অজয় দেবগন, আরশাদ ওয়ারসির মতো তারকাদের নিয়ে তৈরি 'ধামাল ৪' মুক্তির সঙ্গে সঙ্গে বক্স অফিসে বুলেটের গতিতে এগিয়ে চলেছে। আইএমডিবিতে ছবিটির টিং এসেছে ৭.৭। আয়ের গ্রাফও ক্রমাগত বাড়ছে। ইন্দ্র কুমার পরিচালিত সুপারহিট কমেডি মুভি ফ্র্যাঞ্চাইজিতে আরও অভিনয় করেছেন অজয় দেবগন, অঞ্জলি আনন্দ, রীতেশ দেশমুখ, সঞ্জিদা শেখ, এষা গুপ্তা, রবি কিষাণ, সঞ্জয় মিশ্র এবং জাভেদ জাফরি। ছবিটির আয়ের কথা বললে, বিশ্বব্যপী এটি এখন পর্যন্ত ৯২ কোটির বেশি আয় করেছে।

গত শুক্রবার মুক্তি পাওয়া এই সিনেমাটির প্রায় ১০,০০০ শো সারা দেশে চলছিল, তবে দর্শক চাহিদার কথা মাথায় রেখে পড়ে তা আরও বাড়ানো হয়। এখন ১১ হাজারেরও বেশি শো চলছে। আর ‘ধামাল ৪’-এর আয়ের পরিসংখ্যানের কথা মাথায় রাখলে স্যাকনিল্কের এক প্রতিবেদন অনুসারে রবিবার এটি আয় করেছে ২৮ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা।
ধামাল ৪ শুক্রবার খাতা খুলেছিল ১৪ কোটি টাকা দিয়ে। এরপর দ্বিতীয় দিনে সোমবার ছবির আয় হয়েছিল ২২.৫০ কোটি টাকা। আর ৩ দিনে ভারতীয় বাজারে ধামাল ৪-এর আয় হল
প্রায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত, এই কমেডি সিনেমার মোট দেশীয় সংগ্রহ এখন পর্যন্ত প্রায় ৭৮ কোটি টাকা। মুক্তির পর থেকে ছবিটি বিদেশ থেকে প্রায় ১৪ কোটি টাকা আয় করেছে। এইভাবে, সিনেমাটির বিশ্বব্যাপী মোট সংগ্রহ প্রায় ৯২ কোটি টাকা হয়েছে। আর আশা রাখা হচ্ছে ১ সপ্তাহের পর এই আয় ২০০ কোটির ঘর ছোঁবে।
জানা গিয়েছে যে শনিবারের তুলনায় রবিবার সিনেমাটির আয় ২৬.৭% বেড়েছে। পরিসংখ্যান দেখায় যে ছবিটি সন্ধ্যার শোতে সবচেয়ে বেশি আয় করছে। দিল্লি এনসিআরের পর সবচেয়ে বেশি শো হচ্ছে মুম্বই, আহমেদাবাদ, সুরাট ও পুনেতে।
{{/usCountry}}জানা গিয়েছে যে শনিবারের তুলনায় রবিবার সিনেমাটির আয় ২৬.৭% বেড়েছে। পরিসংখ্যান দেখায় যে ছবিটি সন্ধ্যার শোতে সবচেয়ে বেশি আয় করছে। দিল্লি এনসিআরের পর সবচেয়ে বেশি শো হচ্ছে মুম্বই, আহমেদাবাদ, সুরাট ও পুনেতে।
{{/usCountry}}২০০৭ সালে মুক্তি পেয়েছিল ধামাল আর এই সিনেমার আয় ছিল ৫০ কোটি টাকা। এরপরের পার্টটি, ডবল ধামাল মুক্তি পায় ২০১১ সালে, যার বক্স অফিস কালেকশন ছিল ভারতে ৪৫ কোটি টাকা। তৃতীয় পার্টটি বক্স অফিসে একেধিক রেকর্ড ভাঙে, আয় হয় ২২৭ কোটি টাকা।
ধামাল ৪ সিনেমার মূল গল্পটিও আবর্তিত হয়েছে গুপ্তধনের সন্ধান এবং তা পাওয়ার জন্য একদল লোভী ও অদ্ভুত চরিত্রের মধ্যে পাগলাটে প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে। সবাই যখন কখনো একসঙ্গে আবার কখনো আলাদা-আলাদাভাবে সেই গুপ্তধনের দিকে এগোতে থাকে, তখন গল্পে প্রবেশ করে এক ধূর্ত ও আনাড়ি সামুদ্রিক জলদস্যু অধুরা। এরপর শুরু হয় এক রহস্যময় দ্বীপ, ঘন জঙ্গল ও গোপন গুহার ভেতরে বিপজ্জনক, এবং হাস্যকর এক বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি।