এই পোস্টটিকে নেটিজেনরা ভালোবাসায় ভরে দিয়েছেন। একজন লেখেন, ‘ভীষণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ মানুষ। খুব ভালোবাসি ওঁকে এবং ওঁর মানসিকতাকে। ওঁর দীর্ঘায়ু কামনা করি, যাতে সমাজে কিছু অকপট আবেগ বার বার প্রকাশিত হয়।’ আর একজন লেখেন, ‘যোগ্য মানুষ যোগ্য সম্মান পেয়েছেন। আমরা সবাই ভীষণ খুশি।’ আর এক ব্যক্তি লেখেন, ‘খুব প্রিয় একজন অভিনেত্রী। অনেক অনেক শুভেচ্ছা ম্যাম।’

আরও পড়ুন: ৮ ঘণ্টার বেশি শ্যুট না করার দাবি দীপিকার! সহমত সইফও, ‘আমি ঘৃণা করি বাড়ি ফিরে…’
প্রসঙ্গত, মমতা শংকর রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে পেয়েছিলেন পদ্মশ্রী সম্মান পেয়েছিলেন। তাঁর দুটি ছবিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাগ করে নিয়েছিলেন অভিনেত্রী। সেই ছবিতে দর্শকাসনে প্রথম সারিতে বসে থাকতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। জরির কাজ করা, লাল তাঁতের শাড়ি পরেছিলেন মমতা। সঙ্গে সোনার গয়না। গায়ে জড়ানো আঁচল। ছিমছাম সাজ। খোঁপায় গোঁজা ফুল। তবে বরাবরের মতোই মুখ ভরা হাসি।
সম্প্রতি পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন মমতা শংকর। আর তাঁর এই প্রাপ্তির পর থেকেই তাঁকে নিয়ে আলোচনা শেষ নেই। এবার সমাজমাধ্যমের পাতায় তাঁর সঙ্গে ছবি ভাগ করে অভিনেতা ভাস্বর চট্টোপাধ্যায় ধরলেন কলম। লিখলেন, নতুন প্রজন্মের তাঁর থেকে অনেক কিছু শিক্ষণীয়।
আরও পড়ুন: 'কিছু লোকজন আরও অর্থ, আরও খ্যাতি অর্জন করতে চান…' অপারেশন সিঁদুর নিয়ে বলি তারকাদের চুপ থাকা নিয়ে মুখ খুললেন জাভেদ আখতার
ভাস্বর অভিনেত্রী তথা নৃত্যশিল্পীর সঙ্গে একটি ছবি সমাজমাধ্যমের পাতায় ভাগ করে নিয়ে লেখেন, ‘আমার পর্দার মা মমতা শংকর, এখন পদ্মশ্রী মমতা শংকর।’ অভিনেতা আরও লেখেন, ‘কী যে আনন্দ বলে বোঝানো সম্ভব নয়! মানুষটাকে সেই ২০০২ থেকে চিনি, জন্মভূমিতে আমার মা হয়েছিলেন আর সেই থেকে আমার মা-ই হয়ে গিয়েছেন। এত বছরে এমন একটা জন্মদিন যায়নি মমদি আমায় শুভেচ্ছা জানাননি। ফোনে যখন কথা হয়, মনে হয় না কোনও আন্তর্জাতিক স্তরের অভিনেতার সঙ্গে কথা বলছি। একবার তো একটা মেগা করার আগে আমার কাছে জানতে চেয়েছিল, আমি কত টাকা চাই বলতো? না, এত সহজ সরল হওয়া চারটি খানির কথা নয়। প্রতিনিয়ত শিখেছি নিজেকে কতটা মাটির কাছাকাছি রাখতে হয়, কতটা বিনয়ী থাকতে হয়… তবেই না অপর জন তাঁকে সম্মান করবে। আমার মনে হয় মমদির কাছে নতুন প্রজন্মের সমস্ত অভিনেতাদের গ্রুম হওয়া দরকার।’