IPL Final: আইপিএল ২০২৬-এর মেগা ফাইনালে রবিবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে মুখোমুখি ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (RCB) এবং গুজরাট টাইটান্স (GT)। আরসিবির টানা দ্বিতীয়বার খেতাব জয়ের এই ঐতিহাসিক লড়াইয়ে বিরাট কোহলির সবচেয়ে বড় চিয়ারলিডার অনুষ্কা শর্মা তো গ্যালারিতে হাজির ছিলেনই, কিন্তু নেটপাড়ায় এখন সবচেয়ে বেশি ভাইরাল হচ্ছে ওঁর পাশে বসা এক রহস্যময়ী নারীর ছবি। টিভির পর্দায় ক্যামেরার লেন্স বারবার ওঁর ওপর পড়তেই সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠতে থাকে, কে এই নারী যাঁর সঙ্গে অনুষ্কাকে কখনো কানে কানে ফিসফিস করতে, আবার কখনো জড়িয়ে ধরে উল্লাস করতে দেখা যাচ্ছে? অবশেষে সামনে এল ওঁর আসল পরিচয়।

অনুষ্কার পাশে কে এই রহস্য়ময়ী?
ভিআইপি স্ট্যান্ডে অনুষ্কা শর্মার ঠিক পাশে বসে যিনি ম্যাচ উপভোগ করছিলেন, তিনি কোনো গ্ল্যামার দুনিয়ার তারকা নন। ওঁর নাম মালবিকা নায়ক। তিনি অনুষ্কা শর্মার দীর্ঘদিনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বান্ধবী। শুধু এবারই নয়, এর আগেও আইপিএল-এর বহু ম্যাচে অনুষ্কার সঙ্গে স্টেডিয়ামে বসে আরসিবির জন্য গলা ফাটাতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। মাঠের বাইরেও বিরাটের পরিবারের সঙ্গে ওঁর গভীর যোগাযোগ রয়েছে। পেশাগত জীবনে মালবিকা একজন সফল বিজনেস ডেভেলপমেন্ট প্রফেশনাল এবং তিনি বিখ্যাত মণিপাল অ্যাকাডেমি অফ হায়ার এডুকেশন থেকে এমবিএ (MBA) গ্র্যাজুয়েট।
ম্যাচ চলাকালীন মাঠের চরম উত্তেজনার মাঝে বিরাট কোহলি যখন পরিবেশ হালকা করতে মজাদার ডান্স করছিলেন, তখন হাসিমুখে মালবিকার কানে কানে কিছু একটা ফিসফিস করতে দেখা যায় অনুষ্কাকে। আবার আরসিবি বোলাররা যখনই গুজরাটের কোনো বড় উইকেট নিচ্ছিল, বিশেষ করে বিধ্বংসী শুভমন গিল আউট হওয়ার পর বিরাট যখন নিজস্ব চেনা আগ্রাসী মেজাজে সেলিব্রেশন শুরু করেন, তখন খুশিতে আত্মহারা অনুষ্কা নিজের এই প্রিয় বান্ধবী মালবিকাকে জড়িয়ে ধরে উল্লাসে মেতে ওঠেন।
আরসিবি বোলারদের আগুনে বোলিং, ওয়াশিংটনের একার লড়াইয়ে গুজরাট ১৫৫
{{/usCountry}}আরসিবি বোলারদের আগুনে বোলিং, ওয়াশিংটনের একার লড়াইয়ে গুজরাট ১৫৫
{{/usCountry}}টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার আরসিবি অধিনায়ক বিরাট কোহলির সিদ্ধান্তকে ১০০ শতাংশ সঠিক প্রমাণ করলেন বেঙ্গালুরুর বোলাররা। আহমেদাবাদের লাল ও কালো মাটির মিশ্রণে তৈরি স্লো পিচের পুরো ফায়দা তুলে গুজরাট টাইটান্সের ব্যাটারদের হাত খোলার কোনো সুযোগই দেননি তাঁরা। পাওয়ার প্লে-র মধ্যেই গুজরাটের দুই নির্ভরযোগ্য ওপেনার শুভমন গিল (১০) এবং সাই সুদর্শনকে (১২) সাজঘরে ফিরিয়ে ম্যাচের রাশ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় আরসিবি।
গুজরাটের বড় বড় ঝটকার মাঝে একাই আরসিবি বোলারদের ডট বলের চাপ সামলে লড়াই চালিয়ে যান ওয়াশিংটন সুন্দর। সুন্দরের অপরাজিত ৫০ রানের (যার মধ্যে ছিল ৫টি চার) সৌজন্যে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৫ রান তুলতে সক্ষম হয় গুজরাট। আরসিবির হয়ে বল হাতে আগুন ঝরিয়ে রসিখ সালাম একাই ৩টি উইকেট চটকান। এছাড়া ভুবনেশ্বর কুমার ও জোশ হেজেলউড ২টি করে এবং ক্রুণাল পাণ্ড্য ১টি উইকেট নিয়ে গুজরাটের মিডল অর্ডারের কোমর ভেঙে দেন। ফাইনালের এই মেগা মঞ্চে আরসিবির সামনে লক্ষ্য ছিল মাত্র ১৫৬ রানের। ২ ওভার বাকি থাকতেই জয়ের প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় বিরাট বাহিনী। দলের হয়ে ঝোড়ো ব্যাটিং করেন বিরাট স্বয়ং। কোহলি মাত্র ৪২ বলে ৭৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৫ উইকেটে সহজ জয় পেল আরসিবি। এই নিয়ে পরপর দু'বার আইপিএলের ট্রফি এল বেঙ্গালুরুতে।