Dev: ইন্ডাস্ট্রিতে যখন রাজনীতি অতিরিক্ত পর্যায়ে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল, যখন ব্যান কালচারে জর্জরিত হয়ে পড়েছিলেন পরিচালক, অভিনেতা অভিনেত্রী থেকে শুরু করে কলাকুশলী সকলেই। সেই জায়গায় দাঁড়িয়েও বিরোধী দলের অভিনেতা-অভিনেত্রী বা ব্যান হয়ে থাকা শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করেছিলেন দেব।
Dev: ইন্ডাস্ট্রিতে যখন রাজনীতি অতিরিক্ত পর্যায়ে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল, যখন ব্যান কালচারে জর্জরিত হয়ে পড়েছিলেন পরিচালক, অভিনেতা অভিনেত্রী থেকে শুরু করে কলাকুশলী সকলেই। সেই জায়গায় দাঁড়িয়েও বিরোধী দলের অভিনেতা-অভিনেত্রী বা ব্যান হয়ে থাকা শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করেছিলেন দেব।
অনির্বাণকে পাশে নিয়ে কাকে খোঁচা দিলেন দেব?
রাজনৈতিক পালা বদলের পর অনেকের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ উঠলেও দেবকে নিয়ে এক বাক্যে সকলে স্বীকার করেছেন, তিনি তৃণমূলের সংসদ হওয়া সত্ত্বেও প্রাণপণ চেষ্টা করেছিলেন যাতে টলিউডের রাজনৈতিক মতভেদকে প্রাধান্য না দেওয়া হয়। ঠিক এই কারণেই হয়তো আগামী দিনে তাঁকেও ব্যান করে দেওয়ার কথা উঠেছিল।
এবার স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেফতার হতেই অনির্বাণকে পাশে নিয়ে একটি ইঙ্গিত পূর্ন পোস্ট করেন দেব। একদিকে তিনি এবং অনির্বাণ, অন্যদিকে ৭২ ঘন্টার একটি ছবি (যেটি তিনি ব্যান কালচার উঠিয়ে দেওয়ার দাবি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন)।
ক্যাপশনে দেব লেখেন, ‘৭২ ঘন্টা। সময় বদলায়, বিশ্বাস বদলায়, সত্যি কখনও বদলায় না। বন্যেরা বনে সুন্দর, শিল্পীরা শিল্পে। আজ দেশু ৭ এ প্রথম দিন, একসঙ্গে।’ খুব স্বাভাবিক ভাবেই বোঝা যাচ্ছে তিনি ঠিক কাকে উদ্দেশ্য করে এই পোস্ট করেছেন। বিশ্বাস ব্রাদার্স আসায় ইন্ডাস্ট্রির যে পরিবেশ নষ্ট হয়েছিল, সেই নষ্ট হয়ে যাওয়া পরিবেশ থেকেই এবার উদ্ধার চায় গোটা টলিউড।
প্রসঙ্গত, স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেফতার হতেই যাকে নিয়ে সব থেকে বেশি আলোচনা হয় তিনি হলেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য কারণ অনির্বাণকে ব্যান করে দেওয়ার পেছনে ছিল স্বরূপ বিশ্বাসের হাত। স্বরূপ বিশ্বাস তাই গ্রেফতার হতেই অনির্বাণ ভট্টাচার্যের প্রতিক্রিয়া জানার জন্য অধীর আগ্রহ অপেক্ষা করেছিলেন সকলে।
স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেফতার হওয়ার পর আনন্দবাজার ডট কমকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে অনির্বাণ বলেন, ‘অনেকে লড়াই করেছেন। আমি একা নই। আমি তো ইন্ডাস্ট্রির আলোর দিকের মানুষ। গ্ল্যামারের দুনিয়ায় অভিনেতাদের অবাধ চলাফেরা। তবে ইন্ডাস্ট্রির যাঁরা কলাকুশলী, যাঁরা উপার্জনের দিকে কিংবা গ্ল্যামারের দিক থেকে অনেকটা পিছনে— তাঁরা অনেক বেশি ভুগেছেন। আর স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেফতার হওয়ার পরে যে লোকে সবটা জেনেছে, তেমন নয়। আমরা এগুলো জানতাম বলেই এর বিরোধিতা করেছিলাম।’