রাজ্যের ভোট শেষ, এখন অপেক্ষা ফলাফলের। টিভি খুললেই যখন বুথ ফেরত সমীক্ষা আর রাজনৈতিক তরজা, ঠিক সেই আবহেই এক অন্য ‘ফল’ পাওয়ার আনন্দে মাতলেন উন্মেষ গঙ্গোপাধ্যায়। নেটিজেনদের কাছে তিনি পরিচিত ‘বাঁকুড়া মিমস’-এর কারিগর হিসেবে। তবে নিজের বিয়ের খবরটা মিমসের মতো ভাইরাল হতে দেননি তিনি। কাকপক্ষীকেও টের পেতে না দিয়ে সেরে ফেললেন শুভ পরিণয়।

পাত্রী কে?
উন্মেষের ছাদনাতলায় বসার ছবি সমাজমাধ্যমে আসতেই অনুরাগীদের মনে প্রশ্ন— ‘পাত্রী কে?’ জানা গিয়েছে, পাত্রী তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিত। উন্মেষ ভালোবেসেই তাঁর হাত ধরলেন। টুকটুকি আর টুকাইয়ের বিয়ের ছবি সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিয়েছেন স্টান্ড আপ কমেডিয়ান ভাস্কর মান্না। তবে জাঁকজমক বা প্রচারের আড়ালে নয়, বরং কাছের মানুষদের উপস্থিতিতে ঘরোয়া ভাবেই চার হাত এক হয়েছে। বিয়ের দিন লাল বেনারসি আর চন্দনের সাজে কনে যেমন উজ্জ্বল, তেমনই ধুতি-পাঞ্জাবি আর চাদরে সাবেক বাঙালি বরের লুকে ধরা দিলেন উন্মেষ।
সোশ্যাল মিডিয়ায় গুঞ্জন:
ভোটের ডিউটি বা রাজনৈতিক পোস্ট নিয়ে যাঁরা উন্মেষকে ফলো করেন, তাঁরাও এই খবরে তাজ্জব। অনেকে মজার ছলে বলছেন, ‘ভোটের রেজাল্ট নিয়ে টেনশন না করে উন্মেষদা তো জীবনের রেজাল্টই বের করে ফেললেন!’ সমাজমাধ্যম প্রভাবী হিসেবে যাঁর প্রতিটি পোস্ট সেকেন্ডে ভাইরাল হয়, তিনি নিজের বিয়ের ক্ষেত্রে কেন এত গোপনীয়তা রাখলেন, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জল্পনা।
জীবনের নতুন ইনিংস:
{{/usCountry}}জীবনের নতুন ইনিংস:
{{/usCountry}}ভোটের ফলের আগে যে উত্তেজনার পারদ চড়ছে, তার মাঝে উন্মেষের এই বিয়ে যেন এক পজিটিভ এনার্জি নিয়ে এল তাঁর ভক্তদের কাছে। কেরিয়ারের চড়াই-উতরাই পেরিয়ে জীবনের পিচে নতুন এক ইনিংস শুরু করলেন তিনি। ফলাফল যাই হোক না কেন, জীবনের এই ‘পরীক্ষা’য় যে তিনি লেটার মার্কস নিয়ে পাশ করেছেন, তা তাঁর বিয়ের ওই মিষ্টি ছবিই বলে দিচ্ছে।
নতুন পথচলা শুরু হলো উন্মেষ ও তাঁর জীবনসঙ্গিনীর। নেটিজেনদের পক্ষ থেকে এখন শুধুই একঝাঁক শুভেচ্ছা আর প্রশ্ন— 'উন্মেষদা, বড় বড় মিমস তো বানান, বৌভাতের ভোজটা কবে খাওয়াচ্ছেন?' কেউ প্রশ্ন করলেন ‘ঘোতন জানে তো দাদা?’ সব মিলিয়ে শুভেচ্ছার জোয়ারে ভাসছেন উন্মেষ।