কদিন আগেই দেবের দাদাগিরিতে এসেছিলেন রাজনীতির জগতের মানুষেরা। এবার দেবের শো-র অতিথি তারকারা। ব্রাত্য বসু, ঋত্বিক চক্রবর্তীদের সঙ্গে এদিন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক মৌপিয়া চক্রবর্তী। আর সেখানেই মৌপিয়ার গুগলিতে কাত হন দেব।

মৌপিয়া জানতে চান, দেব যদি দেবদাস হয়, তাহলে পারো কে হবে, আর চন্দ্রমুখী কে? তবে জবাব নিয়ে তৈরিই ছিলেন অভিনেতা। বলে বসেন, আমি যদি দেবদাস হয়, তবে রুক্মিণী আর শুভশ্রীকেই কাস্ট করব। যদিও কে পারো, আর কে চন্দ্রমুখী হবে, সেই বিষয়ে আলোকপাত করলেন না তিনি।
আর এই প্রোমো-তে এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, ‘এখানে শুভশ্রী হচ্ছে পারো/পার্বতী তার প্রথম লাভ। তারপর বিয়ে হয়ে যায় রাজের সাথে। রুক্মিণী হচ্ছে চন্দ্রমুখী যে সব কষ্ট সহ্য করেও দেবকে আগলে রাখে আর জীবন সম্পূর্ণ বদলে যায়। পারফেক্ট কাস্টিং।’ আরেকজন আবার মন্তব্য করেন, ‘এরা যা শুরু করেছে ওদিকে রাগ করে রাজ চক্রবর্তী আর রুক্মিনী প্রেম করে না বসে!!’ আরেকটি কমেন্টে লেকা হয়, ‘হ্যাঁ তলারও খাবো, আর গাছেরেও খাবো’
আসলে দেব যাতেই হাত দেন, তা-ই থাকে চর্চায়। অন্তত প্রোমোশনের দিক থেকে তিনি খুব সহজেই পেতে পারেন ১০০-তে ১০০০। দেশু ৭ নিয়ে উন্মাদনা সেই ছবি মুক্তি পাওয়ার আগে থেকেই। তারই মাঝে সোশ্যাল মিডিয়ায় মাঝেসাঝে বোমা ফাটান নায়ক-নায়িকা। কখনো দেবের কোলে বসে থাকতে দেখা যায় শুভশ্রীকে। আবার কখনো অভিনেতা অবলীলায় বলে বসে, শুভশ্রী নাকি এখন আগের থেকে (যখন তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল) অনেক বেশি ম্য়াচিওর। আর সেই সময় যদি এই ম্যাচিওরটিটা থাকত, তাঁদের বিচ্ছেদই হত না।
এমনকী, দেবের মতে রাজ-পত্নী নাকি দেশু ৭ ছবিতে সবচেয়ে সুন্দরী আর হট লাগছে। যা আগে কখনো লাগেনি। আর এসব কথা এতটাই ভাইরাল হয়েছে যে, নেটপাড়ায় রটে গিয়েছে শুভশ্রী-রাজের মধ্যে নাকি তুমুল সমস্যা চলছে। এমনকী, ছাদও আলাদা হয়ে গিয়েছে।
দেশু ৭-এর কথা বলতে গেলে, ১২ বছর পর দেব-শুভশ্রীর কাজ। বিচ্ছেদের পরপরই তাঁরা ধূমকেতু-র শ্যুট করেছিলেন, যার মুক্তি লম্বা সময় আটকে থাকার পর, ২০২৫ সালে প্রেক্ষাগৃহে আসে। আর সেখান থেকেই পুরনো বন্ধুত্বে রং লাগে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসেই দেশু ৭ ছবির ঘোষণা হয়ে যায়। প্রথমে ঠিক ছিল যেহেতু এটা দেব-শুভশ্রী জুটির সপ্তম কাজ, তাই আপাতত দেশু ৭ নাম নিয়েই প্রচার হবে। কিন্তু পরবর্তীতে তা এতটাই চর্চায় চলে আসে যে, ছবির নামও দেশু ৭ রাখারই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন তাঁরা। পুজোতে প্রেক্ষাগৃহে আসছে ছবিখানা।