Anik Dutta: 'পুরানো সেই দিনের কথা' গাইতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন ঐশী, চোখের জলে বাবাকে জানালেন শেষ বিদায়

Anik Dutta: গত ২৭ মে বুধবার চিরকালের জন্য না ফেরার দেশে চলে যান পরিচালক অনীক দত্ত। প্রাক্তন স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তিনি। দেখা না হওয়ায় ওই আবাসনের ফ্ল্যাট থেকেই আত্মহত্যা করেন পরিচালক। রেখে যান একটি চিঠি, যা থেকে স্পষ্ট হয়ে যায় মানসিক অবসাদ থেকেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

Published on: May 29, 2026, 13:44:36 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Anik Dutta: গত ২৭ মে বুধবার চিরকালের জন্য না ফেরার দেশে চলে যান পরিচালক অনীক দত্ত। প্রাক্তন স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তিনি। দেখা না হওয়ায় ওই আবাসনের ফ্ল্যাট থেকেই আত্মহত্যা করেন পরিচালক। রেখে যান একটি চিঠি, যা থেকে স্পষ্ট হয়ে যায় মানসিক অবসাদ থেকেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

চোখের জলে বাবাকে জানালেন শেষ বিদায়
চোখের জলে বাবাকে জানালেন শেষ বিদায়

আজ অর্থাৎ ২৯ মে সকালে নন্দনে নিয়ে যাওয়া হয় পরিচালকের মরদেহ। সেখানে পরিচালককে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য ভিড় করেছিলেন অনুরাগীরা। এরপর সেখান থেকে অনীক দত্তের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় টলি পাড়ার ঐতিহাসিক নিউ থিয়েটার্স ১ স্টুডিওয়। গানে গানে শেষ বিদায় জানানো হয় অনীককে।

আরও পড়ুন: অনীক দত্তর আকস্মিক প্রয়াণে স্তব্ধ টলিউড, শোক প্রকাশ করলেন প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণারা

এই দিন স্টুডিওয়ে উপস্থিত ছিলেন সৌরভ দাস, অগ্নিমিত্রা পাল, লগ্নজিতা চক্রবর্তী, সুদীপ্তা চক্রবর্তী, রুদ্রনীল ঘোষ, চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়, সৃজিত মুখোপাধ্যায়, জীতু কমল সহ আরও অনেকে। পরিচালককে মালা দিয়ে শেষ বিদায় জানান অভিনেতা জিৎ।

পরিচালকের নিথর দেহের পাশে বসে গান গাইতে দেখা যায় একমাত্র কন্যা ঐশীকে। পাশে ছিলেন প্রাক্তন স্ত্রী সন্ধি দত্ত। ‘পুরানো সেই দিনের কথা’ গাইতে গাইতে কান্নায় ভেঙে পড়েন মেয়ে। এরপর পরিচালকের দেহ নিয়ে যাওয়া হয় কেওড়াতলা মহাশ্মশানে। বাবার শেষ কাজ করেন মেয়ে।

আরও পড়ুন: ছাদের একপাশে পড়ে অনীক দত্তর চটিজোড়া, পুলিশের হাতে এল ছাদের সিসিটিভি ফুটেজ

প্রসঙ্গত, গত বুধবার দুপুরে কলকাতার হিন্দুস্তান পার্ক এলাকায় নিজের আবাসনের ছাদ থেকে পড়ে মৃত্যু হল ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’ পরিচালক অনীক দত্তর। তদন্তে নেমে আরও জানা গিয়েছিল, বুধবার বাড়ি থেকে নিজের গাড়ি করে প্রাক্তন স্ত্রীর ফ্ল্যাটে এসেছিলেন অনীক দত্ত। গাড়ির চালককে নিচে অপেক্ষা করতে বলেছিলেন তিনি। এরপরই আচমকা একটা বিকট শব্দ শুনে পরিচালকের ড্রাইভার সহ বাকিরা ছুটে যান এবং দেখতে পান ফ্ল্যাটের নিচে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন অনীক।

ঘটনাস্থল থেকে যে সুইসাইড নোট উদ্ধার করা হয়েছে সেখানে উঠে এসেছে পরিচালকের জীবনের তীব্র হতাশার কথা। তিনি যে দীর্ঘদিন ধরে মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন সেটা স্পষ্ট লিখে দিয়েছেন চিঠিতে। তবে তিনি তাঁর মৃত্যুর জন্য অন্য কাউকে দায়ী করেননি।