...
...
Next Story

এশিয়ান গেমসে সাঁতারের রিল রেসে হেরে গেল মাধবন-পুত্র বেদান্ত, ০.২ সেকেন্ডের ব্যবধানে ফাইনাল হাতছাড়া

এশিয়ান গেমসে সোমবার অভিষেক হল আর মাধবনের ছেলে বেদান্ত মাধবনের। ৪x২০০ মিটার ফ্রিস্টাইল রিলের ফাইনালে উঠতে পারল না ভারতীয় দল। ১৩টি দেশের মধ্যে নবম স্থানে শেষ করে বেদান্ত, সাজন প্রকাশ, দক্ষন শশিকুমার ও অনীশ সুনীলের দল।

Published on: Sep 21, 2026, 18:30:24 IST
Advertisement

বলিউড অভিনেতা আর মাধবনের ছেলে বেদান্ত মাধবনের এশিয়ান গেমসে অভিষেক হল এক মিশ্র অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) পুরুষদের ৪x২০২০ মিটার ফ্রিস্টাইল রিলেতে ভারতীয় দলের হয়ে মাঠে নেমেছিলেন তিনি। তবে প্রতিযোগিতার সূচনাটি খুব একটা স্মরণীয় হতে পারল না। মাত্র অল্পের জন্য ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ভেঙে গেল এই তরুণ সাঁতারুর।

ছেলের সঙ্গে মাধবন।
ছেলের সঙ্গে মাধবন।

সাজন প্রকাশ, দক্ষন শশিকুমার, বেদান্ত মাধবন ও অনীশ সুনীলকে নিয়ে তৈরি ভারতীয় দল ৭ মিনিট ২৪.৩২ সেকেন্ডে রিলে শেষ করে। মোট ১৩টি দেশের মধ্যে ভারত শেষ করে নবম স্থানে। নিয়ম অনুযায়ী, সেরা আটটি দলই ফাইনালে জায়গা করে নেয়। ফলে নবম স্থানে শেষ করায় রিলে ইভেন্টেই বেদান্তের প্রথম এশিয়ান গেমস অভিযান থেমে যায়।

মাত্র ০.২ সেকেন্ডের জন্য ফাইনাল হাতছাড়া

ছেলের এই লড়াই নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আর মাধবন। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে তিনি লেখেন, ‘মাত্র ০.২ সেকেন্ডের জন্য ফাইনালে ওঠার সুযোগ হাতছাড়া হল এবং ০.৫ সেকেন্ডের জন্য ভারতীয় হিসেবে সেরা টাইমিং করা থেকে বঞ্চিত হল সে।’

তবে এশিয়ান গেমসে বেদান্তের যাত্রা এখানেই শেষ নয়। রিলের পর এবার ব্যক্তিগত ইভেন্টে নামবেন তিনি। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর পুরুষদের ২০০ মিটার ফ্রিস্টাইল এবং ২০০ মিটার ব্যাকস্ট্রোক ইভেন্টে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। ফলে পরের ইভেন্টগুলিতে বেদান্ত কেমন পারফর্ম করেন, সেদিকেই নজর থাকবে।

প্রসঙ্গত, করোনা মহামারী চলাকালীন ভারতের বেশিরভাগ সুইমিং পুল বন্ধ ছিল, তখন ছেলের সাঁতারের প্রশিক্ষণের যাতে সুবিধা হয় সেই কারণে সস্ত্রীক দুবাইতে চলে যান তিনি। কারণ দুবাইতে আন্তর্জাতিক মানের বড় আকারের অলিম্পিক-সাইজ সুইমিং পুল এবং উন্নত প্রশিক্ষণ পরিকাঠামো খোলা ছিল। এক সাক্ষাৎকারে আর মাধবন জানিয়েছিলেন যে, পিতা হিসেবে ছেলের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করাই ছিল তাঁদের প্রাথমিক লক্ষ্য। এক সাক্ষাৎকারে আর মাধবন জানিয়েছিলেন যে, পিতা হিসেবে ছেলের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করাই সেইসময় ছিল তাঁদের প্রাথমিক লক্ষ্য।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks