অভিনেতা নানা পাটেকরের অকাল প্রয়াণের শোক কাটিয়ে উঠতে পারছেন না তাঁর অগণিত অনুরাগী। গত বৃহস্পতিবার ভোরে গোয়ার ডোনা পাউলার বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৭৫ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ‘ক্রান্তিবীর’ তারকা। তবে মৃত্যুর পর এবার ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (BNSS) ১৯৪ ধারায় একটি অপমৃত্যু বা আনন্যাচারাল ডেথ (UD) মামলা রুজু করল পনাজি পুলিশ।
কেন দায়ের হলো পুলিশ কেস?
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিষয়টি একেবারেই একটি আইনি ও রুটিন প্রক্রিয়া। গোয়ার মনিপাল হাসপাতালের অনকোলজি বিভাগের প্রধান ডঃ শেখর সালকার জানান, বৃহস্পতিবার ভোর ৪টে ২০ থেকে ৪টে ৩০ মিনিটের মধ্যে নানাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়, তবে চিকিৎসকরা তাঁকে ‘ব্রট ডেড’ বা মৃত বলেই ঘোষণা করেন। যেহেতু হাসপাতালে আনার আগেই বাড়িতে একা থাকা অবস্থায় অভিনেতার মৃত্যু ঘটেছিল, তাই কোনো রকম অস্বাভাবিকতার সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দিতেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের রিপোর্টের ভিত্তিতে পুলিশ একটি মেডিকো-লিগ্যাল কেস (MLC) হিসেবে অপমৃত্যুর মামলা নথিভুক্ত করে তদন্ত শুরু করেছে।
বাবার শেষকৃত্য নিয়ে যা বললেন পুত্র মলহার:
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে পুণের দোঞ্জে গ্রামের খামারবাড়িতে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হয়েছে নানা পাটেকরের শেষকৃত্য। গভীর রাতে তড়িঘড়ি কেন শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হলো, সেই প্রসঙ্গে গণমাধ্যমের সামনে মুখ খুলেছেন নানার পুত্র মলহার পাটেকর। তিনি জানান, ‘গোয়া থেকে মরদেহ পুণের খামারবাড়িতে নিয়ে আসতে অনেকটাই সময় লেগে গিয়েছিল। যেহেতু ঘটনাটি খুব ভোরে ঘটেছিল এবং ততক্ষণে বেশ অনেকটা সময় পেরিয়ে গিয়েছিল, তাই আমরা দেরি না করে বৃহস্পতিবার রাতেই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিই।’
বহু বলিপাড়া ও রাজনীতির সহকর্মীরা এই কারণেই পৌঁছাতে পারেননি। বাবার অমলিন স্মৃতি স্মরণ করে আবেগঘন কণ্ঠে মলহার যোগ করেন, 'নানা সাহেবের মতো মানুষ কখনো আমাদের ছেড়ে চলে যান না। তাঁর কাজ ও কীর্তি তাঁকে চিরকাল অমর করে রাখবে। তিনি সবসময়ই চেয়েছিলেন সবাই যেন একজোট হয়ে সঠিক পথে চলে। তাঁর রেখে যাওয়া সেই স্বপ্ন ও দর্শনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য।'
{{/usCountry}}বহু বলিপাড়া ও রাজনীতির সহকর্মীরা এই কারণেই পৌঁছাতে পারেননি। বাবার অমলিন স্মৃতি স্মরণ করে আবেগঘন কণ্ঠে মলহার যোগ করেন, 'নানা সাহেবের মতো মানুষ কখনো আমাদের ছেড়ে চলে যান না। তাঁর কাজ ও কীর্তি তাঁকে চিরকাল অমর করে রাখবে। তিনি সবসময়ই চেয়েছিলেন সবাই যেন একজোট হয়ে সঠিক পথে চলে। তাঁর রেখে যাওয়া সেই স্বপ্ন ও দর্শনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য।'
{{/usCountry}}