দিলজিৎ দোসাঞ্জ অভিনীত ‘সতলুজ’ মুক্তির পর থেকেই বিতর্কের কেন্দ্রে। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম জি৫-এ স্ট্রিমিং শুরু হওয়ার মাত্র দু'দিনের মধ্যেই ছবিটি সরিয়ে নেওয়া হয়। এই ঘটনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে দিলজিৎের একটি লাইভ সেশনের ভিডিয়ো, যেখানে তিনি ভক্তদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পুরো বিষয়টি নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া জানান।

হানি ত্রেহান পরিচালিত ‘সতলুজ’ মানবাধিকার কর্মী জসবন্ত সিং খালড়া-র জীবন অবলম্বনে তৈরি। লাইভ সেশনে দিলজিৎ বলেন, ‘ঘটনাটি ১৯৯৫ সালের। তখনও মানুষকে এই বিষয় নিয়ে কথা বলতে দেওয়া হয়নি। আর আজও একই জিনিস হচ্ছে। এটা সত্যিই সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। আমার খারাপ লাগছে। ২০২৬ সালেও আমরা যেন একই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি।’
তিনি আরও বলেন, 'প্রথম দিন থেকেই আমার মনে হচ্ছিল এমনটা হতে পারে। সেই কারণেই আমরা ছবির প্রচারই করিনি। কাউকে কিছু না জানিয়ে ছবিটি মুক্তি দিয়েছিলাম। যদি মুক্তির দু'দিন আগেও প্রচার শুরু করতাম, তাহলে হয়তো ছবিটাই মুক্তি পেত না। কিন্তু এখন আমি সন্তুষ্ট, কারণ ছবিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছে। মানুষের কাছে ছবিটি রয়েছে। অনেকে এটি ডাউনলোডও করেছেন। আজকের তরুণ প্রজন্ম এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করছে, এটাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।'
লাইভ স্ট্রিম চলাকালীন দিলজিৎ আরও বলেন, ‘যতই আমাকে সমস্যায় ফেলতে চাও না কেন, আমি শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত পঞ্জাবের পাশে থাকব।’
অভিনেতা জানান, ছবিটি সরিয়ে দেওয়া হবে বলে তাঁর আগেই ধারণা ছিল। তিনি বলেন, ‘আমি যেখানে আছি, সেখানে তখন রবিবার সন্ধ্যা। শুক্রবার থেকেই আমার মনে হচ্ছিল এমন কিছু হতে পারে। তাই বিষয়টি আমার কাছে কোনও ধাক্কা ছিল না। শুধু ভেবেছিলাম সোমবার অফিস খুললে হয়তো এই সিদ্ধান্ত হবে। কিন্তু রবিবার সন্ধ্যাতেই এমনটা হয়ে যাবে, সেটা ভাবিনি।’
{{/usCountry}}অভিনেতা জানান, ছবিটি সরিয়ে দেওয়া হবে বলে তাঁর আগেই ধারণা ছিল। তিনি বলেন, ‘আমি যেখানে আছি, সেখানে তখন রবিবার সন্ধ্যা। শুক্রবার থেকেই আমার মনে হচ্ছিল এমন কিছু হতে পারে। তাই বিষয়টি আমার কাছে কোনও ধাক্কা ছিল না। শুধু ভেবেছিলাম সোমবার অফিস খুললে হয়তো এই সিদ্ধান্ত হবে। কিন্তু রবিবার সন্ধ্যাতেই এমনটা হয়ে যাবে, সেটা ভাবিনি।’
{{/usCountry}}ছবি তৈরির দীর্ঘ যাত্রার কথাও তুলে ধরেন দিলজিৎ। তাঁর কথায়, 'এই ছবি শুরু করতেই দেড় বছর সময় লেগেছিল। সম্পাদনার পর চার বছর ধরে ছবিটি আটকে ছিল। আমি এই প্রকল্পের সঙ্গে মাত্র দু'বছর যুক্ত ছিলাম, কিন্তু হানি পাজি এই ছবির জন্য ছয় বছর সময় দিয়েছেন।'
সবশেষে দর্শকদের উদ্দেশে দিলজিৎ বলেন, ‘আমি খুবই খুশি যে মানুষ ছবিটি দেখেছেন এবং ডাউনলোডও করেছেন। আমি একটি ভিডিয়ো দেখেছি, যেখানে একটি গুরুদ্বারে ছবিটি দেখানো হচ্ছিল। সেটি দেখে খুব ভালো লেগেছে। আমাদের সবার পরিশ্রম মানুষের কাছে পৌঁছানো জরুরি ছিল, আর সেটা হয়েছে। ঈশ্বরের কৃপায় আমি খুবই সন্তুষ্ট। এখন আপনারা ছবিটি একে অপরের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারেন। এটা আপনাদেরই ছবি।’