প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিতর্কে স্বস্তি পেলেন শ্রীলেখা, রক্ষাকবচ দিল কলকাতা হাইকোর্ট
গত জুলাই মাসে প্রধানমন্ত্রী কে নিয়ে একটি আপত্তিকর এবং কুরুচিকর পোস্টার প্রকাশ্যে তুলে ধরার অভিযোগ ওঠে অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রর বিরুদ্ধে।
গত জুলাই মাসে প্রধানমন্ত্রীর একটি আপত্তিকর এবং কুরুচিকর পোস্টার প্রকাশ্যে তুলে ধরার অভিযোগ ওঠে অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রর বিরুদ্ধে। যদিও তিনি বারবার দাবি করেন ছবিটি তিনি না দেখেই হাতে নিয়েছিলেন এবং ছবি তুলেছিলেন কিন্তু তাতে পরিস্থিতি অভিনেত্রীর অনুকূলে যায়নি। কলকাতার আনন্দপুর থানায় এফআইআর দায়ের করা হয় অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে, অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি মুখপাত্র কেয়া ঘোষ।

ওই ঘটনার সম্পর্কিত একাধিক ফৌজদারি মামলা খারিজের আবেদন জানিয়েছিলেন শ্রীলেখা মিত্র। তিনি দারস্ত হয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের। এবার কলকাতা হাইকোর্ট যে নির্দেশ দিল, তাতে কিছুটা হলেও স্বস্তি পেলেন অভিনেত্রী।
আরও পড়ুন: নেপালকে ‘মাতৃভূমি’ বলে দাবি সুনীতার, সকলকে আহ্বান জানালেন পাশে থাকার জন্য
বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ৩৫৩ (২) ধারায় এটিকে অপরাধ হিসাবে গণ্য করা যাবে না। অবশ্যই অভিনেত্রী যে কাজটি করেছেন সেটি অন্যায় কিন্তু এটি কোনও অপরাধ নয়। এরপর আদালত রাজ্যকে তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে এবং অভিনেত্রীকে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের তরফ থেকে।
তবে এই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলবে। তবে আগামী ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত শ্রীলেখা মিত্রকে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে, যার ফলে আদালতের অনুমতি ছাড়া অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না। অন্যদিকে অভিনেত্রীকে তদন্তের প্রয়োজনে সমস্ত রকম সহযোগিতা করতে হবে আদালতকে।
আরও পড়ুন: পন্ডিচেরিতে শুটিং শেষে নাচ সৃজিত-যিশুর, ‘কিশোরী’ গানে ইধিকাকে ১০ গোল শঙ্করের
শ্রীলেখাকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হলে তাঁকে অন্ততপক্ষে ৪৮ ঘন্টা আগে নোটিশ দিতে হবে। তবে শ্রীলেখা যদি তদন্তের ক্ষেত্রে সহযোগিতা না করেন সেখানে এই নির্দেশ প্রত্যাহারের আবেদন করা যেতে পারে। তাই বোঝাই যাচ্ছে আপাতত আইনিভাবে কিছুটা হলেও সত্যি নিঃশ্বাস ফেলেছেন শ্রীলেখা মিত্র।
E-Paper

