রবিবার অর্থাৎ আজ মহা শিবরাত্রি। ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে শিবরাত্রি পালিত হয়। অনেকেই এদিন সারাদিন উপবাস থেকে চার প্রহরের পুজো শেষে ফলাহার বা সাত্ত্বিক আহার গ্রহণ করেন। টলিপাড়ার সেলেবরাও এর ব্যতিক্রম নন। তাঁদের মধ্য অন্যতম হলেন মধুমিতা সরকার। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে প্রেমিক দেবমাল্য চক্রবর্তীর সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়েন মধুমিতা। বিয়ের পর এটাই তাঁর প্রথম শিবরাত্রি। এই বিশেষ দিনটি কীভাবে উদযাপন করবেন তিনি? জানালেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলাকে।

মধুমিতা মহাদেবের একনিষ্ঠ ভক্ত। নায়িকার নানা পোস্ট থেকে তার ভালোই আভাস পাওয়া যায়। এমনকী তাঁর প্রীতিভোজের অনুষ্ঠানের থিমেও ছিল ত্রিশূলের ছোঁয়া। তাই আজকের দিনটা তাঁর জন্য যে খুবই বিশেষ তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তিনি চারপ্রহরে চারবার মহাদেবকে পুজো করেন। ফলে সকাল থেকেই চলছে তোড়জোড়। তার মধ্যেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা নায়িকার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল।
ফোন ধরেই মধুমিতা বলেন, ‘আমার শিব ঠাকুর (দেবমাল্য) এখন খেলতে গিয়েছে। আর আমি পুজোর জন্য সব উপাচার তৈরি করে করে রাখছি।’ তবে এখন তিনি যতটা মন থেকে এই দিনটা পালন করেন ছোটবেলায় কিন্তু তেমন টা ছিল না। তিনি জানান, ছেলেবেলায় মায়ের কথাতেই এই ব্রত পালন শুরু করেন। তাঁর কথায়, ‘সেই সময় মা যেমন যেমন বলতেন, ‘এইভাবে জল ঢালতে হয়, এই ভাবে পুজো করতে হয়’, সেই ভাবেই করতাম। সত্যি বলতে তখন যে খুব ভিতর থেকে বিষয়টা আসত তা নয়। কিন্তু যখন আসতে আসতে বড় হলাম, বলা ভালো শেষ তিন-চার বছরে শিব ঠাকুরের প্রতি নিষ্ঠা অনেকটা বেড়ে যায়। এখন আমার এমনই হয়ে গিয়েছে যে, শিব ঠাকুরের জন্য যতটুকু উপাচার করি, সেটাও কম মনে হয়।’
তবে বিয়ের পর এটা নায়িকার প্রথম শিবরাত্রি। এবার কি একসঙ্গে ব্রত পালন করবেন তাঁরা? কতটা বিশেষ হতে চলেছে এবারের শিবরাত্রি? এই প্রশ্নে মধুমিতা বলেন, ‘দেবমাল্য বিকেল পর্যন্ত কাজে ব্যস্ত থাকবে। আমি তার মধ্যে পুজো শুরু করে দেব। কিন্তু রাতে ও আসার পর যদি আমাদের কোনও নিয়ম থাকে তাহলে আমার অবশ্যই তা এক সঙ্গে পালন করব।’
{{/usCountry}}তবে বিয়ের পর এটা নায়িকার প্রথম শিবরাত্রি। এবার কি একসঙ্গে ব্রত পালন করবেন তাঁরা? কতটা বিশেষ হতে চলেছে এবারের শিবরাত্রি? এই প্রশ্নে মধুমিতা বলেন, ‘দেবমাল্য বিকেল পর্যন্ত কাজে ব্যস্ত থাকবে। আমি তার মধ্যে পুজো শুরু করে দেব। কিন্তু রাতে ও আসার পর যদি আমাদের কোনও নিয়ম থাকে তাহলে আমার অবশ্যই তা এক সঙ্গে পালন করব।’
{{/usCountry}}পাশাপাশি নায়িকা জানান তিনি এই ব্রত কীভাবে পালন করবেন। মধুমিতার কথায়, ‘শিবরাত্রিটা অন্তর থেকে আসে। এই রীতিগুলো পালন করাও অনেকটা মনের ব্যাপার। স্নান করে পুজো দেব। শুরুতেই সংকল্প হবে। তারপর ঠাকুরকে সুন্দর করে সাজাবো। আমি পঞ্চামৃত তৈরি করব। মহাদেবকে ফল আর জল নিবেদন করব। সঙ্গে বিশেষ কিছু মন্ত্রও রয়েছে, সেগুলোও পাঠ করব। আসলে আজ সারাদিন জুড়ে মনন জুড়ে মহাদেব থাকবেন, সেটাই আরাধনার সার, বাকি আচার, নিয়ম পালন তো সকলের সময় ও সামর্থ্যের উপর নির্ভর করে।’
তবে অভিনয়ের কাজ সামলে পুজোর এত উপাচার সবটা কীভাবে সামাল দেন মধুমিতা? তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি একটা দিন যদি কাজের কথা না ভেবে, কেবল ঠাকুরের কথা ভাবা উচিত। তাই প্রতিবছরই এই দিনটাই কোনও কাজ রাখি না।’