ববি দেওল সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাঁর মা প্রকাশ কৌরের অবদানের কথা তুলে ধরে বলেছেন, তাঁদের পরিবারের সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা তাঁর মায়ের। তাঁর মতে, মানুষ সাধারণত তাঁর বাবা ধর্মেন্দ্রর খ্যাতি ও সাফল্যের কথাই বেশি আলোচনা করে, কিন্তু সন্তানদের মানুষ করার ক্ষেত্রে প্রকৃত কৃতিত্ব প্রাপ্য তাঁর ‘হাউজ ওয়াইফ’ মা প্রকাশ কৌরের।

রণবীর আল্লাহবাদিয়ার পডকাস্টে ববি জানান, তাঁর মা সারাজীবন একজন সাধারণ গৃহিণী হিসেবে পরিবারকে আগলে রেখেছেন। খুব অল্প বয়সে ধর্মেন্দ্রের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছিল, কিন্তু স্বামীর বিপুল জনপ্রিয়তা ও তারকাখ্যাতি সত্ত্বেও তিনি কখনও সেই জৌলুসে নিজেকে হারিয়ে ফেলেননি। ববির ভাষায়, তাঁর মা আজও অত্যন্ত সাদাসিধে এবং মাটির মানুষ।
এই মন্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন ববি নিজের জীবনের কঠিন অধ্যায়গুলোর কথাও স্মরণ করছেন। রেস ৩-এর মাধ্যমে প্রত্যাবর্তনের আগে তিনি দীর্ঘ সময় কাজের অভাব ও পেশাগত অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিলেন। সেই কঠিন সময়ে তাঁর স্ত্রী তানিয়া দেওল এবং পরিবারের সদস্যরা তাঁকে মানসিকভাবে সমর্থন দিয়েছিলেন।
ববি আরও বলেন, যখন ধর্মেন্দ্র বলিউডে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে ব্যস্ত ছিলেন, তখন প্রকাশ কৌর সংসার সামলানো ও সন্তানদের বড় করে তোলার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন।
ববির বিশ্বাস, বছরের পর বছর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকলেও তাঁর মা যে ত্যাগ, ধৈর্য এবং ভালোবাসা দিয়ে পরিবারকে একত্রে ধরে রেখেছেন, সেই অবদান কখনও যথাযথ স্বীকৃতি পায়নি। তাই তিনি প্রকাশ্যে মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তাঁকে পরিবারের প্রকৃত স্তম্ভ বলে উল্লেখ করেছেন এই পডকাস্টে।
১৯৫৪ সালে ধর্মেন্দ্র ও প্রকাশ কৌরের বিয়ে হয়। তাঁদের চার সন্তান—সানি দেওল, ববি দেওল, অজিতা এবং বিজয়তা। পরে ১৯৮০ সালে ধর্মেন্দ্র বিয়ে করেন হেমা মালিনিকে। যদিও প্রথম সংসার ছাড়েননি। ডিভোর্সও দেননি প্রকাশকে। শোনা যায়, মুসলিম ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র। আবার একাংশের মতে, হেমা ও ধর্মেন্দ্রর বিয়েই নাকি আইনত হয়নি।
{{/usCountry}}১৯৫৪ সালে ধর্মেন্দ্র ও প্রকাশ কৌরের বিয়ে হয়। তাঁদের চার সন্তান—সানি দেওল, ববি দেওল, অজিতা এবং বিজয়তা। পরে ১৯৮০ সালে ধর্মেন্দ্র বিয়ে করেন হেমা মালিনিকে। যদিও প্রথম সংসার ছাড়েননি। ডিভোর্সও দেননি প্রকাশকে। শোনা যায়, মুসলিম ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র। আবার একাংশের মতে, হেমা ও ধর্মেন্দ্রর বিয়েই নাকি আইনত হয়নি।
{{/usCountry}}হেমার সঙ্গে একত্রবাসও করেননি ধর্মেন্দ্র। বেশিরভাগটা সময় থাকতেন প্রথম পরিবারের সঙ্গেই। যদিও কোনোদিন সম্পর্ক নিয়ে আক্ষেপ করেননি হেমা। তাঁদের দুই মেয়ে এষা দেওল ও অহনা দেওল।