বাংলার মানুষ এখন ডবল ইঞ্জিন সরকারের সুবিধা ভোগ করছেন। অর্থাৎ রাজ্য ও কেন্দ্র, দু জায়গাতেই এখন শাসন চলছে বিজেপি-র। তবে এরই মাঝে রাজ্যের শাসক দলের উপর এই দু' মাসেই অনেকের মনে তৈরি হয়েছে বিভিন্ন ক্ষোভ। তা সে কখনো সরকারি জায়গা থেকে অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করা হোক বা এসআইআর-এর কড়াকড়ি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন অভিনেতা, প্রখ্যাত নাট্য ব্যক্তিত্ব চন্দন সেন।

টলিউড অনলাইনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে চন্দন সেনকে বলতে শোনা যা. ‘আজকাল কেউ দেশের মানুষের সুবিদার্থে বিরোধিতা করে না, শুধুমাত্র নিজের স্বার্থে বিরোধিতা করে। যখন যেমন, তখন তেমনভাবে পালটে যেতে পারে। মানুষ তাঁদের ভোট দিয়ে এই বিরোধিতার জায়গাটা করে দিয়েছে এটাই সবথেকে দুর্ভাগ্যের বিষয়। আমি যতটা না সরকারের প্রতি অখুশি, তার থেকে অনেক বেশি অখুশি বিরোধীদের প্রতি। এমন শতখণ্ডে বিভক্ত বিরোধী যে কোনো সরকারের জন্য ভালো ব্যাপার।’
সঙ্গে পাসপোর্ট আর নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়, এই ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে চন্দন সেনের প্রতিক্রিয়া, ‘আমার মনে হয় বিশেষ রঙের অন্তর্বাসই একমাত্র নাগরিক মর্যাদা পাবে।’ সঙ্গে বর্তমানের যে ‘ডিম ছোঁড়া সংস্কৃতি’র উদ্ভব হয়েছে, সেটারও বিরোধিতা করেন তিনি। কোমড়ে দড়ি বেঁধে অপরাধীকে রাস্তায় অন্তর্বাস পরিয়ে ঘোরানোকে তুলনা করেন মধ্যযুগীয় বর্বরতার সঙ্গে।
বলেন, ‘একজন মানুষ তিনি নিকৃষ্টতম অপরাধ করতে পারেন। কিন্তু তাঁকে কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরানো, আন্ডারওয়্য়ার পরিয়ে, এটা মধ্যযুগীয় বর্বরতা। যখন থেকে এটা শুরু হয়েছে তখন থেকে বলেছি, আবার বলছি গণপিটুনি এ যে কী ভয়াবহ ভবিষ্যত, এবং এই প্রত্যেকটি ডিম পাথরে পরিণত হতে বেশি সময় লাগবে না। প্রশাসন যে এগুলো করতে দিচ্ছে, পৃথিবীর ইতিহাসে দেখা গিয়েছে যে এগুলো উলটো দিকে ঘুরে যায়। সুতরাং এগুলো খুব সভ্য জগতের ঘটনা ঘটছে না।’ যদিও দেখা গেল কমেন্ট সেকশনে অনেকেই ‘মাকু’ বলে কটাক্ষ করলেন চন্দন সেনকে। যদিও তাঁর কথার সঙ্গে সহমত পোষণ করতেও দেখা গেল।
চন্দন সেন একজন প্রখ্যাত বামপন্থী নাট্য ব্যক্তিত্ব, অভিনেতা ও নির্দেশক, যিনি ব্যক্তিগত জীবনে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী) বা সিপিআই(এম) এবং বামফ্রন্টের কট্টর সমর্থক ও আদর্শে বিশ্বাসী হিসেবে পরিচিত। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে তাঁকে অংশ নিতে দেখা গিয়েছিল।
{{/usCountry}}চন্দন সেন একজন প্রখ্যাত বামপন্থী নাট্য ব্যক্তিত্ব, অভিনেতা ও নির্দেশক, যিনি ব্যক্তিগত জীবনে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী) বা সিপিআই(এম) এবং বামফ্রন্টের কট্টর সমর্থক ও আদর্শে বিশ্বাসী হিসেবে পরিচিত। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে তাঁকে অংশ নিতে দেখা গিয়েছিল।
{{/usCountry}}