...
...
Next Story

Arijit Singh: যেন রক্তের টান! হাসপাতালে ভক্তকে দেখতে জিয়াগঞ্জের ভূমিপুত্র অরিজিৎ, মেলালেন হাত

কদিন ধরেই অরিজিতের স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তায় ভক্তরা। এবার সামনে এল গায়কের নতুন একটি ভিডিয়ো। সেটিও একটি হাসপাতালের। তবে এবার চিকিৎসার জন্য নয়, বরং দেখা করতে এলেন খুদে ভক্তের সঙ্গে।

Published on: Jul 2, 2026, 22:17:10 IST
Advertisement

কদিন আগেই একটি ছবি ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়াতে। যেখানে দেখা যায় বহরমপুরের এক চিকিৎসকের চেম্বারে এসেছেন গায়ক। গায়ে কমলা রঙের পঞ্জাবি। প্রিয় গায়ককে দেখেই একেবারে মৌমাছির মতো ঘিরে ধরেন ভক্তরা। তবে তাতেও তাঁর মুখে বিরক্তির লেশমাত্র নেই। এই ছবি ভাইরাল হতেই অরিজিতের স্বাস্থ্য নিয়ে রীতিমতো চিন্তায় পড়ে যান অনুরাগীরা। তবে এবার সামনে এল নতুন একটি ভিডিয়ো। সেটিও একটি হাসপাতালের। তবে এবার চিকিৎসার জন্য নয়, বরং দেখা করতে এলেন খুদে ভক্তের সঙ্গে।

অরিজিৎ সিং।
অরিজিৎ সিং।

একগাল হাসি এবারও গোটা মুখে। হাত মেলাচ্ছেন সেই খুদের সঙ্গে। হাসপাতালের বিছানায় সেই ছোট্ট বাচ্চাটি। এমনকী ছবিও তোলেন অরিজিৎ। অসুস্থ ছেলের সঙ্গে অরিজিৎকে পাশে নিয়ে ফোটোর জন্য পোজ দেন মা-ও।

আর ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই ভালোবাসায় ভরাল নেটপাড়া। বিভিন্ন পেজ থেকে সেই ভিডিয়ো শেয়ার হতেই তা মন কেড়েছে আট থেকে আশির। একজন লেখেন, ‘আমার জন্য অরিজিৎ ভগবান। ঠিক কতটা ভালোবাসি বলে বোঝাতে পারব না’। আরেকজন লেখেন, ‘এই কারণেই কোনোদিন কেউ অরিজিৎ হতে পারবে না। এক ও অদ্বিতীয়।’

গাছ দিয়ে খুব সুন্দরভাবে সাজানো জিয়াগঞ্জের বাড়ির ছাদ, ব্যালকনি। এমনকী, একটি স্টুডিয়োও তৈরি করে নিয়েছেন সেখানে। আর অরিজিতের কল্যাণেই মুর্শিদাবাদে পা পড়েছে ব্রিটিশ পপ তারকা এড শিরানের। এছাড়াও বলিউড থেকে আমির খান, সলমনের বান্ধবী লুলিয়া ভান্টুর গিয়েছেন। টলিউড থেকে কদিন আগে গিয়েছিলেন যিশু সেনগুপ্ত ও ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত।

২০০৫ সাল থেকে শুরু করে, ২১ বছর পেরিয়ে এখনো একইভাবে দর্শক মনে রাজত্ব করছেন তিনি। ফেম গুরুকুল'-এ অংশ নিলেও জিততে পারেননি, ষষ্ঠ এসেছিলেন। এরপর নিজেকে ঘষামাজা শুরু। শো না জিতলেও, মুম্বইতে থাকা শুরু করেন। দীর্ঘ সময় প্রীতমের সহযোগী ও মিউজিক প্রোগ্রামার হিসেবে কাজ করেছেন। বহু বিখ্যাত বলিউড গানের স্ক্র্যাচ গেয়েছেন সেই সময়তে। ২০১১ সালে 'মার্ডার ২' ছবির 'ফির মহব্বত' গানের মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ। 'আশিকি ২' ছবির 'তুম হি হো' গানটি তাঁকে রাতারাতি পৌঁছে দেয় খ্যাতির শিখরে। তিনি দুবার ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (২০১৮ সালে 'বিনতে দিল' এবং ২০২২ সালে 'কেশরিয়া' গানের জন্য) পেয়েছেন। ভারতীয় সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য ২০২৫ সালে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মশ্রী উপাধিতে ভূষিত করে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe