বরাবরই বাংলা রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে আছেন তারকারা। তবে বিগত ১০-১২ বছর ধরে পশ্চিমবাংলায় রাজনীতির অঙ্গ হয়ে গিয়েছেন এখানকার তারকারা। তা সে অভিনেতা হোক বা গায়ক-কবি। অথবা কাজের জায়গা সিনেমা হোক বা সিরিয়াল। আর তাদের বেশিরভাগই গলা ফাটাচ্ছেন শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে। একটি ভিডিয়ো সামনে এসেছে যেখানে ইলেকশন ক্যাম্পেন চলাকালীন মমতার সঙ্গে মঞ্চ শেয়ার করতে দেখা গেল দিব্যজ্যোতি দত্তকে।

কাজের ফাঁকে সময় পেলেই বাংলা সিরিয়াল দেখেন তৃণমূল সুপ্রিমো। আর তাই তিনি নামে চেনেন সকল তারকাকে। এমনকী, ধারাবাহিকের গল্পও তাঁর কন্ঠস্থ। দিব্যজ্যোতিকে শেষ দেখা গিয়েছে অনুরাগের ছোঁয়া ধারাবাহিকে। সেখানে কাজ চালাকালীনই বড় পর্দায় কাজের সুযোগ আসে তাঁর কাছে।
দিব্যজ্যোতিকে দেখে মঞ্চ থেকেই ভোট প্রচারের মাঝে মস্করায় সামিল হন মমতা। বলে ওঠেন, ‘সব আমদের হয়ে কাজ করছে, প্রচার করছে, আমি খুব গ্রেটফুল। দেখুন না কী রোগা হয়ে গিয়েছে (দিব্যজ্যোতি)। ওদের কী, যদি একটা সিনেমা করতে হয় বলে দেয়, মোটা হতে হবে, বেশি করে খাও এবার। আবার যেই একটা সিনেমা করতে হবে, রোগা হতে হবে, তখন খাওয়া বন্ধ। খুব কষ্টের জীবন। টাকা রোজগার করে ঠিকই। কিন্তু অনেক কষ্টও সহ্য করতে হয়। দেব আমাকে সব গল্প করেছে, আমি শুনেছি।’
ছোটপর্দার পরে, দিব্যজ্যোতিকে দেখা গিয়েছে সৃজিত মুখোপাধ্য়ায়ের ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’ ধারাবাহিকে। রোমান্টিক ছবি ‘রেড ফ্ল্যাগ: ভালবাসা বেশি’ সিনেমায় দিব্যজ্যোতিকে এরপর দেখা যাওয়ার কথা আছে, নায়িকা দিব্যানী মণ্ডল।
{{/usCountry}}ছোটপর্দার পরে, দিব্যজ্যোতিকে দেখা গিয়েছে সৃজিত মুখোপাধ্য়ায়ের ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’ ধারাবাহিকে। রোমান্টিক ছবি ‘রেড ফ্ল্যাগ: ভালবাসা বেশি’ সিনেমায় দিব্যজ্যোতিকে এরপর দেখা যাওয়ার কথা আছে, নায়িকা দিব্যানী মণ্ডল।
{{/usCountry}}ভোটের প্রচারে এবার কোনো খামতিই রাখেনি তৃণমূল কংগ্রেস। চতুর্থবার সরকার গঠনের জন্য চালিয়ে গিয়েছে প্রচেষ্টা। তবে ৪ জুনের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে এথন বাংলার মানুষ। দেখার বিজেপি না তৃণমূল কংগ্রেস, নাকি সিপিএম কার ভাঘ্যে শিঁকে ছেড়ে।