মেগাস্টার দেব, সোশ্যাল মিডিয়ায় এই কথাটা বারবার শুনতে পাওয়া যায় সর্বত্র। কিন্তু দীপক অধিকারী একদিনে মেগাস্টার দেব হয়ে ওঠেননি, এর পেছনে ছিল অনেক লড়াই,অনেক কষ্ট। ২০ বছর আগে যে স্বপ্ন বুকে নিয়ে তিনি ইন্ডাস্ট্রিতে এসেছিলেন তা আজ সফল।
মেগাস্টার দেব, সোশ্যাল মিডিয়ায় এই কথাটা বারবার শুনতে পাওয়া যায় সর্বত্র। কিন্তু দীপক অধিকারী একদিনে মেগাস্টার দেব হয়ে ওঠেননি, এর পেছনে ছিল অনেক লড়াই,অনেক কষ্ট। ২০ বছর আগে যে স্বপ্ন বুকে নিয়ে তিনি ইন্ডাস্ট্রিতে এসেছিলেন তা আজ সফল।
ইন্ডাস্ট্রিতে ২০ বছর,রুক্মিণীকে নিয়েই কেক কাটলেন দেব।
ইন্ডাস্ট্রিতে ২০ বছর কাটানো উপলক্ষে কেক কাটতে দেখা যায় দেব। সঙ্গে ছিল দেবের গোটা টিম এবং অবশ্যই দেবের সব থেকে কাছের মানুষ রুক্মিণী। এই দিন দেব একটি কালো রঙের টি-শার্ট পরেছিলেন এবং রুক্মিণী পরেছিলেন একটি গোলাপি রঙের টপ।
কেক কেটে সবার আগে রুক্মিণীকে সেই কেক খাওয়ালেন দেব, প্রদত্তরে প্রিয় মানুষটিকে কেক খাইয়ে দিলেন অভিনেত্রীও। এরপর একে একে উপস্থিত সকলকে কেক খাওয়ান অভিনেতা। এই বিশেষ দিনটির জন্য সমস্ত দর্শকদের তিনি ধন্যবাদ জানান যারা প্রতিনিয়ত অভিনেতার পাশে ছিলেন এবং অভিনেতার সাফল্যের জন্য কামনা করেছেন।
তবে এই দিনটি আরও একটি কারণে ভীষণ স্পেশাল কারণ একদিকে তিনি যেমন ২০ বছর কাটালেন ইন্ডাস্ট্রিতে তেমন অন্যদিকে রাজনীতির মঞ্চ দেব কাটিয়ে ফেলেছেন ১২ বছর, আর এই বিশেষ দিনেই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যার ফলে এই দিনটি অভিনেতার কাছে ভীষণ স্পেশাল।
এই দিন সংবাদ মাধ্যমের সামনে দাঁড়িয়ে দেব বলেন, আজকের দিনটা সত্যি ভীষণ স্পেশাল। আজকে আমি সেই সব মানুষদের ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা এতদিন আমার পাশে ছিলেন। আজ আরেকটি ব্যাপারে আমি ভীষণ খুশি কারণ এতদিন ধরে আটকে থাকা ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান অবশেষে উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী। এটা শুধু আমার জন্য নয় গোটা ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের প্রত্যেক মানুষের জন্য বিশেষ দিন। সব মিলিয়ে আজকের দিনটা ভীষণ ভীষণ স্পেশাল।
প্রসঙ্গত, দীর্ঘ তিন বছর পর আবার বড় পর্দায় ফিরতে চলেছেন দেব এবং রুক্মিণী। শুনতে পাওয়া যাচ্ছে, বাইক এম্বুলেন্স দাদা জুটি বাঁধতে চলেছেন এই দুই তারকা। এটি দেবের কেরিয়ারের ৫০ তম ছবি তাই খুব স্বাভাবিক ভাবেই এই সিনেমাটি অভিনেতার কাছে ভীষণ স্পেশাল।