টলিপাড়ার অন্যতম চর্চিত জুটি হলেন বিদিপ্তা চক্রবর্তী ও বিরসা দাশগুপ্ত। দুই মেয়েকে নিয়ে তাঁদের সুখের সংসার। হামেশাই সাক্ষাৎকারে নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলােমেলা আলোচনা করেন অভিনেত্রী। ৬ বছরের ছোট বিরসার সঙ্গে তাঁর প্রেম, শাশুড়ির সঙ্গে বন্ধুত্ব সব নিয়েই খোলামেলা করেন আলোচনা।

সম্প্রতি ইনকোডা টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সমাজের গতেবাঁধা নিয়ম নিয়ে তোলেন প্রশ্ন! তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘ভালো বউ মানে কি, শাঁখা সিঁদুর পরে, গায়ে কাপড় দিয়ে, শুধু রান্না করে গেলাম, স্বামীর সেবা করে গেলাম, সংসার করলাম, তাহলেই কি ভালো বউ হয়? আমি যে নিজে এত ছোটবেলা থেকে রোজগার করেছি, দুই মেয়েকে বড় করেছি, বাবা-মাকে শেষদিন অবধি দেখেছি, এটা কি ভালো বউ বা ভালো মেয়ে হওয়ার পরিচয় নয়? আসলে এগুলো সবটাই না, তোমার মাতা কীভাবে চলছে, ভাবনা কীরকম, তার ওপরেই জীবনটা চলে।’
২০১০ সালের ৩০ জানুয়ারি আইনি বিয়ে সেরেছিলেন বিরসা-বিদিপ্তা। তার কয়েকবছর আগেই প্রথম স্বামীর সঙ্গে হয়েছে ডিভোর্স। অভিনেত্রীর প্রথম স্বামী ছিলেন ক্যামেরাম্যান শুভাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, যাকে ইন্ডাস্ট্রিতে সবাই 'লালু' বলে চিনতেন। ভালোবেসেই চার হাত এক হয়েছিল। কিন্তু প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিদিপ্তার সংসার সুখের হয়নি।
বিরসার সঙ্গে যখন নতুন জীবন শুরু করেন বিদিপ্তা, তখন মেয়ে মেঘলার বয়স ১০ বছর। তবে বিদিপ্তার প্রথম পক্ষের সন্তানকে শুধু নিজের পদবিই দেননি বিরসা, আপন করে নিয়েছেন। পিতৃস্নেহে বড় করেছেন। আর মেঘলাও মনেপ্রাণে আপন করেছিল ‘বাবুই’কে। এই নামেই ডাকে মেঘলা তাঁর বাবা বিরসাকে। এরপর বিরসা-বিদিপ্তার কোলে এসেছে ইদা। তাঁদের দ্বিতীয় কন্যা সন্তান।
{{/usCountry}}বিরসার সঙ্গে যখন নতুন জীবন শুরু করেন বিদিপ্তা, তখন মেয়ে মেঘলার বয়স ১০ বছর। তবে বিদিপ্তার প্রথম পক্ষের সন্তানকে শুধু নিজের পদবিই দেননি বিরসা, আপন করে নিয়েছেন। পিতৃস্নেহে বড় করেছেন। আর মেঘলাও মনেপ্রাণে আপন করেছিল ‘বাবুই’কে। এই নামেই ডাকে মেঘলা তাঁর বাবা বিরসাকে। এরপর বিরসা-বিদিপ্তার কোলে এসেছে ইদা। তাঁদের দ্বিতীয় কন্যা সন্তান।
{{/usCountry}}শাশুড়িমা-কে (বিরসার মা, চৈতালি দাশগুপ্ত) কেয়া পিসি বলে ডাকেন বিদিপ্তা। দুজনের সম্পর্ক বন্ধুর মতো। ফলে বিরসাকেও আগে থেকেই চানতেন। বয়সে প্রায় সাড়ে ৬ বছরের ছোট বিরসার গালও নাকি অনেকবার টিপেছেন, অন্তত তেমনটাই দাবি বিদীপ্তা। সেই বিরসার সঙ্গে প্রথম প্রেম জমেছিল কনকনে ঠান্ডায় বোলপুরের পৌষ মেলায়।
অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন যে, তাঁর সঙ্গে স্বামীর বিচ্ছেদ এদিকে বিরসারও প্রেম ভেঙেছে।দিল্লি থেকে এসেছিলেন হঠাৎই বাবা-মাকে সারপ্রাইজ় দিতে। এরপর দুটি ভাঙা মন খুঁজে নেয় একে-অপরকে। সুখ-দুঃখের গল্প করতে-করতে কখন যে ভালোবেসে ফেলেছেন, নিজেরাই বোঝেননি। এখনও সেই ভালোবাসার বন্ধন অটুট। এক সাক্ষাৎকারে বিদিপ্তা বলেছিলেন, ‘ওই পৌষ মেলায় সেই যে আমার হাতটা বিরসা ধরেছিল, সেটা আজও ছাড়েনি…। এখনও ধরেই রেখেছে।’