বারাণসীর গঙ্গায় আশা ভোঁসলের অস্থি বিসর্জন করলেন ছেলে আনন্দ! কান্নায় ভেঙে পড়লেন গায়িকার নাতনি

কিংবদন্তী গায়িকা আশা ভোঁসলে চলতি বছরের ১২ এপ্রিল ৯২ বছর বয়সে প্রয়াত হন। ভারতীয় সঙ্গীত জগতের অন্যতম জনপ্রিয় গায়িকা মুম্বইয়ের ব্রীচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এবার ২০ এপ্রিল আশার ছেলে আনন্দ ভোঁসলে এবং তাঁর নাতনি জনাই ভোঁসলে বারাণসীর গঙ্গায় গায়িকার অস্থি বিসর্জন করলেন।

Apr 20, 2026, 20:57:24 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

কিংবদন্তী গায়িকা আশা ভোঁসলে চলতি বছরের ১২ এপ্রিল ৯২ বছর বয়সে প্রয়াত হন। ভারতীয় সঙ্গীত জগতের অন্যতম জনপ্রিয় গায়িকা মুম্বইয়ের ব্রীচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এবার ২০ এপ্রিল আশার ছেলে আনন্দ ভোঁসলে এবং তাঁর নাতনি জনাই ভোঁসলে বারাণসীর গঙ্গায় গায়িকার অস্থি বিসর্জন করলেন।

বারাণসীর গঙ্গায় আশা ভোঁসলের অস্থি বিসর্জন করলেন ছেলে আনন্দ! কান্নায় ভেঙে পড়লেন গায়িকার নাতনি
বারাণসীর গঙ্গায় আশা ভোঁসলের অস্থি বিসর্জন করলেন ছেলে আনন্দ! কান্নায় ভেঙে পড়লেন গায়িকার নাতনি

আরও পড়ুন: রেশন দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন সাংসদ নুসরত জাহানকে তলব ED-র! কবে দিতে হবে হাজিরা?

জনাই ও আনন্দের অস্থি বিসর্জন করার ছবি ও ভিডিয়ো এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় এসেছে। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সময় ভীষণ ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন জনাই। তাঁকে কাঁদতে দেখা গিয়েছে। প্রয়াত গায়িকার ইচ্ছানুসারে গঙ্গার তীরে রীতিমেনে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া পালন করেছেন আনন্দ ও জনাই। নৌকায় তাঁরা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করেন।

একদিন আগে জনাই আশার সঙ্গে তোলা বেশ কিছু ছবি শেয়ার করে তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে তাঁকে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছিলেন। তিনি লিখেছেন, ‘অনেক ভেবেচিন্তে আমি বুঝতে পেরেছি, তুমি আমাদের বাঁচতে শিখিয়েছ, কিন্তু তোমাকে ছাড়া বাঁচতে শেখাওনি... প্রতি সেকেন্ডে, প্রতি ঘন্টায়, প্রতি মিনিটে আমাদের প্রতিটি নিঃশ্বাসে তোমাকে মনে পড়ে, কিন্তু আমি এটাও জানি যে তুমি আমার ভেতরেই বেঁচে আছো... যতক্ষণ না আবার তোমাকে এভাবে আমার বাহুতে জড়িয়ে ধরছি…’

আরও পড়ুন: 'একঘেয়ে হয়ে যাচ্ছিল…’, অভিনয় থেকে বিরতি প্রসঙ্গে অনুরাগ কাশ্যপ যা বললেন

গত সোমবার, শ্রদ্ধা জানানোর জন্য আশাকে যখন তাঁর বাসভবনে রাখা হয়েছিল, তখন শ্রদ্ধার নিদর্শনস্বরূপ তাঁকে ভারতীয় পতাকায় মুড়ে দেওয়া হয়। ভিডিয়োতে দেখা যায়, সাদা লিলি ফুলে সজ্জিত তাঁর কফিনটি দেশের পতাকায় মুড়ে গায়িকাকে রাষ্ট্রীয় সম্মান দেওয়া হয়। লোয়ার পারেলের বাসভবনে দুপুর ৩টা পর্যন্ত শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন চলে, এরপর শবযাত্রাটি দাদারের শিবাজি পার্ক শ্মশানের দিকে রওনা হয়। বিকেল ৪টায় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

জানাই তাঁর ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে লিখেছিলেন, ‘আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে আমি বুঝতে পারলাম যে আমি আমার সব দুষ্টুমির সঙ্গী, আমার সেরা বন্ধু, এমন একজনকে হারিয়েছি যে আমার পুরো পৃথিবীটাকে পূর্ণ করেছিল এবং জন্মের সময় আমাকে প্রথম কোলে তুলে নিয়েছিল। এখন আমি কী করব? সকালে ঘুম থেকে উঠে কাকে জড়িয়ে ধরব আর কার সাথে চা খাব? আমি বাড়ি ফিরলে প্রতিদিন কে আমার জন্য অপেক্ষা করবে বা কার সঙ্গে রসিকতা করব?’