বন্যা কবলিত মানুষদের বাড়ি উপহার দিলেন গুরু রন্ধাওয়া, দান করলেন ৭ লক্ষ টাকা
গত বেশ কয়েকদিনে একাধিক সেলিব্রিটি অসমে বন্যা কবলিত এলাকায় গিয়েছেন এবং বন্যায় বিধ্বস্ত পরিবারদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছেন। রণদীপ হুদা থেকে শুরু করে ভূমি পেডনাকর, তালিকায় রয়েছেন একাধিক সেলিব্রিটি।
গত বেশ কয়েকদিনে একাধিক সেলিব্রিটি অসমে বন্যা কবলিত এলাকায় গিয়েছেন এবং বন্যায় বিধ্বস্ত পরিবারদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছেন। রণদীপ হুদা থেকে শুরু করে ভূমি পেডনাকর, তালিকায় রয়েছেন একাধিক সেলিব্রিটি। সশরীরে যেতে না পারলেও অসমের মানুষদের জন্য অর্থ পৌঁছে দিয়েছেন সলমন খান। এবার বন্যা কবলিত এলাকায় যারা রয়েছেন তাদের পাশে এসে দাঁড়ালেন গুরু রন্ধাওয়া।

অসমে শিখ এইড ফাউন্ডেশনের সঙ্গে মিলিত হয়ে ৩৫টি বাড়ি তৈরি করার অঙ্গীকার করেছেন গায়ক। এই মর্মে তিনি দান করেছেন ৭ লক্ষ টাকা। এর আগে হ্যালো লাইফ ফাউন্ডেশনকে ৫ লক্ষ টাকা দান করেছিলেন তিনি। রাজ্যের বাস্তবচ্যুত জনগোষ্ঠীকে খাদ্য, বস্ত্র চিকিৎসা সামগ্রী এবং অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের মত জরুরি জিনিস সরবরাহ করতে সহযোগিতা করেছিল।
আরও পড়ুন: 'গল্প না বলতে পারলে...', বাংলা ছবির পিছিয়ে যাওয়া নিয়ে যা বললেন টোটা
গায়কের গানের বিতর্ক প্রসঙ্গে
গত ৬ আগস্ট গুরুর ফাইন সাইট গান মুক্তি পায়, যা ব্যাপক ট্রোলিং এবং সমালোচনার সম্মুখীন হয়। তবে এই বিতর্কে গায়ক অবিচল থাকেন এবং সোমবার মরুভূমির মত একটি ফাঁকা জায়গায় পোর্শে চালানোর একটি ভিডিও শেয়ার করেন। ভিডিওটি শেয়ার করে ক্যাপশনে গায়ক লেখেন, এমন গান বানানোর দায় আমি দোষী যা আপনার মাথায় সবসময় ঘুরছে। তবে এডিটগুলো মনে মনে বেশ ভালো লাগছে। কোনও খারাপ অনুভূতি নেই। এটা শুধু একটা মজার স্ল্যাং, আপনারা শান্ত হন।
ফাইন শাইট সম্পর্কে
তিনি বৃহস্পতিবার ‘ফাইন শাইট’ মিউজিক ভিডিওটি প্রকাশ করেছেন। মিউজিক ভিডিওটি একটি ডিসক্লেমার দিয়ে শুরু হয়, যেখানে বলা হয়েছে যে ভিডিওতে থাকা সবাই ১৮ বছরের বেশি বয়সী এবং এটি একটি কাল্পনিক সৃষ্টি। এতে দর্শকদের জন্য একটি রসিক বার্তাও ছিল যে, তারা যেন অফিসে এই নাচের ভঙ্গিগুলো করার চেষ্টা না করেন, কারণ এর পরিণতিতে তাদের এইচআর অফিসে যেতে হতে পারে।
আরও পড়ুন: রাজনীতি সায়ন্তিকার জন্য নয়! অভিনেত্রীর ভবিষ্যৎ নিয়ে আর কী বললেন জ্যোতিষী?
একটি অফিসের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই মিউজিক ভিডিওতে গুরুকে একজন ঊর্ধ্বতন পেশাদারের ভূমিকায় দেখা যায়, যেখানে তাকে তরুণী সহকর্মীরা ঘিরে রেখেছে। গুরু যখন কাজে মনোনিবেশ করেন, তখন তার সহকর্মীরা তাকে ঘিরে নাচেন এবং গান করেন। অনেক দর্শক গানটির এই চিত্রায়ণের সঙ্গে একমত হননি এবং কর্মক্ষেত্রকে যৌনতার প্রতীক হিসেবে তুলে ধরার জন্য গায়কের সমালোচনা করেছেন। এছাড়া ভিডিওতে প্রদর্শিত নারীদের প্রতি সামগ্রিক আচরণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
E-Paper

