লম্বা অপেক্ষার অবসান! এর আগে একটি এআই ভিডিয়ো ব্যবহার করে হয়েছিল জি বাংলা-র ধারাবাহিক ‘বাঘিনী’র ঘোষণা। এবার এল প্রথম প্রোমো। বহুদিন বাদে কোনো প্রোমো দেখে গায়ে কাঁটা দিল, দাবি নেটপাড়ার।

প্রোমোয় দেখা গেল সুন্দরবনের এক সাধারণ মেয়েকে যার স্বামী তাঁর সঙ্গ ছেড়েছে। যদিও সেই স্বামীর মঙ্গলে এখনো সে দেয় সিঁথিতে সিঁদুর। পরিবারের গঞ্জনার মাঝেই বড় করছে সে একরত্তি মেয়েকে। পেশা তার জঙ্গল থেকে মধু সংগ্রহ।
সংসারের সব কাজ সামলে যখন সে মধু সংগ্রহ করতে যায়, তখনো বাড়ির কেউ দায়িত্ব নেয় না বাচ্চাটির। বরং ‘পাপের ফসল’ বলে খোঁটা দেয়। কিন্তু মায়ের মনে এতটুকু কষ্ট নেই। বরং সে মেয়ের জন্য সব কিছু করতে রাজি। মেয়েকে কোলে নিয়ে, গান গাইতে গাইতেই গ্রামের আর সবার সঙ্গে চলে মধু সংগ্রহে।
প্রোমোয় দেখা যায় ‘বাঘিনী’ জঙ্গলে প্রবেশের আগে মেয়েকে বসিয়ে রেখে যায় হাঁড়ির ভিতরে। মেয়ের দায়িত্ব দিয়ে যায় নৌকার মাঝিকে। বনের মধ্যে একটু এগোতেই পায় মৌচাক। আর মধু সংগ্রহ করতে না করতেই হয় বাঘের আক্রমণ। তবে এই বাঘের নিশানায় ‘বাঘিনী’ নয়, তার মেয়ে। ভয়ে নৌকা থেকে লাফ মারে মাঝি। এদিকে নৌকায় একা বাচ্চাটি। মেয়েকে বাঁচাতে প্রাণপন দৌড়। বাঘিনী-র মতোই হাতে মশাল নিয়ে এসে দাঁড়ায় মেয়ের সামনে।
দেখুন-
{{/usCountry}}দেখুন-
{{/usCountry}}নেটপাড়ায় ইতিমধ্যেই প্রশংসা বাঘিনী-র প্রোমোকে ঘিরে। একজন লিখেছেন, ‘অনেকদিন পর একটা ভালো প্রোমো দেখলাম’। আরেকটি কমেন্টে লেখা হয়, ‘গায়ে কাঁটা দিল’। প্রশংসিত হয়েছে ধারাবাহিকের নায়িকা সম্পিতা প্রামাণিকও। একটি কমেন্টে লেখা হয়েছে, ‘সম্পিতাদির এক্সপ্রেশন। কোথাও অতিনাটকীয়তা নেই। কী সাবলীল। কে বলবে এটাই প্রথম কাজ।’
সম্পিতা মূলত একজন ধ্রুপদী ভরতনাট্যম নৃত্যশিল্পী হলেও তিনি বিভিন্ন ফিউশন ও সেমি-ক্লাসিক্যাল নাচের জন্য বেশ জনপ্রিয়। সঙ্গে কলাবিদ্যা নামের একটি নাচের স্কুলও খুলেছেন, যেখানে তিনি শিক্ষার্থীদের নাচের প্রশিক্ষণ দেন ও বিভিন্ন ডান্স ওয়ার্কশপ পরিচালনা করেন।
প্রযোজক সুশান্ত দাসের টেন্ট সিনেমা প্রযোজনা করছে এই মেগার। নায়ক চরিত্রে কে থাকছেন তা যদিও এখনো খোলসা হয়নি। শোনা যাচ্ছে রাহুল গঙ্গোপাধ্যায়। রাহুল এর আগে অভিনয় করেছেন সান বাংলার ‘বৃন্দাবন বিলাসিনী’ ধারাবাহিকে। তবে প্রোমো এলেও, এখনো খোলসা হয়নি কবে থেকে শুরু হবে বাঘিনীর সম্প্রচার। বা কোন স্লট পাবে বাঘিনী।