...
...
Next Story

‘মনে হয় বিশেষ রঙের অন্তর্বাসই একমাত্র নাগরিক মর্যাদা পাবে…’! মন্তব্য করে ট্রোলে চন্দন সেন, শুনতে হল ‘মাকু’

এক সাক্ষাৎকারে রাজ্য ও দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুললেন প্রখ্যাত অভিনেতা ও নাট্য ব্যক্তিত্ব চন্দন সেন। যদিও নিজের মন্তব্যের কারণে অনলাইনে শুনতে হল ‘মাকু’ কটাক্ষ।

Published on: Jul 4, 2026, 13:32:07 IST
Advertisement

বাংলার মানুষ এখন ডবল ইঞ্জিন সরকারের সুবিধা ভোগ করছেন। অর্থাৎ রাজ্য ও কেন্দ্র, দু জায়গাতেই এখন শাসন চলছে বিজেপি-র। তবে এরই মাঝে রাজ্যের শাসক দলের উপর এই দু' মাসেই অনেকের মনে তৈরি হয়েছে বিভিন্ন ক্ষোভ। তা সে কখনো সরকারি জায়গা থেকে অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করা হোক বা এসআইআর-এর কড়াকড়ি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন অভিনেতা, প্রখ্যাত নাট্য ব্যক্তিত্ব চন্দন সেন।

চন্দন সেন।
চন্দন সেন।

টলিউড অনলাইনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে চন্দন সেনকে বলতে শোনা যা. ‘আজকাল কেউ দেশের মানুষের সুবিদার্থে বিরোধিতা করে না, শুধুমাত্র নিজের স্বার্থে বিরোধিতা করে। যখন যেমন, তখন তেমনভাবে পালটে যেতে পারে। মানুষ তাঁদের ভোট দিয়ে এই বিরোধিতার জায়গাটা করে দিয়েছে এটাই সবথেকে দুর্ভাগ্যের বিষয়। আমি যতটা না সরকারের প্রতি অখুশি, তার থেকে অনেক বেশি অখুশি বিরোধীদের প্রতি। এমন শতখণ্ডে বিভক্ত বিরোধী যে কোনো সরকারের জন্য ভালো ব্যাপার।’

সঙ্গে পাসপোর্ট আর নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়, এই ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে চন্দন সেনের প্রতিক্রিয়া, ‘আমার মনে হয় বিশেষ রঙের অন্তর্বাসই একমাত্র নাগরিক মর্যাদা পাবে।’ সঙ্গে বর্তমানের যে ‘ডিম ছোঁড়া সংস্কৃতি’র উদ্ভব হয়েছে, সেটারও বিরোধিতা করেন তিনি। কোমড়ে দড়ি বেঁধে অপরাধীকে রাস্তায় অন্তর্বাস পরিয়ে ঘোরানোকে তুলনা করেন মধ্যযুগীয় বর্বরতার সঙ্গে।

বলেন, ‘একজন মানুষ তিনি নিকৃষ্টতম অপরাধ করতে পারেন। কিন্তু তাঁকে কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরানো, আন্ডারওয়্য়ার পরিয়ে, এটা মধ্যযুগীয় বর্বরতা। যখন থেকে এটা শুরু হয়েছে তখন থেকে বলেছি, আবার বলছি গণপিটুনি এ যে কী ভয়াবহ ভবিষ্যত, এবং এই প্রত্যেকটি ডিম পাথরে পরিণত হতে বেশি সময় লাগবে না। প্রশাসন যে এগুলো করতে দিচ্ছে, পৃথিবীর ইতিহাসে দেখা গিয়েছে যে এগুলো উলটো দিকে ঘুরে যায়। সুতরাং এগুলো খুব সভ্য জগতের ঘটনা ঘটছে না।’ যদিও দেখা গেল কমেন্ট সেকশনে অনেকেই ‘মাকু’ বলে কটাক্ষ করলেন চন্দন সেনকে। যদিও তাঁর কথার সঙ্গে সহমত পোষণ করতেও দেখা গেল।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe