...
...
Next Story

‘রাতে বুঝতেই পারি না ও আমার স্বামী না ছেলে…’! বর শিরিশ কুন্দরকে নিয়ে আজব দাবি ফারাহ খানের

শিরিশ কুন্দরের চমকপ্রদ রূপান্তর নিয়ে এখন তুমুল চর্চা সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেই প্রসঙ্গেই স্বামীকে নিয়ে মজার মন্তব্য করলেন ফারাহ খান। একই সঙ্গে ২২ বছরের দাম্পত্য জীবন, ভালোবাসার বদলে যাওয়া সংজ্ঞা এবং পরিবারে শিরিশের গুরুত্ব নিয়েও অকপটে কথা বললেন জনপ্রিয় কোরিওগ্রাফার-পরিচালক।

Published on: Jun 27, 2026, 14:30:18 IST
Advertisement

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় সবচেয়ে বেশি চর্চিত বিষয়গুলির মধ্যে অন্যতম ফারাহ খানের স্বামী শিরিশ কুন্দরের চমকপ্রদ শারীরিক রূপান্তর। নতুন লুকের পর থেকেই তিনি নিয়মিত সোশ্যাল মিডিয়ায় কনটেন্ট তৈরি করছেন এবং তা ভাইরালও হচ্ছে। এবার সেই রূপান্তর নিয়ে মুখ খুললেন ফারাহ খান। স্বামীর নতুন চেহারা নিয়ে রসিকতা করার পাশাপাশি, ২২ বছরের দাম্পত্য জীবন, ভালোবাসার পরিবর্তন এবং পরিবারে শিরিশের ভূমিকা নিয়েও অকপটে কথা বললেন তিনি।

‘রাতে বুঝতে পারি না, ও শিরিশ নাকি আমার ছেলে’

বর শিরিশ কুন্দরকে নিয়ে কী বললেন ফারহা খান?
বর শিরিশ কুন্দরকে নিয়ে কী বললেন ফারহা খান?

সম্প্রতি শেখর সুমনের শো-তে অতিথি হিসেবে হাজির হয়েছিলেন ফারাহ খান। সেখানেই স্বামীর সাম্প্রতিক রূপান্তর নিয়ে মজার ছলে তিনি বলেন, 'শিরিশকে এখন অনেক বেশি তরুণ এবং সুদর্শন দেখায়। ও আর আমার ছেলে, দু'জনেরই প্রায় একই উচ্চতা। রাতে যখন শোবার ঘরে কেউ আসে, তখন অনেক সময় বুঝতেই পারি না যে ও শিরিশ নাকি আমার ছেলে। তবে কেউ যদি এসে আমাকে জড়িয়ে ধরে, তখন বুঝে যাই যে ও আমার ছেলে।' ফারাহর এই মন্তব্যে উপস্থিত সকলেই হেসে ওঠেন।

‘২২ বছর পর ভালোবাসার সংজ্ঞা বদলে যায়’

শো-তে ফারাহকে প্রশ্ন করা হয়, দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে ভালোবাসা কি আগের মতোই থাকে, নাকি সময়ের সঙ্গে বদলে যায়? এর উত্তরে তিনি বলেন, ‘২২ বছর একসঙ্গে থাকার পর ভালোবাসা গৌণ হয়ে যায়। এটা প্রায় সব দম্পতির ক্ষেত্রেই হয়। প্রেমের সময় আমরা একটা জিনিস পাওয়ার জন্য খুব মরিয়া থাকি। কিন্তু সেটা পেয়ে গেলে তার মূল্য আগের মতো থাকে না। তখন সম্পর্কের গুরুত্ব অন্য জায়গায় গিয়ে দাঁড়ায়।’

‘শিরিশ ছাড়া আমাদের সংসারই চলবে না’

ফারাহ জানান, তাঁদের তিন যমজ সন্তানের পড়াশোনা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার পিছনেও শিরিশের বড় ভূমিকা রয়েছে। মজার ছলে তিনি বলেন, ‘আমি ওকে বলি, যদি তুমি বাচ্চাদের নিয়ে কোথাও চলে যাও, তাহলে আমার ওয়াই-ফাই কে ঠিক করবে? শিরিশকে ছাড়া আমাদের বাড়ি চলবে না। আমাদের বাচ্চারা যে এত ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেয়েছে, তার কৃতিত্ব পুরোপুরি ওর। সবাই আমাকে জিজ্ঞেস করে, এত তাড়াতাড়ি কীভাবে ওদের সব ঠিক হয়ে গেল! আমি তখন বলি, ওদের আসল কাউন্সেলর ছিল ওদের বাবা।’

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe