ফুরফুরা শরীফের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিকির চতুর্থ প্রজন্মের কৃতী সন্তান নওশাদ সিদ্দিকি। সব রাজনৈতিক দলের ‘কাছের মানুষ’ বাংলার এই তরুণ বিধায়ক। মাত্র ২৮ বছর বয়সে বিধানসভায় পা রেখেছিলেন আইএসএফ দলের বিধায়ক।

সম্প্রতি দাদাগিরির মঞ্চে হাজির হয়েছিলেন নওশাদ সিদ্দিকি। জাতীয় স্তরের ভবিবল প্লেয়ার থেকে রাজনীতিতে, ‘ভাইজান’ নওসাদের বাংলার রাজনীতিতে উত্থান বিদ্যুৎ গতিতে। দাদা আব্বাস সিদ্দিকীর হাত ধরে তিনি রাজনীতিতে এসেছিলেন। কোন সমীকরণে তিনি বিজেপি,তৃণমূল কংগ্রেস, সিপিআইএম সবার প্রিয় পাত্র? মদন মিত্রর এই প্রশ্ন ভাইজান সটান জানান- ‘কারণ আমার মুখ আর মুখোশ আলাদা নয়’। দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার ভাঙরের বিধায়ক নওশাদ এদিন হুগলির প্রতিনিধিত্ব করেন।
দাদাগিরির মঞ্চে নওসাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। দেব সঞ্চালিত এই গেম শো জিতেও নেন আইএসএফ বিধায়ক। বিজেপির সজল ঘোষ, কৌস্তভ বাগচি, তৃণমূলের মদন মিত্র, কুণাল ঘোষ এবং সিপিআইএমের মুস্তাফিজুর রানাকে পরাজিত করে দাদাগিরির ট্রফি জেনে নওশাদ।
টস রাউন্ড চলাকালীন সঞ্চালক তথা সাংসদ দেবের গুগলির মুখে পড়লেন নওশাদ। ‘এটি অনেকেই দেয়’, টস রাউন্ডের প্রথম ক্লু ছিল এটি। নওশাদ জবাব দিয়েছিলেন- ‘ভোট’। দ্বিতীয় ক্লু ছিল, ‘এটি একে অন্যকে দিয়ে থাকে’। ভাইজানকে উত্তর দিতে বললে, একটু কনফিউ হয়ে যান নওশাদ। তিনি বলেন, ‘একে অন্যকে তো অনেক কিছুই দিয়ে থাকে’।
দেব ফুট কেটে বলেন, ‘একে অন্যকে তো চুমুও দিয়ে থাকে, হামিও দিয়ে থাকে, মন দিয়ে থাকে…মন দিয়ে দিয়েছো?’ পরিস্থিতি বেগতিক দেখে নওশাদ বলেন, ‘মনটা এখানে (দাদাগিরিতে) দিলাম’। দেব কিন্তু নাছোড়বান্দা। তিনি ফের জানতে চান, ‘অন্য জায়গায় মন দিয়ে দিয়েছো নাকি সেটা খালি আছে?’ লজ্জায় লাল হয়ে বিধায়ক জবাব দেন, ‘সেটা এখনও খালি আছে’।
{{/usCountry}}দেব ফুট কেটে বলেন, ‘একে অন্যকে তো চুমুও দিয়ে থাকে, হামিও দিয়ে থাকে, মন দিয়ে থাকে…মন দিয়ে দিয়েছো?’ পরিস্থিতি বেগতিক দেখে নওশাদ বলেন, ‘মনটা এখানে (দাদাগিরিতে) দিলাম’। দেব কিন্তু নাছোড়বান্দা। তিনি ফের জানতে চান, ‘অন্য জায়গায় মন দিয়ে দিয়েছো নাকি সেটা খালি আছে?’ লজ্জায় লাল হয়ে বিধায়ক জবাব দেন, ‘সেটা এখনও খালি আছে’।
{{/usCountry}}টস রাউন্ডে নিজের প্রথম উত্তর ‘ভোট’ থেকে সরে মদন মিত্রের কথা সায় জানান ভাইজান। কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক জানান, ‘রক্ত’ সঠিক জবাব। সেই জবাব মিলতেই চারিদিক থেকে ভেসে এল ‘ওহ লাভলি’ রব।