বিগ বস বাংলায় ঘর ফের তোলপাড়। এমনিতেই ঘর এখন পরিণত হয়েছে ব্যাটেলগ্রাউন্ডে। আর সেই টাস্কের ‘চিফ কমান্ডার’ বা সঞ্চালক পদে রয়েছেন জীতু। ঘরকে দুটি দলে ভাগ করা হয়েছে, একধারে রয়েছে সৃজলার টিম, অন্য দিকে নিরঞ্জনের। লাক্সারি বাজেট টাস্কের প্রথম দিনেই জীতুর বিপক্ষে চলে গিয়েছে নিরঞ্জনের টিমের সদস্যরা। বিশেষ করে তনুশ্রীর সঙ্গে বচসায় জড়াতে দেখা যায় জীতুকে। এমনকী, তনুশ্রীকে ডিসকোয়ালিফাই-ও করে দেন।

তবে লাক্সারি বাজেট টাস্কের দ্বিতীয় দিনে আরও বড় ঝড় উঠতে চলেছে। অবশেষে যার প্রোমো সামনে এল। যেখানে দেখা যাচ্ছে যে, বিগ বস জীতুর কাছে জানতে চান ব্যাটেলগ্রাউন্ড টাস্কের দুজন ওয়ার্স্ট পারফরমারের নাম।
এরপরই দেখা যায় যে, জীতু বসে রয়েছেন কনফেশন রুমে। আর বিগ বস বলছেন, ‘বিগ বস এই সিদ্ধান্ত চিফ কমান্ডার জীতুর উপরই ছেড়ে দিল’। শুনে রীতিমতো ভেঙে পড়েন জীতু। আর ঘরের মধ্যেও তৈরি হয় উত্তেজনা। নিরঞ্জন ও সৌরভকে আলোচনা করতে শোনা যায়, মিড উইক এভিকশন নিয়ে। নিরঞ্জন তো সরাসরি প্রশ্নও করেন, ‘কী লোকাচ্ছ জীতু দা?’ এখন দেখার ঘরের পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়।
এর আগে মিড উইক এভিকশন বিগ বস বাংলার ঘর থেকে বের হয়ে গিয়েছেন দীপেন্দু বিশ্বাস। সেই সময় ঝিলম ও দীপেন্দুর মধ্যে থেকে যে কোনো কাওকে বেছে নেওয়ার অধিকার ঘরে থাকা সদস্যদের দিয়েছিলেন বিগ বস। সেইসময় শুধুমাত্র অনুষ্কা, দুর্নিবার আর সৃজলা বেছে নিয়েছিলেন দীপেন্দুকে। বাদবাকি সকলের ভোট গিয়েছিল ঝিলমের তরফে। এবারেও কি সেরকমই চমক অপেক্ষা করছে, যার উত্তর পাওয়া যাবে এপিসোডের শেষে।
বিগ বসের নতুন প্রোমো সামনে আসতেই উঠল সমালোচনার ঝড়। একজন মন্তব্য করলেন, ‘সাইকোটা কি নাটক করছে। আমি সিওর ও তনুশ্রীকে দেবেই।’ আরেকজন লিখলেন, ‘হ্যাঁ সব কিছু যখন জিতুর হাতেই দিচ্ছেন ট্রফিটাও ওর হাতে দিয়ে দিন। ওতো ভনিতা করার কি আছে?’ তৃতীয় কমেন্টে লেখা হয়, ‘স্টার জলসা খুব চেষ্টা করছে সোনামণিকে বাঁচানোর। দাদার দরবার তো নয়, যেন নেপোটিজম দরবার।’
প্রসঙ্গত, রবিবার দাদার দরবার চলাকালীন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বিশেষ অধিকার দেন সোনামণিকে। তাঁর হাতে তুলে দেন গোল্ডেন স্টার। যার ফলে চলতি সপ্তাহের এভিকশন থেকে সেফ হয়ে যান সোনামণি। যা নিয়েও ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল দর্শকদের মধ্যে।