...
...
Next Story

‘ডাউনলোড করা সতলুজ সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিন…’! লাইভে এসে ভক্তদের অনুরোধ দিলজিতের

ওটিটি প্ল্যাটফর্ম জি৫-এ মুক্তির মাত্র দু'দিনের মধ্যেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে দিলজিৎ দোসাঞ্জ অভিনীত ‘সতলুজ’। একটি লাইভ সেশনে মুখ খুললেন অভিনেতা-গায়ক। তিনি দাবি করেছেন, ছবিটি সরিয়ে দেওয়া হবে, তা আগেই অনুমান করেছিলেন। তাঁর কথায়, সবচেয়ে বড় তৃপ্তি এই যে ছবিটি ইতিমধ্যেই দর্শকদের কাছে পৌঁছে গিয়েছে।

Published on: Jul 6, 2026, 15:00:27 IST
Advertisement

দিলজিৎ দোসাঞ্জ অভিনীত ‘সতলুজ’ মুক্তির পর থেকেই বিতর্কের কেন্দ্রে। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম জি৫-এ স্ট্রিমিং শুরু হওয়ার মাত্র দু'দিনের মধ্যেই ছবিটি সরিয়ে নেওয়া হয়। এই ঘটনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে দিলজিৎের একটি লাইভ সেশনের ভিডিয়ো, যেখানে তিনি ভক্তদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পুরো বিষয়টি নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া জানান।

দিলজিতের সতলুজ সিনেমা।
দিলজিতের সতলুজ সিনেমা।

হানি ত্রেহান পরিচালিত ‘সতলুজ’ মানবাধিকার কর্মী জসবন্ত সিং খালড়া-র জীবন অবলম্বনে তৈরি। লাইভ সেশনে দিলজিৎ বলেন, ‘ঘটনাটি ১৯৯৫ সালের। তখনও মানুষকে এই বিষয় নিয়ে কথা বলতে দেওয়া হয়নি। আর আজও একই জিনিস হচ্ছে। এটা সত্যিই সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। আমার খারাপ লাগছে। ২০২৬ সালেও আমরা যেন একই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি।’

তিনি আরও বলেন, 'প্রথম দিন থেকেই আমার মনে হচ্ছিল এমনটা হতে পারে। সেই কারণেই আমরা ছবির প্রচারই করিনি। কাউকে কিছু না জানিয়ে ছবিটি মুক্তি দিয়েছিলাম। যদি মুক্তির দু'দিন আগেও প্রচার শুরু করতাম, তাহলে হয়তো ছবিটাই মুক্তি পেত না। কিন্তু এখন আমি সন্তুষ্ট, কারণ ছবিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছে। মানুষের কাছে ছবিটি রয়েছে। অনেকে এটি ডাউনলোডও করেছেন। আজকের তরুণ প্রজন্ম এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করছে, এটাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।'

লাইভ স্ট্রিম চলাকালীন দিলজিৎ আরও বলেন, ‘যতই আমাকে সমস্যায় ফেলতে চাও না কেন, আমি শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত পঞ্জাবের পাশে থাকব।’

ছবি তৈরির দীর্ঘ যাত্রার কথাও তুলে ধরেন দিলজিৎ। তাঁর কথায়, 'এই ছবি শুরু করতেই দেড় বছর সময় লেগেছিল। সম্পাদনার পর চার বছর ধরে ছবিটি আটকে ছিল। আমি এই প্রকল্পের সঙ্গে মাত্র দু'বছর যুক্ত ছিলাম, কিন্তু হানি পাজি এই ছবির জন্য ছয় বছর সময় দিয়েছেন।'

সবশেষে দর্শকদের উদ্দেশে দিলজিৎ বলেন, ‘আমি খুবই খুশি যে মানুষ ছবিটি দেখেছেন এবং ডাউনলোডও করেছেন। আমি একটি ভিডিয়ো দেখেছি, যেখানে একটি গুরুদ্বারে ছবিটি দেখানো হচ্ছিল। সেটি দেখে খুব ভালো লেগেছে। আমাদের সবার পরিশ্রম মানুষের কাছে পৌঁছানো জরুরি ছিল, আর সেটা হয়েছে। ঈশ্বরের কৃপায় আমি খুবই সন্তুষ্ট। এখন আপনারা ছবিটি একে অপরের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারেন। এটা আপনাদেরই ছবি।’

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe