...
...
Next Story

Dada Boudi Biriani: দাদা বউদি বিরিয়ানিতে ইঁদুর! গ্রাহকের অভিযোগে ম্যানেজারের রূঢ় ব্যবহার, ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ হোটেলের

পুজোর আগে এমনিতেই বহু রেস্তোরাঁয় পড়েছে তালা। আর তারই মাঝে বিতর্কে দাদা বউদি-র ব্যারাকপুর আউটলেট। সেখানে বিরিয়ানি খেতে ঢুকে এক গ্রাহক দেখেন রেস্তোরাঁর মধ্যে ঘুরছে ইঁদুর। অভিযোগ জানাতেই ম্যানেজারের জবাব, ‘দরজা খোলা ছিল ঢুকে গেছে। ঢুকতেই পারে।’

Updated on: Sep 22, 2026, 16:20:21 IST
Advertisement

এমনিতেই বাংলা জুড়ে বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় কড়া নজর রেখেছে কলকাতা পুরসভার খাদ্য নিরাপত্তা দফতর। অনিয়ম ও ফুড সেফটি স্ট্যান্ডার্ড না মানায় কলকাতার বহু নামী-দামী রেস্তোরাঁ ও দোকানের লাইসেন্স সাময়িকভাবে স্থগিত বা বাতিল করা হয়েছে। তারই মাঝে ব্যারাকপুরের দাদা বউদি বিরিয়ানি আউটলেটের একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যেখানে রেস্তোরাঁয় প্রবেশ করে এক গ্রাহক দেখেন ইদুঁর ঘুরে বেড়াচ্ছে। আর তা নিয়ে রীতিমতো ধুন্ধুমার কাণ্ড। ম্যানেজারের সঙ্গে বচসা, ফেসবুক লাইভ। আর আপাতত তা নিয়েই আলোচনা বিভিন্ন মহলে।

ইঁদুর নিয়ে দাদা বউদিতে ধুন্ধুমার

দাদা বউদির ব্যারাকপুর আউটলেটে ইঁদুর নিয়ে ধুন্ধুমার।
দাদা বউদির ব্যারাকপুর আউটলেটে ইঁদুর নিয়ে ধুন্ধুমার।

ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে যে, কয়েকজন সহকর্মীর সঙ্গে দাদা বউদি হোটেলে পৌঁছন ওই ব্যক্তি। তাঁদের দাবি, যখন দেখেন যে রেস্তোরাঁর মধ্যে একটি ইঁদুর ঘোরাঘুরি করছে, তখন তাঁরা ব্যাপারটি জানান দোকানের ম্যানেজারকে। আর ম্য়ানেজার সেই জবাবে জানান, ‘এটা নরমাল, এমন হতেই পারে।’ এরপর কথা কাটাকাটি থেকে একপ্রকার হাতাহাতির অবস্থা। সুদীপ্ত মণ্ডল নামের সেই ব্যক্তি এরপর ফেসবুক লাইভ করেন। যেখানে ম্যানেজারকে কার্যত স্বীকার করে নিতে দেখা যায় যে, তাঁদের রেস্তোরাঁয় ইঁদুর দেখা গিয়েছে। অন ক্যামেরা জোর গলায় বলেন, ‘ইঁদুর ঢুকতেই পারে’। পরবর্তীতে ম্যানেজার আরও বলেন, ‘দরজা খোলা ছিল ঢুকে গেছে। ঢুকতেই পারে।’

সুদীপ্ত মণ্ডলের বক্তব্য, এত নামি রেস্তোরাঁ যেখানে বিভিন্ন বয়সের মানুষ খেতে আসে, সেখানে ইঁদুর থেকে যে কোনো বড় রোগ হতে পারে। চালের বস্তা থেকে শুরু করে খাবারে মুখও দিতে পারে ইঁদুর। তাও কেন এত অবলীলায় ম্যানেজার এটিকে ‘হতেই পারে’ বলে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করল? দাদা বউদির ম্যানেজারকে বেশ জোর গলায় বলতে শোনা যায়, ‘আপনারা আমার কাস্টমার সরাতে পারবেন না’!

কী বলছে নেটপাড়া?

গোটা ব্যাপারটা নিয়ে ইতিমধ্যে মুখও খুলেছে দাদা বউদি হোটেল। সুদীপ্ত মণ্ডলের করা এই ভিডিয়োর কমেন্ট সেকশনে তাঁরা জবাবে জানিয়েছে, ‘এই ভিডিওটি যে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে তা আমরা বুঝতে পারছি এবং আমাদের ব্যারাকপুর আউটলেটে যা ঘটেছে, তার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। যারা এই ভিডিওটি দেখছেন, তাদের জানাতে চাই যে আমরা বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছি। ঘটনার সময় আমাদের ম্যানেজার পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন ঠিকই, তবে আমরা স্বীকার করছি যে যোগাযোগের ধরনটি আরও ভালো হতে পারত’।

ঘটনায় দাদা বউদি হোটেলের প্রতিক্রিয়া।

‘আমরা ঘটনাটি তদন্ত করছি এবং আউটলেটে পরিচ্ছন্নতা, স্যানিটেশন ও কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত আমাদের কার্যক্রম পর্যালোচনা করছি। ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ১৯৬৩ সাল থেকেই আমাদের অতিথিদের আস্থাই ‘দাদাবৌদি’-র মূল চালিকাশক্তি। আপনাদের উদ্বেগের কথা আমরা শুনেছি এবং তা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছি; আমরা আরও ভালো পরিষেবা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’, আরও লেখা হয় সেই কমেন্টে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks