‘কারা খেটে খাওয়ার পাশে, কারা খাটিয়ে নেওয়ার পাশে…’! ভোটের আগে তৃণমূল না বাম, কাকে সমর্থন অভিনেতা চন্দন সেনের

‘কারা খাটিয়ে নেওয়া দলকে তোয়াজ করে চলে। আর কারা খেটে খাওয়া দলকে তোয়াজ করে…’! ভোটের আগে কোন দলের সমর্থনে চন্দন সেন?

Published on: Oct 29, 2025, 12:08:26 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সামনেই ভোট। আপাতত তারকা থেকে সাধারণ মানুষ, সকলের মুখেই ভোট সংক্রান্ত আলোচনা। একটি ভিডিয়ো ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়াতে। যেখানে দেখা গেল রেভিলিউশন বেঙ্গল নামের একটি চ্যানেল থেকে অভিনেতা চন্দন সেনকে ভোট সংক্রান্ত প্রশ্ন করেছিলেন। তা কোন দলের সমর্থনে কথা বললেন তিনি?

ভোটের আগে তৃণমূল না বাম, কাকে সমর্থন চন্দন সেনের?
ভোটের আগে তৃণমূল না বাম, কাকে সমর্থন চন্দন সেনের?

কোনো বিশেষ দলের নাম না করেই চন্দন সেনকে বলতে শোনা যায়, ‘আমরা চারটে রাজনৈতিক দলের কার্যকলাপ দেখে ফেলেছি, কংগ্রেস, বিজেপি, সিপিআইএম বা বামফ্রন্ট এবং তৃণমূল কংগ্রেস। এবং এখন এটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে কারা অধিকাংশ মানুষের ভালো চান। আর কারা কিছু মানুষের ভালো চান। কারা খাটিয়ে নেওয়া দলকে তোয়াজ করে চলে। আর কারা খেটে খাওয়া দলকে তোয়াজ করে।’

আরও পড়ুন: ‘দেব খুব সরলভাবেই…’! শুভশ্রীর ‘ইনোসেন্স নেই’ মন্তব্যে নিজের দলের নেতার পাশেই চিরঞ্জিত, কী বললেন?

‘আজকে ইলন মাস্ক সামনে দাঁড়িয়ে প্রমাণ করে দিয়েছে, ইভিএম মেশিন যখন তখন হ্যাক করা যায়। বুথে কেউ যখন চোখ রাঙিয়ে আপনাকে বলবে, ‘এই তোর হয়ে গেছে’, তখন পালটা বলতে হবে, 'না হয়নি, আমিই দেব'। কারণ এই ব্যবস্থাটা যতক্ষণ না পর্যন্ত আপনি পালটাচ্ছেন, ততক্ষণ অবধি কিছু বদলাবে না।’, আরও বলেন তিনি।

আরও পড়ুন: সেটের মেঝেতে ঘুম, দিনে ২২ ঘণ্টার শিফট! কত টাকা পেতেন হিতেন কুটুম্ব সিরিয়াল থেকে?

২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটের আগে উঠেপড়ে লেগেছে সব রাজনৈতিক দলগুলিও। তারই মাঝে মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে দেশের ১২টি রাজ্যে এসআইআর চালু হয়েছে, অর্থাৎ ভোটার তালিকা সংশোধন। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী, রোহিঙ্গা মুসলিমদের নিশানায় রেখে লাগাতার হুমকি-হুঁশিয়ারি দিয়ে চলেছেন বিজেপির বড় থেকে মাঝারি সব নেতাই। যদিও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীত্ব সঙ্গে আশ্বাস দিয়ে বেড়াচ্ছেন, এসআইআরে নাম বাদ গেলেও কুছ পরোয়া নেই। ‘সিএএ’ তো আছে! অর্থাৎ, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের টোপ ফের সামনে।

অর্থাৎ সব মিলিয়ে এবারে বেশ তোলপাড় হবে রাজ্য রাজনীতি। এমনিতেই ২০২৪ সালের আরজি কর খুন-ধর্ষণ, সিএসসি-দুর্নীতি, একাধিক ইস্যু নিয়ে বিরোধিদের হাতে একাধিক তাস। দেখার, এসআইআরের পর কী দাঁড়ায় পরিস্থিতি।