...
...
Next Story

Sayakk: ‘এবার নিশ্চিন্তে অলি পাবে খেতে যাব…’, গো-মাংসের জোগান নেই, বন্ধ বিফ-স্টেক! কী বলছেন বিতর্কে জড়ানো সায়ক?

গো-মাংসের জোগান নেই শহরে! এবার অলিপাবের মেনু কার্ড থেকে বাদ বিফ-স্টেক। কী বলছেন গো-মাংস কাণ্ডে জড়ানো সায়ক?

Published on: Jul 28, 2026, 19:51:07 IST
Advertisement

পার্ক স্ট্রিটের ঐতিহ্যবাহী অলিপাব এবং অভিনেতা-কনটেন্ট ক্রিয়েটার সায়ক চক্রবর্তীর ‘বিফ স্টেক বিতর্ক’ মাস কয়েক আগেই নেটপাড়ায় ব্যাপক তোলপাড় ফেলেছিল। চিকেন স্টেকের অর্ডার দিয়ে টেবিলে বিফ স্টেক পাওয়ার অভিযোগে সোচ্চার হয়েছিলেন সায়ক। ক্ষমা চেয়েও নেয় রেস্তোরাঁ। কিন্তু সেই নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি।

‘নিশ্চিন্তে অলি পাবে খেতে যাব…’, রেস্তোরাঁয় বন্ধ বিফ-স্টেক, বিতর্কে জড়ানো
‘নিশ্চিন্তে অলি পাবে খেতে যাব…’, রেস্তোরাঁয় বন্ধ বিফ-স্টেক, বিতর্কে জড়ানো

মাঝে রাজ্যের শাসক দল বদলেছে। পালাবদলের হাওয়ায় বদলেছে অনেককিছুই। বিতর্কের সময় নেটনাগরিকদের একাংশের তীব্র কটাক্ষের শিকার হতে হয়েছিল সায়ককে। জল গড়িয়েছিল বহুদূর। এতদিন পর শহরজুড়ে গো-মাংসের জোগান সংকটের ধাক্কায় অলিপাবের মেনু থেকে সাময়িকভাবে বাদ পড়েছে সেই চর্চিত বিফ স্টেক। এই ঘটনার পর এবার হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার কাছে নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন সায়ক চক্রবর্তী।

'কে কী খাবেন সেটা ব্যক্তিগত অধিকার, কিন্তু আমার থালায় ভুল খাবার কেন?'

সায়কের কথায়, ‘আমরা যে সমাজে বাস করি সেখানে নানা ভাষা ও নানা ধর্মের মানুষ থাকেন। কে কী খাবেন তা ঠিক করে দেওয়ার অধিকার আমার নেই। কিন্তু একজন গ্রাহক হিসেবে আমি কী খাব তা বেছে নেওয়ার পূর্ণ অধিকার আমার নিজের রয়েছে।’ অভিনেতা জানান, তিনি যা অর্ডার দেবেন এবং যে খাবারের জন্য মূল্য মেটাবেন, রেস্তোরাঁর দায়িত্ব সেই সঠিক খাবারটি ওঁর পাতে পৌঁছে দেওয়া। সায়কের প্রশ্ন, ‘টাকা দিয়ে খাবার অর্ডার করার পর কি কেউ বারবার প্লেট পরীক্ষা করে দেখবে? রেস্তোরাঁর পরিষেবায় ভুল থাকলে আওয়াজ তোলা একজন সচেতন গ্রাহকের অধিকার। আমি সেটাই করেছিলাম’।

অতীতের সেই ঘটনায় সায়কের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অভিযোগ উঠেছিল— স্রেফ পাবলিসিটি বা ফুটেজ পাওয়ার জন্যই নাকি তিনি এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন। সেই তকমার কড়া জবাব দিয়ে সায়ক জানান, তাঁর বিতর্কিত ভিডিওকে হাতিয়ার করে বহু মানুষ টাকা ও ভিউ কামিয়ে ব্যবসা করে গেলেন। অথচ সায়ক নিজে সেই ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়া থেকে মুছে দিয়েছিলেন! তিনি পাল্টা প্রশ্ন তোলেন, 'তাহলে আমি কীভাবে ফুটেজ বা টাকা কামালাম?' উল্টে আমার কপালে জুটেছিল অশ্রাব্য ট্রোলিং এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের অকারণ আক্রমণ।'

'অন্যদের পছন্দ আলাদা হতে পারে, তবে আমি এবার অলিপাবে যেতে পারি'

অলিপাবের মেনু থেকে বিফ-স্টেক আপতত বাদ যাওয়ার কথা শুনে সায়ক জানান, 'বহু মানুষ বিফ স্টেক খেতে ভালোবাসেন, এতে আমার কোনো আপত্তি নেই। কারণ খাদ্যাভ্যাস যার যার ব্যক্তিগত বিষয়। তবে আ ব্যক্তিগত দৃষ্টিকোণ থেকে এবার একটা বড় স্বস্তি তৈরি হলো। সায়ক স্পষ্ট জানান, এবার থেকে তিনি নিশ্চিন্ত মনে আবারও অলিপাবে খেতে যেতে পারেন। অতীতের তিক্ত স্মৃতি ভুলে আরও একবার পার্ক স্ট্রিটের সেই পুরোনো পাব-এ পা রাখার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন তিনি।

গুণমানের সাথে আপস নয়!

শুধু, অলিপাব নয়, তিলোত্তমার একাধিক রেস্তোরাঁর মেনু থেকে বাদ পড়েছে গো-মাংসের পদ। অলিপাব কর্তৃপক্ষের সূত্রের খবর, কাঁচামালের (গো-মাংস) সঠিক সরবরাহ না থাকা এবং মানের সাথে কোনোভাবেই আপস করতে না পারার কারণেই সাময়িকভাবে মেনু থেকে স্টেক সরিয়ে নেওয়ার এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। মাংসের জোগানের স্বাভাবিকতা না ফেরা পর্যন্ত এই পদ থেকে বঞ্চিতই থাকতে হবে পার্ক স্ট্রিটের নিয়মিত আড্ডাধারীদের। উইকেন্ডে অলিপাবের টেবিলে বসে বিখ্যাত স্টেকের স্বাদ নেওয়ার যে অভ্যাস কলকাতার মানুষের রক্তে মিশে ছিল, এই খবরের পর সোশাল মিডিয়ায় তা নিয়ে ইতিমধ্যেই নস্টালজিয়া ও আফসোসের ঝড় উঠে গিয়েছে!

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe