...
...
Next Story

‘রোজ সকালে মা বাবার বুক-পেটের দিকে তাকিয়ে দেখি…’, কোন ভয় সামনে আনলেন আয়েশা?

মা-বাবার বয়স যত বাড়তে থাকে, সন্তানের মধ্যে ততই যেন চিন্তা ভর করতে থাকে ‘হারিয়ে ফেলার’। বাবার জন্মদিনে এরকমই কিছু লিখলেন আয়েশা ভট্টাচার্য।

Published on: Aug 18, 2026, 23:04:25 IST
Advertisement

একটা বয়সের পর প্রত্যেক সন্তানের চিন্তা থাকে তাঁদের মা-বাবাকে নিয়ে। বিশেষ করে মা-বাবার বয়স যত বাড়তে থাকে, ততই যেন চিন্তা ভর করতে থাকে ‘হারিয়ে ফেলার’। বিশেষ করে ৩০-এর গণ্ডি পার করেছে যে সব সন্তানেরা। এবার বাবার জন্মদিনে এরকমই কিছু লিখলেন অভিনেত্রী-নৃত্যশিল্পী আয়েশা ভট্টাচার্য।

মা-বাবাকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কী লিখলেন আয়েশা?
মা-বাবাকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কী লিখলেন আয়েশা?

বাবার জন্মদিনে একটি দীর্ঘ পোস্ট করেন আয়েশা। লেখেন, ‘রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠে, আমি একটা অদ্ভুত জিনিস করি! জানি না আমার মতো আর কেউ এরকম অদ্ভুত কাজ করে কি না! আমি ঘুম থেকে উঠেই মা বাবার বুক আর পেটের দিকে তাকিয়ে দেখি বুক আর পেট ওঠা নামা করছে কি না! যেই সব নরমাল দেখি! আমি তারপর নিশ্চিন্ত হয়ে আমার দিন শুরু করি। আমার দুনিয়াটা আসলে বড্ডো মানে বড্ডো বেশিই ছোট্ট, শুধু মা বাবাকে ঘিরেই আমার সব। এই দুজনকে ছাড়া আমি এক মুহুর্ত সত্যি অচল। আজ আমার সেই ছোট্ট দুনিয়ার এক বড় অংশের বিশেষ দিন, আমার বাবার আজ জন্মদিন ।’

‘আমি আমার বাবাকে ছোটবেলা থেকে বড়োলোক কিপ্টে বলি! কারণ মানুষটাকে দেখি আমাদের জন্যে হাত খুলে খরচা করে, আমার সব সখ পূরণ করে, কিন্তু নিজের ছেড়া মোজাটা আড়াল করে একটা জুতো পরে অফিস চলে যাবে! বা জুতোটা ফেটে গেছে তাও দেখি ওই জুতোটা সারিয়েই ওটা পরেই অফিস যাবে তবু নতুন জুতো কিনবে না নিজের জন্যে! কিন্তু বড় হওয়ার পর থেকে বুঝতে শুরু করেছি এই কিপ্টেমোর মধ্যে কত বড় একটা মন লুকিয়ে আছে! তাই জন্যেই বলি আমার বাবা বড়োলোক কিপ্টে। বড্ড চাপা মানুষটা নিজের কিছু মুখ ফুটে প্রকাশ করে না! আজ আমার বুড়ো বাচ্চার জন্মদিন, অনেক অনেক ভালোবাসা পাঠিও আমার বুড়ো ছেলেটার জন্যে আর যেন সুস্থ থাকে সব সময় আমায় ভালো রাখার জন্যে। শুভ জন্মদিন বাবা।’, আরও লেখেন আয়েশা নিজের পোস্টে।

'ব্যোমকেশ বক্সী' সিরিয়ালে শিশুশিল্পী হিসেবে কেরিয়ার শুরু করেন আয়েশা। 'লাবণ্যের সংসার', 'খনা', 'রাগে অনুরাগে', 'মহাপীঠ তারাপীঠ', 'পুণ্যি পুকুর' এবং 'আলোর কোলে'-র মতো ধারাবাহিকে দেখা গিয়েছে আয়েশাকে। জিতের সঙ্গেও কাজ করেছেন ‘বুমেরাং’, ‘চেঙ্গিজ’-এর মতো ছবিতে। জি বাংলার 'আলোর কোলে' ধারাবাহিকেও ছিলেন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe