...
...
Next Story

Sampita-Ayesha: ‘ইন্ডাস্ট্রি দূর থেকে দেখতে বড়ই সুন্দর, কিন্তু…’! বাঘিনী সম্পিতার নাচের ভক্ত, কী পরামর্শ আয়েশার?

জি বাংলায় আসন্ন বাঘিনী ধারাবাহিকে দেখা যাবে সম্পিতা প্রামাণিককে। সম্পিতা পেশায় নৃত্যশিল্পী। তাঁর নাচের ভক্ত আয়েশা ভট্টাচার্য-ও। ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র হিসেবে কী পরামর্শ দিলেন আয়েশা?

Published on: Jul 21, 2026, 13:23:52 IST
Advertisement

সদ্য খবর এসেছে টলিপাড়ায় এন্ট্রি নিতে চলেছেন আরও এক নতুন মুখ। জি বাংলায় আসন্ন বাঘিনী ধারাবাহিকে দেখা যাবে সম্পিতা প্রামাণিককে। সম্পিতা পেশায় একজন নৃত্যশিল্পী, সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে মডেলিংয়ের সঙ্গেও যুক্ত। তবে অভিনয়ে হাতেখড়ি হচ্ছে বাঘিনী দিয়েই।

বাঘিনী সম্পিতা প্রামাণিককে নিয়ে কী লিখলেন আয়েশা?
বাঘিনী সম্পিতা প্রামাণিককে নিয়ে কী লিখলেন আয়েশা?

সম্পিতার ডেবিউর খবর নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন আরও এক নৃত্যশিল্পী-অভিনেত্রী আয়েশা ভট্টাচার্য। তিনি জানান যে, ব্যক্তিগতবাবে সম্পিতাকে না চিনলেও, তিনি তাঁর নাচের ভক্ত। এমনকী মুঠোফোনে যখনই এই মেয়েটির ভিডিয়ো আসে, তিনি মুগ্ধ হয়ে দেখেন।

সম্পিতার জন্য ফেসবুক পোস্টে আয়েশা লিখলেন, ‘খবরটা সত্যি কি মিথ্যে জানি না! শুনলাম ও কোনো প্রজেক্টে আসছে মুখ্য চরিত্রে। জানিনা কেন শুনে বড্ড খুশি হলাম আর কোথাও আবার ডান্সার হিসেবেও গর্ব বোধ হল। অভিনয়ের পাশাপাশি নাচও যে আমার বড়ই আদরের আর ভালোবাসার। জানি একজন নৃত্যশিল্পী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করাটা কতটা পরিশ্রমের আর কতটা পায়ের জোর লাগে।’

‘আমি সম্পিতাকে ব্যক্তিগত ভাবে চিনি না, কিন্তু আমি সত্যিই ওর নাচের ফ্যান। ওর ভিডিয়ো আমার ফিডে আসলেই আমি মুগ্ধ হয়ে দেখি। ইনফ্যাক্ট ওর অনেক ভিডিয়োর কথা আমার জন্য ইন্সপিরেশন হিসেবেও কাজ করে। আমার থেকে হয়তো ও ছোট, কিন্তু ওই যে শেখার কোনো বয়েস নেই ছোটদের থেকেও অনেক অনেক কিছু শেখা যায়, আর আমি ওর ডান্স দেখে বা ওর মোটিভেশনাল ভিডিয়োগুলো দেখে অনেক কিছু শিখি।’, আরও লেখেন আয়েশা।

প্রসঙ্গত, সম্পিতা মূলত একজন ধ্রুপদী ভরতনাট্যম নৃত্যশিল্পী হলেও তিনি বিভিন্ন ফিউশন ও সেমি-ক্লাসিক্যাল নাচের জন্য বেশ জনপ্রিয়। সঙ্গে কলাবিদ্যা নামের একটি নাচের স্কুলও খুলেছেন, যেখানে তিনি শিক্ষার্থীদের নাচের প্রশিক্ষণ দেন ও বিভিন্ন ডান্স ওয়ার্কশপ পরিচালনা করেন। বাঘিনী ধারাবাহিকে সম্পিতা সুন্দরবনের এক সাহসী মধু সংগ্রহকারীর চরিত্রে অভিনয় করছেন। সদ্যজাত সন্তানকে বুকে বেঁধে গভীর জঙ্গলে প্রবেশ করা এক সাহসী মায়ের জীবনকাহিনি— যার অদম্য সাহসের কাছে হার মানে হিংস্র বাঘও।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe