হামেশাই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেলে আদিকে নিয়ে নানান পোস্ট করেন জোজো মুখোপাধ্যায়। নেটপাড়াও বেশ পছন্দ করে বছর ছয়েকের এই খুদেকে। কখনো ছেলের আঁকা ছবি, আবার আদির ড্রাম বাজানো, সাঁতার কাটা, সাইকেল চালানো, সবই আসে তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলে। তবে এবার একটু খারাপ খবরই দিলেন গায়িকা। অসুস্থ ছেলে। তবে এসবের মাঝেই মন ভালো করে দিয়েছে আদির স্কুল থেকে আসা একটি উপহার।

হাসপাতালে ভর্তি আদি। যদিও জোজো-পুত্রের মুখ স্পষ্ট নয়। বরং একটি কার্ডেরই ছবি তুলেছেন। যা এসেছে আদির স্কুল থেকে। খুদে পড়ুয়ার জন্য স্নেহ মাখা বার্তা। লেখা, ‘আমরা টিউলিপিয়ানসরা তোমার কথাই ভাবছি, অনেক ভালোবাসা পাঠাচ্ছি তোমাকে। তোমার জন্য ভালোবাসা আর প্রার্থনা রইল। অনেক বিশ্রাম নাও, সাহসী হও, আর জলদি ফিরে আসো স্কুলে। আমরা টিউলিপিয়ানসরা তোমাকে খুব মিস করছ।’
আর এই পোস্টের সঙ্গে ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘গত তিন-চার দিন খুব কঠিন ছিল। একজন মা হিসেবে সময়টা বেশ কষ্টকর ছিল, কিন্তু আমার বন্ধু, পরিবারের সদস্য এবং অবশ্যই আদির শিক্ষকদের অবিরাম মানসিক সমর্থন আমার উদ্বেগ কমানো অনেক সহজ করে দিয়েছে। আদির প্রতি এই ভালোবাসা ও আশীর্বাদের জন্য টিউলিপিয়ানদের অনেক ধন্যবাদ, এটা সত্যিই খুব হৃদয়স্পর্শী। ওর সকল শিক্ষক, টিউলিপিয়ানদের সদস্য এবং বিশেষ করে রূপী বর্মা ম্যাডাম ও রঞ্জনা ম্যাডামের প্রতি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।’
২০২১-এ আদিকে দত্তক নিয়েছিলেন জোজো। সোশ্যাল মিডিয়ায় হামেশাই ছেলের মিষ্টি ছবি আর ভিডিয়ো শেয়ার করে থাকেন তিনি। যখন আদিকে দত্তক নেন জোজোর বয়স তখন ৫০। মেয়ে বাজো অর্থাৎ মেহকা মুখোপাধ্যায় ততদিনে সাবালিকা। জোজোর সেই সিদ্ধান্তে অনেকেই সেই সময় অবাক হয়েছিলেন। তবে জোজো জানিয়েছেন বহুদিন ধরেই দত্তক নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। শুধু তাই নয়, বিদেশের মতো নিয়ম এ দেশেও থাকলে আরও তিন-চার জন শিশুকে দত্তক নিতেন।
{{/usCountry}}২০২১-এ আদিকে দত্তক নিয়েছিলেন জোজো। সোশ্যাল মিডিয়ায় হামেশাই ছেলের মিষ্টি ছবি আর ভিডিয়ো শেয়ার করে থাকেন তিনি। যখন আদিকে দত্তক নেন জোজোর বয়স তখন ৫০। মেয়ে বাজো অর্থাৎ মেহকা মুখোপাধ্যায় ততদিনে সাবালিকা। জোজোর সেই সিদ্ধান্তে অনেকেই সেই সময় অবাক হয়েছিলেন। তবে জোজো জানিয়েছেন বহুদিন ধরেই দত্তক নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। শুধু তাই নয়, বিদেশের মতো নিয়ম এ দেশেও থাকলে আরও তিন-চার জন শিশুকে দত্তক নিতেন।
{{/usCountry}}জোজোর বরের নাম কিংশুক মুখোপাধ্য়ায়। অনেক ভ্রমণপ্রেমীরা তাঁকে আবার বাবলুদা নামেও চেনে।। কর্মসূত্রে তিনি দীর্ঘদিন ডুয়ার্সের বাসিন্দা। সেখানেই এক রিসর্ট চালান। একসঙ্গে তাই থাকা হয় কম। তবে কাজে ছুটি মিললেই পেলেই অবশ্য জোজো চলে যান স্বামীর ডুয়ার্সের রিসর্টে। প্রকৃতির মাঝে কাটিয়ে আসেন সময়। মেয়ে বাজো কর্মসূত্রে থাকেন কলকাতার বাইরে। তবে ভাইকে খুব ভালোবাসেন। এমনকী মায়ের দত্তক নেওয়ার সিদ্ধান্তও কখনো তাঁকে বিচলিত করেননি, বরং সঙ্গ দিয়েছেন জোজোকে।