...
...
Next Story

Debashree Ganguly: ‘যাকে খেয়ে ছিবড়ে করে ফেলেছেন…’, সুগার ড্যাডির খোঁজ চাইলেন শুভশ্রীর দিদি! কেন?

Debashree Ganguly: বালিতে রোম্যান্টিক মুডে একের পর এক ছবি শুভশ্রী দিদির। প্রেম নিয়ে খবর ছড়াতেই চটলেন দেবশ্রী। নেটিজেনকে কড়া জবাব ‘মিষ্টি বাপি’ টেনে।

Published on: Jun 28, 2026, 11:30:57 IST
Advertisement

টলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের দিদি দেবশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় (Debashree Ganguly) সোশ্যাল মিডিয়ায় বরাবরই বেশ সক্রিয়। নিজের স্পষ্ট মতামত ও ঠোঁটকাটা স্বভাবের জন্য তিনি প্রায়শই লাইমলাইটে থাকেন। দু-বার বিয়ে টেকেনি দেবশ্রীর। দ্বিতীয় বিয়ে ভাঙে মাস কয়েকেই।

‘যাকে খেয়ে ছিবড়ে করে ফেলেছেন…’, সুগার ড্যাডির খোঁজ চাইলেন শুভশ্রীর দিদি! কেন?
‘যাকে খেয়ে ছিবড়ে করে ফেলেছেন…’, সুগার ড্যাডির খোঁজ চাইলেন শুভশ্রীর দিদি! কেন?

নতুন করে প্রেমে পড়েছেন দেবশ্রী। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন স্বয়ং। বালিতে ঘুরতে গিয়ে একাধিক ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেন দেবশ্রী। একটি ছবিতে দেখা যায়, হাত দিয়ে এক পুরুষের মুখ ঢেকে রয়েছেন তিনি। সংবাদমাধ্যমে তাঁর ‘প্রেমের জল্পনা’ রটে যাওয়ায় দেবশ্রী ফেসবুকের দেওয়ালে ক্ষোভ উগরে লিখেছিলেন— ‘সংবাদ মাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পারি আমি নাকি প্রেম করছি।’ দেবশ্রীর এই পোস্টের নিচেই এক নেটিজেন অত্যন্ত তাঁকে ট্রোল করার চেষ্টা করেন। তবে দমে যাওয়ার পাত্রী নন দেবশ্রীও। ওই নেটিজেনের নোংরা মন্তব্যের জবাবে যেভাবে তিনি ‘সুগার ড্যাডি’ খোঁচা ফিরিয়ে দিলেন, তা এই মুহূর্তে নেটপাড়ায় তুমুল ভাইরাল।

নেটিজেনের সেই কুরুচিকর ট্রোল ও কটাক্ষ

দেবশ্রীর প্রেমের খবর অস্বীকার করেননি, তবে ধোঁয়াশা জিইয়ে রেখেছেন। এমন পোস্টের কমেন্ট বক্সে এক নেটিজেন অভিনেত্রীকে খোঁচা দিয়ে অত্যন্ত রোমান্টিক ছবির প্রসঙ্গ টেনে লেখেন, ‘জাহ বাবা! তাহলে এত রোম্যান্টিক্যালি যে লিখলো, কাকে একটা হাত-ফাত দিয়ে ঢাকলো... সে তা কে?? বয়ফ্রেন্ড নয়!?? তাহলে ভুল ধারণা আমাদের, আহারে!!... আমি তো ভেবেছিলাম প্রেমিক.. আর নয়তো বড়লোক সুগার ড্যাডি.. ঘুরতে নিয়ে গেল এত সুন্দর সময় কাটালেন ছবি দিলেন... আর এখন বেচারা হাভাতে সংবাদ মাধ্যমের সব দোষ!! বোঝো!!’

‘আপনার ইউজ করা হলেও চলবে’— পাল্টা ধোলাই দেবশ্রীর

এমন কুৎসিত আক্রমণ দেখে মাথা ঠান্ডা রেখে মোক্ষম চড় কষিয়েছেন দেবশ্রী। রসিকতা ও তীব্র কটাক্ষের সুরে ওই নেটিজেনকে ধুয়ে দিয়ে তিনি কমেন্ট বক্সে লেখেন, ‘আপনার কাছে যদি ভালো কোনো সুগার ড্যাডির নাম্বার থাকে দেবেন। আপনার ইউজ করা সুগার ড্যাডি হলেও চলবে। তাই বলে একদম যাকে খেয়ে ছিবড়ে করে ফেলেছেন, তারটা নয় প্লিজ। সে আবার হুগলি-বালি টুকুও নিয়ে যেতে পারবে না।’

দেবশ্রীর এই মারাত্মক ‘বডি ল্যাঙ্গুয়েজ’ এবং কড়া জবাবে কার্যত মুখ পুড়েছে ওই ট্রোলারের। নেটিজেনকে যেভাবে তিনি তাঁর ‘ইউজ করা সুগার ড্যাডি’র খোঁটা দিয়েছেন, তাতে অনুরাগী মহলে প্রশংসিত হচ্ছেন শুভশ্রীর দিদি। কেউ কেউ আবার দেবশ্রীকে মনে করিয়েছেন বালি কিন্তু হুগলি জেলা নয়, হাওড়া জেলার অংশ।

দেবশ্রীর পোস্ট

ট্রোলের বিরুদ্ধে বরাবরই সোচ্চার গঙ্গোপাধ্যায় পরিবার

গঙ্গোপাধ্যায় পরিবারের মেয়েরা যে ট্রোলিং বা অন্যায় কুৎসা মুখ বুজে সহ্য করেন না, তা আরও একবার প্রমাণ করলেন দেবশ্রী। তারকা বা তাঁর আত্মীয়দের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমজনতার একাংশের এই ধরণের সস্তা ও নোংরা মানসিকতার চর্চাকে যেভাবে তিনি সপাটে জবাব দিলেন, তা সত্যি দেখার মতো।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe