রাজ্য রাজনীতির নানা ঘটনা, 'থ্রেট কালচার' এবং মুদ্রণ জগৎ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার, সম্প্রতি নানান ইস্যুতে সংবাদের শিরোনামে এসেছেন প্রখ্যাত কবি জয় গোস্বামী। হালে তসলিমা নাসরিনের অনুষ্ঠানে পৌঁছে নতুন বিতর্কে কবি। লেখিকার আমন্ত্রণে মঞ্চে উঠতে গিয়ে ‘চটিচাটা’ বিদ্রুপ ছেঁকে ধরে তাঁকে। তারপর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলের বন্যা। বিভিন্ন মহলে যখন সমালোচনার ঝড় বইছে, ঠিক তখনই স্বামীর পাশে দাঁড়িয়ে সোশাল মিডিয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও চরম উদ্বেগ প্রকাশ করলেন কবির স্ত্রী কাবেরী গোস্বামী। একের পর এক বিস্ফোরক পোস্ট করে সমালোচকদের কড়া জবাব দিয়েছেন তিনি।

‘আপনারা কি জয়ের মৃত্যু চান?’— কবিপত্নীর সোশাল বার্তা
সোশ্যাল মিডিয়ায় জয় গোস্বামীকে নিয়ে চলা টানা কাদা ছোড়াছুড়ির মধ্যে সরাসরি প্রশ্ন তুলে কাবেরী গোস্বামী লেখেন- ‘আপনারা কি জয়ের মৃত্যু চান? কিসে আপনাদের আত্মার শান্তি হবে। জয় যা করেছে বেশ করেছে, একজন কবিকে রক্ষা করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের।’
এর পরেই আরও একটি কড়া ও ক্ষুব্ধ পোস্ট করেন তিনি। যেখানে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন যে তাঁর বাড়িতে পোষ্য কুকুর 'কুমু' এবং চারটি বেড়াল রয়েছে, যাদের মধ্যে থাকা গুণাবলীর অভাব মানুষের মধ্যে রয়েছে। তাই কাউকেই পশুর নাম নিয়ে গালি দেবেন না। পাশাপাশি বন্ধুদের উদ্দেশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি লেখেন: ‘অনেক শয়তানকে বিদেয় করব, আমাকে কেউ কোন বন্ধুত্বর অনুরোধ পাঠাবেন না, জাহান্নামে যান। মন খুলে গালি দিন আমার কিস্যু যায় আসে না।’
ঠিক কী বলেছিলেন জয় গোস্বামী?
জয় গোস্বামী প্রকাশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গুণগান গেয়েছেন। অভিষেকের নেতৃত্বের তারিফ করেছেন। কিন্তু তসলিমার ইভেন্টের পর ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে জয় গোস্বামী তৃণমূল জামানায় থ্রেট কালচারের ইঙ্গিত দেন।
{{/usCountry}}জয় গোস্বামী প্রকাশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গুণগান গেয়েছেন। অভিষেকের নেতৃত্বের তারিফ করেছেন। কিন্তু তসলিমার ইভেন্টের পর ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে জয় গোস্বামী তৃণমূল জামানায় থ্রেট কালচারের ইঙ্গিত দেন।
{{/usCountry}}রাজনীতির 'থ্রেট কালচার'-এর দিকে ইঙ্গিত করে তিনি ক্রিকেট খেলার ব্যাটিংয়ের উদাহরণ টানেন। তিনি বলেন, একজন ব্যাটার যেমন বোঝেন কোন বলটা ছেড়ে দিতে হবে আর কোন বলটায় শট মারতে হবে, সময় ও তাৎপর্য বোঝাটাও ঠিক তেমনই। তিনি বলেন, ‘তিন বছর আগে আমি মুদ্রণ জগৎ থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছি। কেন আমাকে প্রত্যাহার করতে হল সেটা কেউ ভেবে দেখেছেন? একদিনে আমি সব ঘটনা বলব না। সময় যত এগবে তখন একটু একটু করে বোঝা যাবে কেন আমি অতদিন আগেই সরে এসেছিলাম। সব কথা বলার একটা সময় আছে। কারণ টাইমিংটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।’