কদিন আগেই একটি ছবি ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়াতে। যেখানে দেখা যায় বহরমপুরের এক চিকিৎসকের চেম্বারে এসেছেন গায়ক। গায়ে কমলা রঙের পঞ্জাবি। প্রিয় গায়ককে দেখেই একেবারে মৌমাছির মতো ঘিরে ধরেন ভক্তরা। তবে তাতেও তাঁর মুখে বিরক্তির লেশমাত্র নেই। এই ছবি ভাইরাল হতেই অরিজিতের স্বাস্থ্য নিয়ে রীতিমতো চিন্তায় পড়ে যান অনুরাগীরা। তবে এবার সামনে এল নতুন একটি ভিডিয়ো। সেটিও একটি হাসপাতালের। তবে এবার চিকিৎসার জন্য নয়, বরং দেখা করতে এলেন খুদে ভক্তের সঙ্গে।

একগাল হাসি এবারও গোটা মুখে। হাত মেলাচ্ছেন সেই খুদের সঙ্গে। হাসপাতালের বিছানায় সেই ছোট্ট বাচ্চাটি। এমনকী ছবিও তোলেন অরিজিৎ। অসুস্থ ছেলের সঙ্গে অরিজিৎকে পাশে নিয়ে ফোটোর জন্য পোজ দেন মা-ও।
আর ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই ভালোবাসায় ভরাল নেটপাড়া। বিভিন্ন পেজ থেকে সেই ভিডিয়ো শেয়ার হতেই তা মন কেড়েছে আট থেকে আশির। একজন লেখেন, ‘আমার জন্য অরিজিৎ ভগবান। ঠিক কতটা ভালোবাসি বলে বোঝাতে পারব না’। আরেকজন লেখেন, ‘এই কারণেই কোনোদিন কেউ অরিজিৎ হতে পারবে না। এক ও অদ্বিতীয়।’
তারকাতকমা দূরে সরিয়ে অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপনেই স্বচ্ছন্দ্য জিয়াগঞ্জের ভূমিপুত্র। একাধিক মিডিয়া রিপোর্ট অনুসারে মুম্বইয়ের অভিজাত এলাকা ভারসোভার 'সাভিতা কো-অপারেটিভ সোসাইটি'তে মোট চারটি ফ্ল্যাট কিনেছেন। একই ফ্লোরে অবস্থিত এই ফ্ল্যাটগুলোর মোট মূল্য প্রায় ৯.১ কোটি টাকা। তবে খুব কমই থাকেন মায়ানগরীতে। কাজের বাইরে তিনি থাকেন জিয়াগঞ্জেই।
{{/usCountry}}তারকাতকমা দূরে সরিয়ে অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপনেই স্বচ্ছন্দ্য জিয়াগঞ্জের ভূমিপুত্র। একাধিক মিডিয়া রিপোর্ট অনুসারে মুম্বইয়ের অভিজাত এলাকা ভারসোভার 'সাভিতা কো-অপারেটিভ সোসাইটি'তে মোট চারটি ফ্ল্যাট কিনেছেন। একই ফ্লোরে অবস্থিত এই ফ্ল্যাটগুলোর মোট মূল্য প্রায় ৯.১ কোটি টাকা। তবে খুব কমই থাকেন মায়ানগরীতে। কাজের বাইরে তিনি থাকেন জিয়াগঞ্জেই।
{{/usCountry}}গাছ দিয়ে খুব সুন্দরভাবে সাজানো জিয়াগঞ্জের বাড়ির ছাদ, ব্যালকনি। এমনকী, একটি স্টুডিয়োও তৈরি করে নিয়েছেন সেখানে। আর অরিজিতের কল্যাণেই মুর্শিদাবাদে পা পড়েছে ব্রিটিশ পপ তারকা এড শিরানের। এছাড়াও বলিউড থেকে আমির খান, সলমনের বান্ধবী লুলিয়া ভান্টুর গিয়েছেন। টলিউড থেকে কদিন আগে গিয়েছিলেন যিশু সেনগুপ্ত ও ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত।
২০০৫ সাল থেকে শুরু করে, ২১ বছর পেরিয়ে এখনো একইভাবে দর্শক মনে রাজত্ব করছেন তিনি। ফেম গুরুকুল'-এ অংশ নিলেও জিততে পারেননি, ষষ্ঠ এসেছিলেন। এরপর নিজেকে ঘষামাজা শুরু। শো না জিতলেও, মুম্বইতে থাকা শুরু করেন। দীর্ঘ সময় প্রীতমের সহযোগী ও মিউজিক প্রোগ্রামার হিসেবে কাজ করেছেন। বহু বিখ্যাত বলিউড গানের স্ক্র্যাচ গেয়েছেন সেই সময়তে। ২০১১ সালে 'মার্ডার ২' ছবির 'ফির মহব্বত' গানের মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ। 'আশিকি ২' ছবির 'তুম হি হো' গানটি তাঁকে রাতারাতি পৌঁছে দেয় খ্যাতির শিখরে। তিনি দুবার ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (২০১৮ সালে 'বিনতে দিল' এবং ২০২২ সালে 'কেশরিয়া' গানের জন্য) পেয়েছেন। ভারতীয় সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য ২০২৫ সালে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মশ্রী উপাধিতে ভূষিত করে।