বলিউড অভিনেতা আমির খানের ‘পারফেকশনিস্ট’ হিসেবে পরিচিত। একটি দৃশ্য নিখুঁতভাবে শুট করতে আমির বহু রিটেক নেন, দর্শকদের কাছে তিনি সর্বদা সেরাটা উপস্থাপন করেন, আর তাই তাকে মিস্টার পারফেকশনিস্ট বলা হয়। কিন্তু অভিনেত্রী শগুফ্তা আলি একটি সাক্ষাৎকারে গোবিন্দাকে আমিরের চেয়ে বড় পারফেকশনিস্ট বলে উল্লেখ করেছেন।

শগুফ্তা সম্প্রতি সিদ্ধার্থ কোনানের শোতে প্রকাশ করেছেন যে, হিরো নম্বর ১-এ কাজ করা কতটা আনন্দদায়ক ছিল। অভিনেত্রী বলেন, ‘আমরা অনেক মজা করতাম, তা গোবিন্দা থাকুক বা করিশ্মা। আমরা পেড হলিডেতে ছিলাম। শুটিংয়ের সেট ছিল উটিতে। আমরা মিঠুনদার হোটেলে ছিলাম। যখন তিনি জানতে পারলেন যে আমরা তার হোটেলে আছি, তিনি আমাদের সাথে দেখা করতে এলেন এবং নিজের হাতে বানানো সি ফুড তৈরি করলেন।’
গোবিন্দা আমিরের চেয়ে বড় পারফেকশনিস্ট
শগুফ্তা আরও বলেন, 'গোবিন্দা সকালের ৯ টার শিফটে দুপুর ১ অথবা ২ টার মধ্যে আসতেন। এর আগে কখনও আসতেন না। গোবিন্দার সাথে শুধু এটাই সমস্যা ছিল, অন্যথা তিনি একজন খুবই ভালো মানুষ। আমি ওর সাথে ৩ থেকে ৪টি সিনেমা করেছি। তিনি খুবই ভালো এবং মজার। তিনি একটি দৃশ্যের জন্য ২৫ বার রিহার্সেল করতেন। গোবিন্দা, আমিরের থেকে বড় পারফেকশনিস্ট।
অভিনেত্রী বলেন, ডেভিড স্যার একটি দৃশ্য শ্যুট করার আগে গোবিন্দাকে দেখাতেন। ওর চোখে পারফেকশন এতটা দৃঢ়ভাবে ধরা পড়ত যে তিনি খেয়াল করতেন না যে কেউ ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন কি না। তবে গোবিন্দার একটাই দোষ ছিল, তিনি দেরি করে আসতেন। গোবিন্দার লেট আসার কারণে কাদের খানও রেগে যেতেন। অন্য সহকর্মীদেরও অসুবিধা হতো। কিন্তু নির্মাতাদের কাছে বিকল্প কিছু ছিল না।
{{/usCountry}}অভিনেত্রী বলেন, ডেভিড স্যার একটি দৃশ্য শ্যুট করার আগে গোবিন্দাকে দেখাতেন। ওর চোখে পারফেকশন এতটা দৃঢ়ভাবে ধরা পড়ত যে তিনি খেয়াল করতেন না যে কেউ ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন কি না। তবে গোবিন্দার একটাই দোষ ছিল, তিনি দেরি করে আসতেন। গোবিন্দার লেট আসার কারণে কাদের খানও রেগে যেতেন। অন্য সহকর্মীদেরও অসুবিধা হতো। কিন্তু নির্মাতাদের কাছে বিকল্প কিছু ছিল না।
{{/usCountry}}