শরৎচন্দ্রের কলমের জোরে কেঁপেছিল ব্রিটিশ, সৃষ্টি হয় বিপ্লবী সব্যসাচীর, তারপর?

ভারত যখন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে রয়েছে তখন শুধু বিপ্লবীরা লড়াই করেছিলেন তা নয়, এমন অনেক সাহিত্যিক ছিলেন যারা নিজেদের লেখার মাধ্যমে একদিকে যেমন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন তেমন অন্যদিকে নিজেদের লেখার মাধ্যমে তাঁরা পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন বিপ্লবীদের। 

Published on: Sep 3, 2026, 15:21:12 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ভারত যখন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে রয়েছে তখন শুধু বিপ্লবীরা লড়াই করেছিলেন তা নয়, এমন অনেক সাহিত্যিক ছিলেন যারা নিজেদের লেখার মাধ্যমে একদিকে যেমন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন তেমন অন্যদিকে নিজেদের লেখার মাধ্যমে তাঁরা পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন বিপ্লবীদের। তেমনই একজন লেখক ছিলেন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

শরৎচন্দ্রের কলমের জোরে কেঁপেছিল ব্রিটিশ
শরৎচন্দ্রের কলমের জোরে কেঁপেছিল ব্রিটিশ

২০২৬ সালের ৩১ আগস্ট শরৎচন্দ্রের উপন্যাস ‘পথের দাবী’ ১০০ বছর অতিক্রম করল। এই উপন্যাসের মুখ্য চরিত্র ছিল সব্যসাচী। শরৎচন্দ্রের পথে দাবী উপন্যাসকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ছবি ‘এম্পারের ভার্সেস শরৎচন্দ্র’। সিনেমাটি মুক্তি পাবে চলতি বছরের দুর্গাপুজোয় তবে এবার মুক্তি পেল ছবির টিজার।

আরও পড়ুন: পন্ডিচেরিতে শুটিং শেষে নাচ সৃজিত-যিশুর, ‘কিশোরী’ গানে ইধিকাকে ১০ গোল শঙ্করের

টিজারের প্রথমেই দেখতে পাওয়া যাচ্ছে, শরৎচন্দ্র এক মনে উপন্যাস লিখছেন। তবে উপন্যাস লেখার পর তাঁর ধারণা হয়েছিল এই উপন্যাস পড়ে যতটা সাধারণ মানুষ তাঁকে ভালোবাসা দেবে তার থেকেও অনেক বেশি তিনি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের রোষের শিকার হবেন। আর হয়েছিল খানিকটা তাই।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ‘পথের দাবী’ উপন্যাসের মাধ্যমে যে সব্যসাচী চরিত্রটিকে গড়ে তুলেছিলেন, সে ছিল এমন একজন বিপ্লবী যে কিনা এক গালে চড় খেলে আরেক গাল বাড়িয়ে দেবে না। দৃঢ় চিত্তে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা রয়েছে তার। শাসকদের বিরুদ্ধে তার এই লড়াইকে ঘিরেই তৈরি গোটা ছবি।

তবে শুধুমাত্র সব্যসাচী নয়, প্রতিটি মুহূর্তে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কতটা বিপ্লবীদের সাহায্য করেছিলেন নিজের লেখার মাধ্যমে সেটাও ফুটে উঠবে এই ছবির মধ্যে। টিজারের শেষের অংশে এটাও দেখা যায়, শরৎচন্দ্রের পথের দাবী উপন্যাসকে কিনতে চেয়েছিল ব্রিটিশ সরকার কিন্তু তিনি রাজি হননি। নিজের দেশের কথা ভেবে তিনি তাঁর এই উপন্যাসকে সঁপে দিয়েছিলেন ভারতবাসীর কাছে।

আরও পড়ুন: নেপালকে ‘মাতৃভূমি’ বলে দাবি সুনীতার, সকলকে আহ্বান জানালেন পাশে থাকার জন্য

টিজারের ক্যাপশনেও উঠে এসেছে সেই কথাই। ক্যাপশনে লেখা, যার ভয়ে কেঁপেছিল গোটা ব্রিটিশ সাম্রাজ্য। যার পাতায় পাতায় ছিল শাসকদের বিরুদ্ধে প্রশ্ন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আর স্বাধীনতার জন্য জেগে ওঠার ডাক। সেই পথের দাবী প্রকাশনার শতবর্ষ উপলক্ষে এবার পুজো কাটুক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আর সব্যসাচী মল্লিকের সঙ্গে।

এই ছবিতে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ভূমিকায় দেখা যাবে টোটা রায় চৌধুরীকে। সঙ্গে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অমর সৃষ্টি 'পথের দাবী'র ‘সব্যসাচী’র ভূমিকায় থাকবেন আবির চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে মিমি চক্রবর্তী, দিব্যাণী মণ্ডল ও ঋক চট্টোপাধ্যায়কে।