...
...
Next Story

Bidipta's 1st Husband: ‘ভালো বউ মানে কি…’! ১০ বছরের মেয়ে নিয়ে বিরসাকে ২য় বিয়ে, চেনেন বিদিপ্তার প্রথম স্বামীকে?

দাম্পত্য নিয়ে বরাবরই খোলামেলা বিদিপ্তা। ৬ বছরের ছোট বিরসার সঙ্গে তাঁর প্রেম, শাশুড়ির সঙ্গে বন্ধুত্ব সব নিয়েই কথা বলেছেন। তবে বিরসার আগেও একবার ঘর বেঁধেছিলেন বিদিপ্তা। কে ছিল অভিনেত্রীর প্রথম স্বামী?

Published on: May 10, 2026, 18:28:17 IST
Advertisement

টলিপাড়ার অন্যতম চর্চিত জুটি হলেন বিদিপ্তা চক্রবর্তী ও বিরসা দাশগুপ্ত। দুই মেয়েকে নিয়ে তাঁদের সুখের সংসার। হামেশাই সাক্ষাৎকারে নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলােমেলা আলোচনা করেন অভিনেত্রী। ৬ বছরের ছোট বিরসার সঙ্গে তাঁর প্রেম, শাশুড়ির সঙ্গে বন্ধুত্ব সব নিয়েই খোলামেলা করেন আলোচনা।

বিরসার সঙ্গে সুখের সংসার, চেনেন বিদিপ্তার প্রথম স্বামীকে?
বিরসার সঙ্গে সুখের সংসার, চেনেন বিদিপ্তার প্রথম স্বামীকে?

সম্প্রতি ইনকোডা টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সমাজের গতেবাঁধা নিয়ম নিয়ে তোলেন প্রশ্ন! তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘ভালো বউ মানে কি, শাঁখা সিঁদুর পরে, গায়ে কাপড় দিয়ে, শুধু রান্না করে গেলাম, স্বামীর সেবা করে গেলাম, সংসার করলাম, তাহলেই কি ভালো বউ হয়? আমি যে নিজে এত ছোটবেলা থেকে রোজগার করেছি, দুই মেয়েকে বড় করেছি, বাবা-মাকে শেষদিন অবধি দেখেছি, এটা কি ভালো বউ বা ভালো মেয়ে হওয়ার পরিচয় নয়? আসলে এগুলো সবটাই না, তোমার মাতা কীভাবে চলছে, ভাবনা কীরকম, তার ওপরেই জীবনটা চলে।’

২০১০ সালের ৩০ জানুয়ারি আইনি বিয়ে সেরেছিলেন বিরসা-বিদিপ্তা। তার কয়েকবছর আগেই প্রথম স্বামীর সঙ্গে হয়েছে ডিভোর্স। অভিনেত্রীর প্রথম স্বামী ছিলেন ক্যামেরাম্যান শুভাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, যাকে ইন্ডাস্ট্রিতে সবাই 'লালু' বলে চিনতেন। ভালোবেসেই চার হাত এক হয়েছিল। কিন্তু প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিদিপ্তার সংসার সুখের হয়নি।

শাশুড়িমা-কে (বিরসার মা, চৈতালি দাশগুপ্ত) কেয়া পিসি বলে ডাকেন বিদিপ্তা। দুজনের সম্পর্ক বন্ধুর মতো। ফলে বিরসাকেও আগে থেকেই চানতেন। বয়সে প্রায় সাড়ে ৬ বছরের ছোট বিরসার গালও নাকি অনেকবার টিপেছেন, অন্তত তেমনটাই দাবি বিদীপ্তা। সেই বিরসার সঙ্গে প্রথম প্রেম জমেছিল কনকনে ঠান্ডায় বোলপুরের পৌষ মেলায়।

অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন যে, তাঁর সঙ্গে স্বামীর বিচ্ছেদ এদিকে বিরসারও প্রেম ভেঙেছে।দিল্লি থেকে এসেছিলেন হঠাৎই বাবা-মাকে সারপ্রাইজ় দিতে। এরপর দুটি ভাঙা মন খুঁজে নেয় একে-অপরকে। সুখ-দুঃখের গল্প করতে-করতে কখন যে ভালোবেসে ফেলেছেন, নিজেরাই বোঝেননি। এখনও সেই ভালোবাসার বন্ধন অটুট। এক সাক্ষাৎকারে বিদিপ্তা বলেছিলেন, ‘ওই পৌষ মেলায় সেই যে আমার হাতটা বিরসা ধরেছিল, সেটা আজও ছাড়েনি…। এখনও ধরেই রেখেছে।’

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe