Sanjay Leela Bhansali: বিপাকে পড়েছেন চিত্র পরিচালক সঞ্জয় লীলা বনশালির ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’-এর সেটে মৃত্যু হয়েছে এক কর্মীর, যার ফলে ক্রমশ চাপ বাড়ছে পরিচালকের ওপর। শুটিং চলাকালীন চন্দ্রধারী সিং যাদবের মৃত্যুর পর পরিচালকের বিরুদ্ধে এফআইআর করার দাবি জানিয়ে অল ইন্ডিয়ান সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন অর্থাৎ AICWA মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশকে চিঠি দিয়েছেন।

AICWA সভাপতি সুরেশ শ্যামলাল গুপ্ত মুখ্যমন্ত্রীকে যে চিঠি লিখেছেন সেটি সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করা হয়। চিঠিতে লেখা, ‘সিনেমার সেটে কর্মীর মৃত্যু কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাস্তবায়নের বিষয় গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। রণবীর কাপুর, ভিকি কৌশল এবং আলিয়া ভাটের মতো অভিনেতা-অভিনেত্রীদের নিয়ে তৈরি হওয়া একটি সিনেমায় যেখানে বড় মাপের প্রযোজনা সংস্থা রয়েছে সেখানে নিরাপত্তা বিধি অনুসরণ করা হয়নি, যার ফলে একজন কর্মীর দুর্ভাগ্যবশত মৃত্যু হয়েছে। যদি প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হতো এবং কার্যকর করা হত তাহলে হয়তো এমন দুর্ঘটনা এড়ানো যেত।’
আরও পড়ুন: স্ত্রীকে স্পর্শ করার অপরাধে শাস্তি মৃত্যু! সম্রাটের নতুন রূপে ভয়ে কাঁটা ঝিনুক
চিঠিতে এও লেখা রয়েছে, ‘মৃত ব্যক্তি তাঁর স্ত্রী এবং দুই নাবালিকা কন্যাকে রেখে দিয়েছেন। যেহেতু ওই ব্যক্তি পরিবারের একজন উপার্জনকারী সদস্য ছিলেন, তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই পরিবারের সদস্যদের জন্য এই ঘটনাটি তীব্র মানসিক এবং আর্থিক সংকট তৈরি করেছে।’
অতীতের ঘটনা স্মরণ করে চিঠিতে লেখা, ‘এই ঘটনাটি নতুন কোন ঘটনা নয়। এর আগেও বেশ কয়েকবার এমন ঘটনা ঘটেছে। ২০০০ সালে দেবদাস ছবির শুটিং এর সময় কর্মী দিনদয়াল যাদব প্রাণ হারান, আরো বেশ কয়েকজন কর্মী গুরুতর আহত হন। ২০০১ সালে ওই ছবির শুটিং চলাকালীন মারা যান কর্মী সুভাষ মোরক। পদ্মাবত ছবির শুটিং চলাকালীন ৩৪ বছর বয়সী ডাকিয়া দুর্ঘটনায় মারা যান। এবার আরো একবার তেমনই দুর্ঘটনা ঘটল।’
{{/usCountry}}অতীতের ঘটনা স্মরণ করে চিঠিতে লেখা, ‘এই ঘটনাটি নতুন কোন ঘটনা নয়। এর আগেও বেশ কয়েকবার এমন ঘটনা ঘটেছে। ২০০০ সালে দেবদাস ছবির শুটিং এর সময় কর্মী দিনদয়াল যাদব প্রাণ হারান, আরো বেশ কয়েকজন কর্মী গুরুতর আহত হন। ২০০১ সালে ওই ছবির শুটিং চলাকালীন মারা যান কর্মী সুভাষ মোরক। পদ্মাবত ছবির শুটিং চলাকালীন ৩৪ বছর বয়সী ডাকিয়া দুর্ঘটনায় মারা যান। এবার আরো একবার তেমনই দুর্ঘটনা ঘটল।’
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: আর লুকিয়ে রাখা গেল না, স্নেহার প্রতি রাজার ভালোবাসার কথা জেনে যা করল দিদি
মুখ্যমন্ত্রীকে পরিচালক সঞ্জয় লীলা বনশালি এবং এই ঘটনার জন্য দাঁড়িয়ে থাকা প্রত্যেক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়ে সুরেশ লেখেন, ‘সঞ্জয় লীলা বনশালি, সংশ্লিষ্ট প্রযোজনা সংস্থা, তদন্তে দোষী প্রমাণিত প্রত্যেক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে খুন, অনিচ্ছাকৃত খুন এবং অবহেলার জন্য এফ আই আর দায়ের করা হোক। সঠিক তদন্তের স্বার্থে যদি কোনও ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন হয় সেটাও নেওয়া হোক। শুটিং সেটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হোক। মৃত ব্যক্তি চন্দ্রধারী সিং যাদবের পরিবারকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আবেদন জানাচ্ছি। শুধু তাই নয়, তাঁর বিধবা স্ত্রীকে উপযুক্ত চাকরি এবং আর্থিক সহায়তা এবং তাঁর দুই কন্যার ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার সম্পূর্ণ দায়িত্ব যাতে গ্রহণ করা হয় তার জন্য দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক।’
সবশেষে চিঠিতে লেখা, ‘যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শুটিং বন্ধ করে দেওয়া হোক। যতক্ষণ না সম্পূর্ণ নিরাপত্তার নিয়ম বিধি মেনে চলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ততক্ষণ এই শুটিং বন্ধ রাখা হোক। অন্যদিকে মহারাষ্ট্রের সমস্ত চলচ্চিত্র শুটিং সেটির পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখা হোক। ভবিষ্যতে যদি এমন ঘটনা ঘটে সেক্ষেত্রে কর্ম ক্ষেত্রে নিরাপত্তা আইন কঠোরভাবে কার্যকর করা হোক।’