সোশ্যাল মিডিয়ায় একপ্রকার ঝড় তুলে দিয়েছে কঙ্গনা রানাওয়াত ও ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র সৌরভ দাসের তু তু ম্যায় ম্যায়! এমনকী, এই কথা চালাচালিতে তিনি নিজেকে ‘হৃতিকের মতো দেখতে’ বলেও দাবি করেন। এদিকে নিজেকে ‘মোদীর অন্ধভক্ত’ দাবি করা বাঙালি অভিনেত্রী দেবশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় কটাক্ষ করলেন সৌরভকে। তাঁর হৃতিকের মতো দেখতে বক্তব্য নিয়ে চটুল মন্তব্য করতেও ছাড়লেন না।

ককরোচ জনতা পার্টি ও দেশের তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে কঙ্গনা রানাওয়াতের মন্তব্য থেকে বিষয়টি শুরু হয়। যা নিয়ে সৌরভ দাস বলে বসেন, দেশের জনতা তো দূরের কথা, বিজেপি-র লোকেরাও কঙ্গনাকে পাত্তা দেয় না! এরপরই সৌরভকে ‘অকর্মণ্য ও বেকার’ কটাক্ষ হানেন বলিউড অভিনেত্রী ও সাংসদ। ছাড়ার পাত্র নন সৌরভ দাসও। তিনি রসিকতা করে দাবি করেন, কঙ্গনা হয়তো তাঁর ওপর বেশি ক্ষুব্ধ কারণ বন্ধুরা তাঁকে অভিনেতা হৃতিক রোশনের সঙ্গে তুলনা করে। প্রসঙ্গত, হৃতিক-কঙ্গনার অতীতের ‘কিসসা’ কারুর অজানা নয়। ফলে গোটা ব্যাপারটাই বেশ হাস্যকর রূপ নেয়!
আর সেরকমই একটি খবর সংবাদমাধ্যমে বের হওয়ার পর অনেক নেটিজেনই সৌরভকে নিয়ে মস্করা করেছেন। এমনকী, ‘মিশো থেকে অর্ডার করা হৃতিক’ বলেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। সেরকমই একটি মন্তব্যে এক মহিলা লেখেন, ‘ঋত্বিক? ওহ গড! কুছ ভি।’ যাতে শুভশ্রীর দিদি দেবশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ও মন্তব্য করেন। লেখেন, ‘সিরিয়াসলি! আয়নাতে দেখে না নিজেকে।’
হামেশাই বিজেপি-র হয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় গলা ফাটান দেবশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। এমনকী, কানাঘুষোয় শোনা যাচ্ছে যে, এই ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শে বিশ্বাসের কারণে নাকি পরিবারের মধ্যেও ফাটল ধরেছে। বোন শুভশ্রীর সঙ্গে দূরত্ব এসেছে দেবশ্রীর। যদিও এই সব নিয়ে কোনো পক্ষই মন্তব্য করেননি।
{{/usCountry}}হামেশাই বিজেপি-র হয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় গলা ফাটান দেবশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। এমনকী, কানাঘুষোয় শোনা যাচ্ছে যে, এই ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শে বিশ্বাসের কারণে নাকি পরিবারের মধ্যেও ফাটল ধরেছে। বোন শুভশ্রীর সঙ্গে দূরত্ব এসেছে দেবশ্রীর। যদিও এই সব নিয়ে কোনো পক্ষই মন্তব্য করেননি।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির দেশের যুবদের ‘আরশোলা’র সঙ্গে তুলনা করার পরই তৈরি হয় ককরোচ জনতা পার্টি। এরপরই সৌরভ দাস সিজেপিতে যোগ দেন এবং দলের মুখপাত্র হয়ে ওঠেন। দিল্লির বাসিন্দা সৌরভ। অ্যামিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে পড়াশোনা। মাত্র ১৮ বছর বয়সে তিনি তথ্যের অধিকার (RTI) আইনের মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি দফতরের কাছে তথ্য চাওয়া শুরু করেন। পেশায় ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্ট সৌরভ দাস দীর্ঘদিন ধরেই আইন, প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা, স্বচ্ছতা এবং তথ্যের অধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে কাজ করে আসছেন। দিল্লিভিত্তিক এই সাংবাদিক বর্তমানে ক্লাইমেট অ্যাকশন ফ্রন্ট-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা। দ্য ক্যারাভান, আর্টিকেল ১৪, আল জাজিরা, দ্য ওয়্যার, দ্য হিন্দু এবং নিউ লাইনস ম্যাগাজিন-সহ একাধিক প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি।