...
...
Next Story

Bigg Boss Bangla Exclusive: 'আমার বেসিক শিক্ষাটা আমার কাছেই থাকবে',বিগ বস থেকে বেরিয়ে 'বাঁধাকপি ট্রমায়' সায়ক

‘দাদা এসে বলেছে তোমাকে দেখা যাচ্ছে না। কিন্তু শুধু ক্যামেরায় দেখানোর জন্য তো আর আমি বার্নার চুরি করতে পারব না’, সোজাসাপটা সায়ক।

Published on: Sep 21, 2026, 18:02:35 IST
Advertisement

'বিগ বস বাংলা'-র ঘর থেকে বিদায় নিয়েছেন অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তী। রবিবার রাতে সায়কের এলিমিনেশন মন থেকে মানতে পারছে না দর্শক। গত কয়েক সপ্তাহে দর্শকদের ‘ঘরের ছেলে’ হয়ে ওঠেছিলেন তিনি। গত কয়েক মাসে একের পর এক বিতর্কে জড়ানো সায়ককে একদম অন্য়ভাবে বিগ বসের ঘরে চিনেছে দর্শক।

'আমার বেসিক শিক্ষাটা আমার কাছেই থাকবে',বিগ বস থেকে বেরিয়ে 'বাঁধাকপি ট্রমায়' সায়ক
'আমার বেসিক শিক্ষাটা আমার কাছেই থাকবে',বিগ বস থেকে বেরিয়ে 'বাঁধাকপি ট্রমায়' সায়ক

এমনকী তিনি বেরিয়ে যাওয়ার সময় ঝিলাম তাঁকে জড়িয়ে ধরে বলতে বাধ্য হয়েছেন, ‘তোকে এতদিন ভুল চিনতাম ভাই’। নিজের সম্পর্কে অনেক ভুল ধারণা ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছেন এই অভিনেতা-ইনফ্লুয়েন্সার। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলাকে অকপটে বললেন, ‘সত্যি হয়ত বিগ বসের ঘর আমার জন্য নয়’। কেন তিনি খেলার খাতিরে 'ঝগড়া' বা 'ফুটেজ' পাওয়ার চেষ্টা করেননি, সঞ্চালক সৌরভের 'ইনভিজিবল' মন্তব্য এবং বিগ বসের ঘরের রান্নাঘর অভিজ্ঞতা নিয়ে খোলামেলা কথা বললেন তিনি।

‘মায়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে চিন্তায় ছিলাম, বার্নার চুরি আমার দ্বারা সম্ভব নয়’

সায়ক স্পষ্ট জানান, বিগ বসের ঘরে যাওয়ার ঠিক আগে তাঁর মায়ের একটি মেডিক্যাল কন্ডিশনের কথা শুনেছিলেন তিনি। তাই মন স্থির রাখতে পারছিলেন না তিনি। সর্বক্ষণ মাথার মধ্যে মায়ের আপডেটের চিন্তা ঘুরত। এছাড়া, গেমের খাতিরে জোর করে ঝগড়া বা কুৎসিত কাজ করার মানসিকতা তাঁর ছিল না।

রান্নাঘরের অভিজ্ঞতা ও চরম 'বাঁধাকপি ট্রমা':

বিগ বসের ঘরে থাকার এই ক'দিনে সম্পূর্ণ নিজের রান্না নিজে করার অভিজ্ঞতার কথাও হাসতে হাসতে জানান সায়ক। তিনি জানান, আগে কোনোদিন রান্না না করলেও সেখানে সোনামণি ও সৃজলার সাহায্যে রান্না শিখেছেন।

তবে সবচেয়ে মজার অভিজ্ঞতা ছিল খাবার খাওয়া নিয়ে। ছোটবেলায় দাদা (সব্যসাচী চক্রবর্তী) জোর করে মুখে পুরে খাইয়ে দেওয়ায় বাঁধাকপি নিয়ে এমনিতেই সায়কের বড় একটি ট্রমা ছিল। আর বিগ বসের ঘরে দিনের পর দিন কেবলই বাঁধাকপি খেতে হয়েছে তাঁকে! সায়ক হাসতে হাসতে বলেন, ‘বাঁধাকপি ট্রমাটা শুধু আমার নয়, পুরো বাড়ির প্রতিটা প্রতিযোগীর মনেই থেকে যাবে! আমি তো ঘরের সাথেই বাঁধাকপিটাকেও ওখানেই ছেড়ে এসেছি, জীবনে আর বোধহয় কোনোদিনও বাঁধাকপি খাব না।’

নিজের বেসিক নীতি বজায় রেখে, দর্শকদের অগাধ ভালোবাসা নিয়ে হাসিমুখেই রিয়্যালিটি শো-র সফর শেষ করলেন সায়ক।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks