বুধবার রাজ্যের দ্বিতীয় দফার ভোট মিটলেও, তৃণমূল ও বিজেপি প্রার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা কমেনি, এখনো বিভিন্ন জায়গায় সংঘাতের অভিযোগ সামনে আসছে। সোমবার ভোটের ফলাফল, তার আগে শুক্রবার সোনারপুর দক্ষিণ কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক লাভলি মৈত্র।

লাভলি মৈত্র-র অভিযোগ অনুযায়ী, ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হওয়ার পর কালিকাপুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সাহেবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৬৭ নম্বর বুথে প্রবেশ করেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। তৃণমূল প্রার্থীর দাবি, বিজেপি প্রার্থীর উপস্থিতিতেই ভোট-পরবর্তী প্রশাসনিক কাজ সম্পন্ন হয়। এই ঘটনায় আপত্তি জানাতে গেলে তৃণমূলের এজেন্ট ও সমর্থকদের সঙ্গে বচসা বাধে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ। এতে কয়েকজন আহত হন বলেও দাবি করা হয়েছে। যদিও এই অভিযোগ প্রসঙ্গে এখনও পর্যন্ত রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
২০১৫ সালে বিজেপি-তে যোগ দিয়েছিলেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গেই যুক্ত রয়েছেন সেই থেকেই। এমনকী বিনোদন জগতের থেকেও নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। রূপাকে একাধিক বার বিজেপির বিভিন্ন কর্মসূচি, প্রতিবাদ-বিক্ষোভ এবং প্রচার অভিযানে দেখা গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন একাধিকবার। তবে ভোটে দাঁড়ালেন এই প্রথম।
তৃণমূলের প্রার্থী অভিনেত্রী অরুন্ধতী ওরফে লাভলি মৈত্র দ্বিতীয়বার পেলেন টিকিট। তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ যুব নেত্রী হিসেবে পরিচিত। ২০২১ সালে তিনি প্রথমবার সোনারপুর দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং জয়ী হন। মাঝে শোনা গিয়েছিল, দল নাকি লাভলি-র কাজে খুশি নন। টিকিটও দেওয়া হবে না। যদিও পরে ভোট প্রচারে মমতা লাভলির হয়ে বলেছিলেন, ‘পার্টির খুব অনুগত’! এমনকী, ২০২৪ সালে আরজি কর কাণ্ডের সময় লাভলির বিতর্কিত মন্তব্য নিয়েও দলকে বেশ বিপাকে পড়তে হয়, ‘ভুলভ্রান্তি হতেই পারে’ বলে ধামাচাপাও দিতে হয়। এখন দেখার, বর্ষীয়ান অভিনেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়কে হারিয়ে তৃণমূলকে জয় এনে দিতে পারেন নাকি লাভলি!
{{/usCountry}}তৃণমূলের প্রার্থী অভিনেত্রী অরুন্ধতী ওরফে লাভলি মৈত্র দ্বিতীয়বার পেলেন টিকিট। তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ যুব নেত্রী হিসেবে পরিচিত। ২০২১ সালে তিনি প্রথমবার সোনারপুর দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং জয়ী হন। মাঝে শোনা গিয়েছিল, দল নাকি লাভলি-র কাজে খুশি নন। টিকিটও দেওয়া হবে না। যদিও পরে ভোট প্রচারে মমতা লাভলির হয়ে বলেছিলেন, ‘পার্টির খুব অনুগত’! এমনকী, ২০২৪ সালে আরজি কর কাণ্ডের সময় লাভলির বিতর্কিত মন্তব্য নিয়েও দলকে বেশ বিপাকে পড়তে হয়, ‘ভুলভ্রান্তি হতেই পারে’ বলে ধামাচাপাও দিতে হয়। এখন দেখার, বর্ষীয়ান অভিনেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়কে হারিয়ে তৃণমূলকে জয় এনে দিতে পারেন নাকি লাভলি!
{{/usCountry}}