'ব্যোমকেশ' বিতর্ক অতীত, ‘বড্ড তাড়াতাড়ি চলে গেল’, সমবয়সী রাহুলের প্রয়ানে শোকাহত দেব
‘ভোলে বাবা পার করেগা’ মেগার শ্যুট করতে গিয়ে, রবিবার সমুদ্রে ডুবে প্রয়াত হন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া টলিপাড়ায়। এবার শোক প্রকাশ করলেন অভিনেতা দেব।
‘ভোলে বাবা পার করেগা’ মেগার শ্যুট করতে গিয়ে, রবিবার সমুদ্রে ডুবে প্রয়াত হন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া টলিপাড়ায়। এবার শোক প্রকাশ করলেন অভিনেতা দেব।

আরও পড়ুন: রাহুলের বিজয়গড়ের বাড়ির সামনে বিজেপি প্রার্থী পাপিয়াকে ঘিরে বিক্ষোভ! কী ঘটেছিল?
রাহুলের প্রথম ছবি 'চিরদিনই তুমি যে আমার…'-এ আইটেম সং-এ নেচেছিলেন দেব। ছবির গান ‘প্যান্টে তালি’ সেই সময় ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছিল। এরপর দেব রাহুলের ছবি ‘জ্যাকপট’-এও 'কে তুমি নন্দিনী' গানে ধরা দিয়েছিলেন। পরে অবশ্য এক সময় দেব ‘ব্যোমকেশ’-এর ভূমিকায় অভিনয় করবেন শুনে তির্যক মন্তব্য করেছিলেন রাহুল। ফলে তাঁদের মধ্যে যে সেই সময় একটা দূরত্ব তৈরি হয়েছিল তা বলাই বাহুল্য। কিন্তু সমবয়সী রাহুলের প্রয়ানে শোকাহত দেবও।
সাংবাদিকদের দেব বলেন, 'বড্ড তাড়াতাড়ি চলে গেল। ওঁর প্রথম সিনেমায় ‘আইটেম’ গানে নেচেছি। ছবির একটা গানের শ্যুট হয়েছিল দক্ষিণ কলকাতায়। মনে আছে, তখন সাউথ সিটি মল সবে খুলেছে। ওঁকে নিয়ে রাজের সঙ্গে শপিং করতে গিয়েছি। নিউ মার্কেটেও গিয়েছি। ভাবতে পারছি না। এমন নয় যে, দারুণ বন্ধুত্ব ছিল। কিন্তু শিল্পী হিসাবে শ্রদ্ধা করতাম। তিনি টলিউডের মধ্যে অন্যতম একজন সেরা অভিনেতা ছিলেন। বাংলার দর্শক, বাংলার ইন্ডাস্ট্রির অনেক বড় ক্ষতি হল। ঈশ্বর ওঁর আত্মাকে শান্তি দিন।’ দেব এখন কলকাতায় নেই। নির্বাচনী প্রচারে জন্য তিনি কোচবিহারে। তাই রাহুলের বাড়ি তিনি যেতে পারেননি।
আরও পড়ুন: দ্বিতীয়বার মা হলেন সোনম! ফের নাতির দাদু হয়ে আনন্দে ডগমগ অনিল, লিখলেন, ‘আমার হৃদয়…’
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে দেব যখন জানিয়েছিলেন যে তিনি বড়পর্দায় ব্যোমকেশ হচ্ছেন, তখন তির্যক মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছিল রাহুল অরুণোদয়কে। তিনি তাঁর পেজ থেকে একটি পোস্ট করে লিখেছিলেন, ‘খুশবন্ত সিংয়ের জোক: দুটি পাঞ্জাবি দাবা খলছে। বাঙালির জোক:দেব ব্যোমকেশ।’ যদিও তারপর নানা জলঘোলা হয়। তবে সেই সব এখন অতীত। চিরনিদ্রায় রাহুল। শোকাহত তাঁর অনুরাগী -সহ পুরো টলিপাড়া।
রাহুলের মৃত্যু নিয়ে অনেক প্রশ্ন অনুরাগীদের মনে। ময়নাতদন্তের পর সোমবার দুপুরের দিকে তমলুক মহকুমা হাসপাতাল থেকে রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মরদেহ কলকাতায় নিয়ে আসা হয়েছে। দুপুর ২:৪৫ নাগাদ তাঁর মরদেহ বিজয়গড়ের বাসভবনে পৌঁছয়। প্রিয় বাবিনকে শেষবারের মতো দেখতে সেখানে জড়ো হয়েছিল গোটা পাড়া। পৌঁছেছিলেন রাহুলের সহকর্মী-বন্ধুরাও। শেষশ্রদ্ধা জানান, দীপ্সিতা ধর, শতরূপ ঘোষরা। চোখের জলে বন্ধু রাহুলকে শেষবিদায় জানান আবির চট্টোপাধ্যায়, গৌরব চক্রবর্তী, ঋদ্ধিমা, রূপম ইসলামরা।
E-Paper

