...
...
Next Story

এক দিনেই বন্ধ টেকনিশিয়ানদের স্বাস্থ্যসাথী রেজিস্ট্রেশনের কাজ, 'আমি ক্ষমাপ্রার্থী...', বললেন দেব

গত ১৪ মার্চ টলিউডের টেকনিশিয়ানদের উদ্দেশ্যে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড রেজিস্ট্রেশন করার প্রথম দিন ছিল। প্রথম দিনের সেই ক্যাম্পে দেবের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কোয়েল। টালিগঞ্জের ৭০০০ জন টেকনিশিয়ানদের হাতে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড তুলে দেওয়ার অঙ্গীকার করেন দেব।

Updated on: Mar 16, 2026, 23:37:56 IST
Advertisement

গত ১৪ মার্চ টলিউডের টেকনিশিয়ানদের উদ্দেশ্যে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড রেজিস্ট্রেশন করার প্রথম দিন ছিল। প্রথম দিনের সেই ক্যাম্পে দেবের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কোয়েল। খুব সম্প্রতি টালিগঞ্জের ৭০০০ জন টেকনিশিয়ানদের হাতে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড তুলে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছিলেন দেব, সেইভাবেই শুর হয় কাজ।

এক দিনেই বন্ধ স্বাস্থ্যসাথী ক্যাম্পের কাজ, 'আমি ক্ষমাপ্রার্থী...', বললেন দেব
এক দিনেই বন্ধ স্বাস্থ্যসাথী ক্যাম্পের কাজ, 'আমি ক্ষমাপ্রার্থী...', বললেন দেব

১৪ মার্চের পর ১৬ মার্চ দ্বিতীয় দিনের ক্যাম্প হওয়ার কথা ছিল। নির্দিষ্ট সময়ে উপস্থিত হয়েছিলেন টেকনিশিয়ানরা কিন্তু সঠিক সময়ে পৌঁছে গেলেও জানা যায়, আপাতত বন্ধ স্বাস্থ্য সাথী তৈরির কাজ। কিন্তু কেন? প্রথম দিনের পরেই কেন আচমকা বন্ধ হয়ে গেল টেকনিশিয়ানদের স্বাস্থ্য সাথী তৈরীর কাজ।

আরও পড়ুন: না ফেরার দেশে ‘লম্বি জুদাই’ খ্যাত অভিনেত্রী মধু মালহোত্রা, শোকের ছায়া বলিউডে

স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের কাজ বন্ধ হওয়ার নেপথ্যের কারণ জানানোর জন্য এদিন লাইভে আসেন দেব। লাইভে এসেই দেব বলেন, ‘একটা জরুরী কথা বলার জন্য লাইভে এসেছি। আমরা ঘোষণা করেছিলাম স্বাস্থ্য সাথী কার্ড দেওয়া হবে আজ, তবে এটাও আমি বলেছিলাম যদি আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হয়ে যায়, তাহলে এই পরিষেবা আমরা শুরু করতে পারবো না আর সেটাই হলো। গতকাল ভোটের দিনক্ষণ ডিক্লেয়ার করে দেওয়া হয়েছে, তাই আপাতত বন্ধ রাখতে হচ্ছে স্বাস্থ্য সাথী তৈরির কাজ।’

দেবের কথায়, ‘আমি যে ফেসবুক পোস্ট করেছিলাম সেটা হয়তো সবার কাছে পৌঁছতে পারেনি তাই অনেকেই জানতে পারেননি যে এই পরিষেবা আপাতত বন্ধ হয়েছে। আমি ক্ষমাপ্রার্থী সকলের কাছে। এই কারণেই আজ এই লাইভ করলাম যাতে এটার মাধ্যমে সবাই জানতে পারেন যে আপাতত কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে যতক্ষণ না ভোট হচ্ছে।’

আরও পড়ুন: বিচ্ছেদের জল্পনা অতীত, সোনার সংসার অ্যাওয়ার্ড শোয়ে প্রথমবার অনামিকাকে নিয়ে হাজির উদয়

দেব বলেন, ‘৪ তারিখ অবধি অপেক্ষা করুন তবে আমি কথা দিচ্ছি ভোটের ফলাফলের পর এই পরিষেবা আবার আমরা শুরু করব এবং অনেক বড় ভাবে শুরু করব। অনেক টেকনিশিয়ান আছেন যারা এখন বাড়িতে বসে রয়েছেন। এখন শরীর খারাপ মানেই জলের মতো টাকা খরচ হয়ে যাওয়া। তাই সবার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। আপনারা সকলে পাশে থাকবেন।'

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe