ থাকার কারণে, তিনি সেখানে সকলের সাথে অত্যন্ত আন্তরিকভাবে কথা বলেন ও মেশেন। নবদম্পতিকে মঞ্চে উঠে মন ভরে আশীর্বাদও করেন তাঁর।
সুপারস্টারকে এক ঝলক দেখতে ছবি তোলার ভিড়
অরিজিৎ সিং এমনিতে লাইমলাইট ও প্রচার এড়িয়ে চলেন এবং তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভক্তদের মধ্যে কৌতূহলও আকাশছোঁয়া। তাই বিয়েবাড়ির মতো এক সাধারণ জায়গায় ঘরের ছেলেকে সস্ত্রীক উপস্থিত থাকতে দেখে আর নিজেদের ধরে রাখতে পারেননি অনুগামীরা। গায়কের এক ঝলক দেখা পেতে এবং তাঁর সাথে ছবি তুলতে ও সেলফি তোলার জন্য বিয়েবাড়ির ভেতরে নিমেষের মধ্যে ভিড় জমে যায়। যথারীতি মুখে চেনা মিষ্টি হাসি নিয়ে হাসিমুখে সকলের আবদার মেটান এই মাটির মানুষ।