Debolina Dutta: ‘নেভারমাইন্ড’ প্রিমিয়ারে দেবলীনাকে কাঁদতে দেখে কটাক্ষ নেটপাড়ার, কড়া জবাব নায়িকার

Debolina Dutta: খুব সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে ‘নেভারমাইন্ড’। ছবির প্রিমিয়ারে ঋতুপর্ণা থেকে শুরু করে দেবলীনা দত্ত উপস্থিত ছিলেন একাধিক তারকা। প্রিমিয়ারের শেষে কেক কেটে সকলকে আনন্দ করতে দেখা যায়। কিন্তু ছবির কথা বলতে গিয়ে চোখে জল চলে আসে দেবলীনার। 

Published on: Jul 5, 2026, 13:05:46 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Debolina Dutta: খুব সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে ‘নেভারমাইন্ড’। ছবির প্রিমিয়ারে ঋতুপর্ণা থেকে শুরু করে দেবলীনা দত্ত উপস্থিত ছিলেন একাধিক তারকা। প্রিমিয়ারের শেষে কেক কেটে সকলকে আনন্দ করতে দেখা যায়। কিন্তু ছবির কথা বলতে গিয়ে চোখে জল চলে আসে দেবলীনার। শুধু তাই নয়, অমর্ত্য সেনকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতেও দেখা যায় তাঁকে।

নেভারমাইন্ড প্রিমিয়ারে দেবলীনাকে কাঁদতে দেখে কটাক্ষ নেটপাড়ার
নেভারমাইন্ড প্রিমিয়ারে দেবলীনাকে কাঁদতে দেখে কটাক্ষ নেটপাড়ার

দেবলীনার কান্নার এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই কটাক্ষের বন্যা বয়ে যায়। অনেকেই কমেন্ট করে লেখেন অভিনেত্রী নাকি এখন কান্না দিয়ে মানুষের অ্যাটেনশন পাওয়ার চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে যেহেতু ‘ছবিওয়ালা’ ছবির প্রিমিয়ারেও দেবলীনাকে কাঁদতে দেখা দিয়েছিল তাই অনেকে এও কমেন্ট করেন, অভিনেত্রীকে এখন মাঝেমধ্যেই বিভিন্ন জায়গায় কাঁদতে দেখা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: শুরু জীতুর নতুন পথচলা, চিঠি দিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন জিৎ

এবার এই সমস্ত কটাক্ষের জবাব দিতে নিজেই মুখ খুললেন অভিনেত্রী। টিভি৯ বাংলাকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে দেবলীনা বলেন, ‘কমেন্ট করলেই হয় না। অন্য দিকের মানুষের পরিস্থিতিটা বুঝতে হয়। নয় বছর বয়সে আমি আমার বাবাকে হারিয়েছিলাম। খুব আকস্মিক ছিল সেই ঘটনাটা। আমার একটা মানসিক ব্যাধি ছিল, যাকে চিকিৎসার ভাষায় বলা হয় নিহিলিজম। এই রোগটির ফলে আমি আমার বাবার আকস্মিক মৃত্যু মেনে নিতে পারিনি, ফলে আমার নিহিলিজম অ্যাটাক হয়।’

দেবলীনার কথায়, প্রথমে ক্লাস ফাইভে, তারপর ক্লাস ইলেভেনে এবং ফার্স্ট ইয়ারে অ্যাটাক হয় তাঁর। কোন কাছের মানুষের মৃত্যু হলেই তিনি এই ভাবেই আক্রান্ত হন বারবার। চিকিৎসকের অধীনে থাকার পরেও খুব একটা এই ব্যাপারটা থেকে তিনি বেরিয়ে আসতে পারেননি। শুধুমাত্র বাড়ির লোকই জানতেন, কেন মৃত্যু দেখলেই তিনি এইভাবে কেঁদে ফেলতেন।

আরও পড়ুন: 'পরিচালক মানেই শেষ কথা...', কাঞ্চনের জীবনে হরনাথ-স্বপনদের গুরুত্ব ছিল কতখানি?

দেবলীনা বলেন, ‘ছবিওয়ালা ছবির প্রিমিয়ারে আমার কান্নার প্রধান কারণ রাহুল এখন আর নেই। যে মানুষটার সঙ্গে কিছুদিন আগেও আমি কাজ করেছিলাম, সে আজ আর সঙ্গে নেই। ওর সঙ্গে শুধুমাত্র কাজের সূত্র নয়, পারিবারিক সূত্রেও আমার ঘনিষ্ঠতা। তাই আবেগ থাকা স্বাভাবিক। যাদের এটা অস্বাভাবিক লাগছে তাদের প্রতি সত্যিই আমার সহানুভূতি রয়েছে। কাছের মানুষ বা বন্ধুকে হারিয়ে যারা কাঁধে পারেনা তাদের মানুষ বলে মনে হয় না। আর আমার এই অসুখে কান্না শুরু হলে সেটা থামতে চায় না।’

নেভার মাইন্ড প্রিমিয়ারের কথা উঠলে দেবলীনা বলেন, ‘অমর্ত্য যেমন চৈতিদির ছেলে তেমন আমারও ছেলে। আমার সন্তানসম কেউ যদি এত সুন্দর অভিনয় করে, তাহলে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়াটাই স্বাভাবিক। তবে আমার ওপর শুধু ক্যামেরা ছিল বলে সকলে আমাকেই কাঁদতে দেখেছে। সেদিন কিন্তু ওখানে সকলেই কাঁদছিলেন। আমরা যেহেতু একজন শিল্পী, তাই এত সুন্দর কাজ দেখে আবেগতাড়িত হয়ে পড়াটাই স্বাভাবিক।’

সবশেষে অভিনেত্রী বলেন, ‘পরপর দুবার দুটো ঘটনা ঘটেছে বলে হয়তো অনেকেই আমাকে নিয়ে কটাক্ষ করছেন। কিন্তু আমরা যাকে ভালোবাসি তাদের ভালো কাজ দেখে যদি চোখে জল আসে তা তো অন্যায় নয়। আমাদের মধ্যে যদি অনুভূতি কাজ না করে তাহলে তো আমরা রোবটে পরিণত হয়ে যাব। সকলে কি আমাদের থেকে এটাই আশা করছেন? আমাদের মধ্যে কোনও অনুভূতি কাজ করবে না?’