...
...
Next Story

Abhijeet Dipke: সামনেই কি ককরোচ-প্রতিষ্ঠাতা অভিজিতের বিয়ে? বিয়ের জন্য ভরেভরে প্রস্তাব আসছে, জানালেন দীপকের মা

দিল্লির যন্তর-মন্তরে প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে দীর্ঘ আন্দোলনের পর সরকারের দাবি মেনে নেওয়াকে বড় জয় হিসেবে দেখছেন আন্দোলনকারীরা। এবার আলোচনায় উঠে এসেছে CJP প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের ব্যক্তিগত জীবন। তাঁর মা জানিয়েছেন, আন্দোলনের পর থেকেই ছেলের জন্য বিয়ের প্রস্তাবের বন্যা বয়ে যাচ্ছে।

Published on: Jul 27, 2026, 15:30:56 IST
Advertisement

দিল্লির যন্তর-মন্তরে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে চলা দীর্ঘ আন্দোলন অবশেষে শেষ হয়েছে। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা এই আন্দোলনে দেশজুড়ে হাজার হাজার যুবক-যুবতী অংশ নেন। আন্দোলনকারীদের দাবি মেনে নেওয়ার পর এটিকে তরুণ আন্দোলনকারীদের বড় জয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। আর এই সাফল্যের অন্যতম কৃতিত্ব দেওয়া হচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি অভিজিৎ দীপকেকে।

ছেলের বিয়ের জন্য ভরে ভরে আসছে প্রস্তাব, জানালেন অভিজিৎ দীপকের মা। (PTI)
ছেলের বিয়ের জন্য ভরে ভরে আসছে প্রস্তাব, জানালেন অভিজিৎ দীপকের মা। (PTI)

আন্দোলনের সাফল্যের পর টিভি৯ মরাঠিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিজিৎ দীপকের বাবা-মা তাঁদের আনন্দের কথা জানান। সেই সময় অভিজিতের বিয়ের প্রসঙ্গ উঠতেই তাঁর মা হেসে বলেন, আন্দোলনের পর থেকেই ছেলের জন্য অসংখ্য বিয়ের প্রস্তাব আসছে।

তিনি বলেন, ‘আগেও বিয়ের জন্য ফোন আসত। তবে এখন সেই সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে। তবে বিয়ের সময় হলে তখন দেখা যাবে। আগে ওকে এই ব্যস্ততা থেকে একটু বেরিয়ে আসতে দিন।’

বউমা কেমন চান— এই প্রশ্নের উত্তরে অভিজিৎ দীপকের মা বলেন, আগে তাঁর ইচ্ছে ছিল খুব সাধারণ ও শান্ত স্বভাবের মেয়ে বউমা হিসেবে আসুক। তবে এখন অভিজিৎ জীবনের যে জায়গায় পৌঁছেছেন, তাঁর জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ তাঁর নিজের হওয়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, ‘অভিজিৎ যাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেবে, আমরা সেই সিদ্ধান্তকেই সমর্থন করব। এখন আর সেই সময় নেই, যখন বাবা-মা যাকে ঠিক করবে, তাকেই বিয়ে করতে হবে। আজকের প্রজন্ম নিজেদের সিদ্ধান্ত নিজেরাই নেয়।’

এর আগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর যন্তর-মন্তরে উপস্থিত আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে অভিজিৎ দীপকে বলেন, এই পদত্যাগ গণতন্ত্রের শক্তির প্রমাণ। তিনি বলেন, ‘অনেকে বলতেন, এই সরকারে কেউ পদত্যাগ করে না। আমরা বলি, দুনিয়ায় সবাই নত হয়, তবে তাকে নত করানোর মানুষও দরকার।’

এছাড়াও তিনি ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের 'ককরোচ' মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, 'যদি আমাদের 'ককরোচ' না বলা হত, তাহলে আমি ভারতে ফিরতাম না। দেশের যুবকরাও রাস্তায় নামত না, আর ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগও হত না।'

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe