দিল্লির যন্তর-মন্তরে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে চলা দীর্ঘ আন্দোলন অবশেষে শেষ হয়েছে। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা এই আন্দোলনে দেশজুড়ে হাজার হাজার যুবক-যুবতী অংশ নেন। আন্দোলনকারীদের দাবি মেনে নেওয়ার পর এটিকে তরুণ আন্দোলনকারীদের বড় জয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। আর এই সাফল্যের অন্যতম কৃতিত্ব দেওয়া হচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি অভিজিৎ দীপকেকে।

আন্দোলনের সাফল্যের পর টিভি৯ মরাঠিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিজিৎ দীপকের বাবা-মা তাঁদের আনন্দের কথা জানান। সেই সময় অভিজিতের বিয়ের প্রসঙ্গ উঠতেই তাঁর মা হেসে বলেন, আন্দোলনের পর থেকেই ছেলের জন্য অসংখ্য বিয়ের প্রস্তাব আসছে।
তিনি বলেন, ‘আগেও বিয়ের জন্য ফোন আসত। তবে এখন সেই সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে। তবে বিয়ের সময় হলে তখন দেখা যাবে। আগে ওকে এই ব্যস্ততা থেকে একটু বেরিয়ে আসতে দিন।’
বউমা কেমন চান— এই প্রশ্নের উত্তরে অভিজিৎ দীপকের মা বলেন, আগে তাঁর ইচ্ছে ছিল খুব সাধারণ ও শান্ত স্বভাবের মেয়ে বউমা হিসেবে আসুক। তবে এখন অভিজিৎ জীবনের যে জায়গায় পৌঁছেছেন, তাঁর জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ তাঁর নিজের হওয়া উচিত।
তিনি আরও বলেন, ‘অভিজিৎ যাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেবে, আমরা সেই সিদ্ধান্তকেই সমর্থন করব। এখন আর সেই সময় নেই, যখন বাবা-মা যাকে ঠিক করবে, তাকেই বিয়ে করতে হবে। আজকের প্রজন্ম নিজেদের সিদ্ধান্ত নিজেরাই নেয়।’
এদিকে আন্দোলনের পর অভিজিৎ দীপকের আগামী রাজনৈতিক পদক্ষেপ নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে। CJP ভবিষ্যতে রাজনৈতিক দলে পরিণত হবে কি না, বা তিনি কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হবেন কি না—এমন প্রশ্নও উঠছে। তবে এই প্রসঙ্গে তাঁর মা জানান, এখনও এ বিষয়ে তাঁদের কিছু জানা নেই। অভিজিৎ যে সিদ্ধান্তই নিন না কেন, পুরো পরিবার তাঁর পাশে থাকবে।
{{/usCountry}}এদিকে আন্দোলনের পর অভিজিৎ দীপকের আগামী রাজনৈতিক পদক্ষেপ নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে। CJP ভবিষ্যতে রাজনৈতিক দলে পরিণত হবে কি না, বা তিনি কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হবেন কি না—এমন প্রশ্নও উঠছে। তবে এই প্রসঙ্গে তাঁর মা জানান, এখনও এ বিষয়ে তাঁদের কিছু জানা নেই। অভিজিৎ যে সিদ্ধান্তই নিন না কেন, পুরো পরিবার তাঁর পাশে থাকবে।
{{/usCountry}}এর আগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর যন্তর-মন্তরে উপস্থিত আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে অভিজিৎ দীপকে বলেন, এই পদত্যাগ গণতন্ত্রের শক্তির প্রমাণ। তিনি বলেন, ‘অনেকে বলতেন, এই সরকারে কেউ পদত্যাগ করে না। আমরা বলি, দুনিয়ায় সবাই নত হয়, তবে তাকে নত করানোর মানুষও দরকার।’
এছাড়াও তিনি ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের 'ককরোচ' মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, 'যদি আমাদের 'ককরোচ' না বলা হত, তাহলে আমি ভারতে ফিরতাম না। দেশের যুবকরাও রাস্তায় নামত না, আর ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগও হত না।'