Parambrata-Swastika: ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী হিংসার আবহে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় এবং স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের করা একটি মন্তব্যকে ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। এই ইস্যুতে আজ অর্থাৎ শনিবার গড়িয়াহাট থানায় হাজরা দেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে জেরা। এই সবকিছুর মধ্যেই আবার অন্য এক বিপাকে পড়লেন পরমব্রত-স্বস্তিকা। এবার বারাসাত থানায় পরমব্রত এবং স্বস্তিকার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করলেন সনাতনী ‘প্রচার এবং প্রসার কমিটি’-র সভাপতি হরিচাঁদ বিশ্বাস।

বারাসত থানায় লিখিত অভিযোগ করে হরিচাঁদ বিশ্বাস বলেন, ‘২০২১ সালে তৃণমূলের জয়ের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে হাত মিলিয়ে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় এবং স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছিলেন। এতে সনাতন সমাজ প্রচন্ডভাবে অপমানিত বোধ করে। এমনকি এই অপমানে আমাদের মধ্যে কেউ কেউ মারা যান। তাই আজ আমরা ওদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলাম।’
আরও পড়ুন: 'সব থেকে বড় ক্ষতি তো আমার...', ‘চিরসখা’ বন্ধ, দেড় মাস ধরে কাজের সন্ধানে সুদীপ
হরিচাঁদ বিশ্বাস আরও বলেন, ‘আমরা চাই ওঁদের দুজনকে গ্রেফতার করে কঠোরতম শাস্তি দেওয়া হোক। আগামী দিনে যাতে অন্য কেউ সনাতনীদের অপমানের সাহস না পায়, এমন ব্যবস্থা করা হোক।’ প্রসঙ্গত, এফআইআর দায়ের করার পাশাপাশি পরম স্বস্তিকার সেইসময়ের করা পোস্টের স্ক্রিনশটও থানায় জমা দিয়েছেন হরিচাঁদ বিশ্বাস।
উল্লেখ্য, পাঁচ বছর আগে যখন বিধানসভা নির্বাচনে গেরুয়া শিবিরের ভরাডুবি হয়েছিল সেই সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় দিলীপ ঘোষের পুরনো বক্তব্য টেনে পোস্ট করেছিলেন পরমব্রত। ওই পোস্টে কমেন্ট বক্সে মন্তব্য করেন স্বস্তিকা। এই ঘটনা থেকেই তৈরি হয় যাবতীয় সমস্যা। ভোট পরবর্তী হিংসায় উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে এই দুই শিল্পীর বিরুদ্ধে কলকাতার গড়িয়াহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এক আইনজীবী।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, পাঁচ বছর আগে যখন বিধানসভা নির্বাচনে গেরুয়া শিবিরের ভরাডুবি হয়েছিল সেই সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় দিলীপ ঘোষের পুরনো বক্তব্য টেনে পোস্ট করেছিলেন পরমব্রত। ওই পোস্টে কমেন্ট বক্সে মন্তব্য করেন স্বস্তিকা। এই ঘটনা থেকেই তৈরি হয় যাবতীয় সমস্যা। ভোট পরবর্তী হিংসায় উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে এই দুই শিল্পীর বিরুদ্ধে কলকাতার গড়িয়াহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এক আইনজীবী।
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: সিনেমার গণ্ডি পেরিয়ে ওয়েব সিরিজে পদার্পণ বনির, বিপরীতে থাকবেন কোন নায়িকা?
আইনজীবীর অভিযোগ দাবি, ভোট পরবর্তী সময়ে তারকাদের এই ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করা ভীষণভাবে অন্যায়। ওই নির্বাচনের পর বাংলায় অন্তত ৫০ জন বিজেপি কর্মী সমর্থক খুন হয়েছিলেন, অত্যাচারিত হয়েছিলেন বহু নারী। সব থেকে বড় বিষয়, পরমব্রত ওই ফেসবুক পোষ্টের ঠিক এক ঘণ্টার মধ্যেই বেলেঘাটায় বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়। টলিউডের প্রথম সারির তারকাদের তরফ থেকে এমন মন্তব্যে উৎসাহিত হয়েই সেই সময় এমন গণহত্যার পথ বেছে নিয়েছিল তৎকালীন শাসকদলের কর্মী সমর্থকরা, এমনটাই অভিযোগ করেন আইনজীবী।