সকলকে বিদায় জানিয়ে চিরকালের জন্য না ফেরার দেশে চলে গেলেন ধর্মেন্দ্র। ব্যাপারটা এতটাই হঠাৎ করে ঘটলো যে সকলে ভীষণ মর্মাহত। কিছুদিন আগেই তিনি হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন। সকলে ভেবেছিলেন হয়তো আবার তাঁকে আগের মত দেখতে পাওয়া যাবে কিন্তু সেই সব আশায় জল ঢেলে চিরকালের জন্য সবাইকে ফেলে চলে গেলেন ধর্মেন্দ্র।

ধর্মেন্দ্রর মৃত্যু শুধু বলিউড নয়, টলিউড এবং গোটা ইন্ডাস্ট্রির জন্য ভীষণ দুঃখের। টলিউডের একাধিক অভিনেতা এমন রয়েছেন যারা ধর্মেন্দ্রর কাছাকাছি আসতে পেরে নিজেকে ধন্য বলে মনে করেন। অন্যদিকে একজন বিরাট বড় সুপারস্টার হলেও ধর্মেন্দ্র সকলকে কাছে টেনে নিতেন। বাংলা এবং বাঙালির সঙ্গে একটা আলাদাই সম্পর্ক ছিল তাঁর।
আরও পড়ুন: ধর্মেন্দ্রর প্রয়ানে শোকাহত বলিউড! 'বিরাট ক্ষতি…', নায়িকা শর্মিলা থেকে করণ-ফারহানের আবেগঘন পোস্ট
বাঙালি অভিনেতাদের মধ্যে একজন অভিনেতা হলেন অর্জুন চক্রবর্তী, যিনি ধর্মেন্দ্রকে দেখেছেন ভীষণ কাছ থেকে। অভিনেতার মৃত্যুর পর সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে অর্জুন লেখেন, ‘হিরো তো অনেক আছে। কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনে ও নায়ক হওয়া আমি নিজের চোখে দেখেছি।’
অভিনেতা লেখেন, ‘আমি যখন উদয়পুর মহারানা কলেজে পড়াতাম সেই সময় উনি এসেছিলেন মেরা গাঁও মেরা দেশ ছবির শুটিংয়ে। সেখানে কলেজে ছেলেদের সঙ্গে ওই ছবির আর্টিস্টদের সঙ্গে একটি ঝামেলা হয়েছিল। যদিও পরে সেটা মিটে যায়।’
অর্জুন লেখেন, ‘আমি তখন কলেজের জেনারেল সেক্রেটারি ছিলাম এবং আমি ও আরও কয়েকজনের মধ্যস্থতায় ব্যাপারটা মিটে গিয়েছিল। এরপর বহু বছর পর আমার পরিচালিত ছবি টলি লাইটস - এ সানি দেওল অভিনয় করেছিলেন। সানির কথা মত আমি গিয়েছিলাম জুহুর বাড়িতে শুট করার জন্য।’
{{/usCountry}}অর্জুন লেখেন, ‘আমি তখন কলেজের জেনারেল সেক্রেটারি ছিলাম এবং আমি ও আরও কয়েকজনের মধ্যস্থতায় ব্যাপারটা মিটে গিয়েছিল। এরপর বহু বছর পর আমার পরিচালিত ছবি টলি লাইটস - এ সানি দেওল অভিনয় করেছিলেন। সানির কথা মত আমি গিয়েছিলাম জুহুর বাড়িতে শুট করার জন্য।’
{{/usCountry}}অভিনেতার কথায়, ‘সানির বাড়িতে গিয়ে দেখি সামনে বসার ঘরে, হি ম্যান বসে রয়েছেন। আমি প্রণাম করতেই উনি আমায় জড়িয়ে ধরলেন। আমি আমার জীবনে অনেক সুপুরুষ দেখেছি কিন্তু এরকম দেখিনি। এ যেন এক অন্য জগতের মানুষ।’
আরও পড়ুন: একের পর এক বিপদ স্মৃতির জীবনে, বাবার পর এবার হবু স্বামী পলাশও ভর্তি হাসপাতালে
সবশেষে একটা অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করে অভিনেতা লেখেন, ‘আমি ওঁকে উদয়পুরের ঘটনার কথা বলতেই দেখলাম ওনার সব মনে আছে। সেই সময় শুটিংয়ের জন্য একটি বড় গাড়ির প্রয়োজন ছিল, উনি নিজের গাড়ি আমাকে দিয়ে দিলেন। সানি আমায় বলেছিল, বাবা এই গাড়িতে কাউকে হাত পর্যন্ত দিতে দেন না!’
ধর্মেন্দ্র মৃত্যুতে শোকাহত অর্জুন বলেন, ‘আজ সত্যিকারের নায়কের প্রস্থান। ভীষণভাবে নাড়া দিচ্ছে আমাকে। ঈশ্বরের সন্তান ঈশ্বরের কাছে ফিরে গেলেন।’