বহুবছর ধরে নৃত্যশিল্পী হিসেবে কাজ করে আসছেন সম্পিতা প্রামাণিক। সোশ্যাল মিডিয়াতেও খুব জনপ্রিয়। তবে মানুষ নতুনভাবে সম্পিতাকে চিনেছে বাঘিনী ধারাবাহিকের নায়িকা হিসেবে। মঙ্গলবার রাতের কলকাতায় এক অবাঞ্ছিত পরিস্থিতির সম্মুখীন হলেন সম্পিতা। একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে জানালেন সেই অভিজ্ঞতা। দেখা যায় হাত-পা কাঁপছে।
মঙ্গলবার রাতে কী ঘটে সম্পিতার সঙ্গে?

হাজরা মোড়ের বসুশ্রী সিনেমার সামনে থেকে ক্যাব বুক করেছিলেন অভিনেত্রী সম্পিতা। প্রথমে পার্ক স্ট্রিটে ডাক্তার দেখাতে যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু শুটিংয়ে দেরি হয়ে যাওয়ায় পরে গন্তব্য বদলে দমদম করেন তিনি। সেখানেই তাঁর বাড়ি। তবে ক্যাব যাত্রা শুরু হওয়ার পর থেকেই চালকের আচরণ নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয় বলে অভিযোগ অভিনেত্রীর।
পরিস্থিতি অস্বস্তিকর মনে হওয়ায় সম্পিতা চালককে জানান, দমদম যেতে না চাইলে তাঁকে রবীন্দ্র সরোবরের কাছেই নামিয়ে দিতে। কিন্তু অভিযোগ, বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও চালক গাড়ি থামাতে চাইছিলেন না। শেষ পর্যন্ত রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশনের কাছে গাড়ি থামান তিনি।
এরপরই ভাড়া নিয়ে শুরু হয় বচসা। সম্পিতার দাবি, তাঁর দু’টি ফোন সঙ্গে থাকলেও শুটিংয়ের ভারী ব্যাগটি তখনও গাড়ির ভিতরে ছিল। চালক কিউআর কোড স্ক্যানার এগিয়ে দিয়ে দমদম পর্যন্ত দেখানো পুরো ভাড়া মিটিয়ে দিতে বলেন। কিন্তু অভিনেত্রী জানান, তিনি যতটা পথ এসেছেন, সেই অনুযায়ী ভাড়াই দেবেন। দমদম পর্যন্ত না গিয়ে সম্পূর্ণ ভাড়া কেন দিতে হবে, তা নিয়ে দু’জনের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়।
অভিনেত্রীর অভিযোগ, বচসার মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কোনওরকমে ব্যাগটি নিয়ে গাড়ি থেকে নেমে আসেন তিনি। এরপর চালক তাঁকে বেশ কিছুটা রাস্তা গাড়ি নিয়ে তাড়া করেন বলেও দাবি সম্পিতার। তাঁর কথায়, সেই সময় বড়সড় দুর্ঘটনা এমনকী প্রাণহানিও ঘটতে পারত। শুধু তাই নয়, সম্পিতার অভিযোগ, তাঁর ব্যাগ ও টাকা-পয়সা গাড়ির ভিতরে থাকা অবস্থাতেই ক্যাব নিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন চালক। কোনওরকমে নিজের জিনিসপত্র উদ্ধার করে সেখান থেকে সরে আসেন অভিনেত্রী।ঘটনার পর কালীঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন সম্পিতা। পুরো ঘটনায় আতঙ্কিত অভিনেত্রী। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কী পদক্ষেপ করেছে, এখন সেটাই দেখার।
সম্পিতাকে সেই অবস্থা থেকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন আশেপাশের মানুষরা। সকলে তাঁকে জল খাওয়ায়, শান্ত করার চেষ্টাও করে।
{{/usCountry}}সম্পিতাকে সেই অবস্থা থেকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন আশেপাশের মানুষরা। সকলে তাঁকে জল খাওয়ায়, শান্ত করার চেষ্টাও করে।
{{/usCountry}}