...
...
Next Story

Saina: ‘বাবা এত বড় অভিনেতা, তাও অহংকার নেই! কিসের এত হিংসা?’ সাইনার প্রশংসায় ভাসালেন 'জা', নন্দিনীকে পরোক্ষ ঠুকলেন?

‘মাত্র ১৫ বছর বয়সের একটা মেয়ের মধ্যে যে অদ্ভুত মনোবল, পরিপক্বতা আর আধ্যাত্মিক চেতনা দেখেছি, তা সত্যিই বিরল’, সাইনাকে নিয়ে মনের ঝাঁপি খুললেন মধুমিতা।

Published on: Sep 25, 2026, 12:30:45 IST
Advertisement

জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক 'কনে দেখা আলো' (Kone Dekhaa Alo)-র সফর শেষ হতেই মেকআপ রুমের নানা অমলিন স্মৃতিতে ভাসছেন তারকারা। আর বিদায়বেলায় সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ল প্রয়াত অভিনেতা অভিষেক চট্টোপাধ্যায় (Abhishek Chatterjee)-এর কন্যা সাইনা চট্টোপাধ্যায় (Saina Chatterjee)-কে নিয়ে করা এক সহ-অভিনেত্রীর আবেগঘন পোস্ট!

‘বাবা এত বড় অভিনেতা, তাও অহংকার নেই! কিসের হিংসা?’ সাইনার প্রশংসায় ‘জা’ মধুমিতা
‘বাবা এত বড় অভিনেতা, তাও অহংকার নেই! কিসের হিংসা?’ সাইনার প্রশংসায় ‘জা’ মধুমিতা

'কনে দেখা আলো' ধারাবাহিকে সাইনার অনস্ক্রিন 'জা'-এর চরিত্রে অভিনয় করা অভিনেত্রী নিজের মেকআপ রুম পার্টনার সাইনার (পুটু) পরিপক্বতা ও প্রতিভার প্রশংসা করার পাশাপাশি সোশাল মিডিয়ায় সাইনাকে নিয়ে ট্রোল ও হিংসা করা মানুষদের কড়া জবাব দিলেন।

"পুটু কোনোদিন কোনো অহংকার দেখায়নি!":

সুদেবের বৌদি অর্থাৎ সাইনার অনস্ক্রিন 'জা' জানান, দীর্ঘ দেড় বছর ধরে তাঁরা একই মেকআপ রুম শেয়ার করেছেন। প্রথম দিন থেকেই 'সাইয়ারা' গান থেকে সাইনার ডাকনাম হয়ে যায় 'পুটু'।

সাইনার মেধা ও নম্রতার প্রশংসা করে তিনি লেখেন, ‘আজকাল এই ইন্ডাস্ট্রিতে কত মানুষ কত রকমের ট্যানট্রাম দেখায়, কত হাব-ভাব দেখায়! অথচ, আসল অহংকার তো এই মেয়েটার দেখানোর কথা ছিল, কারণ ওর বাবা ছিলেন এত বড় মাপের একজন অভিনেতা। কিন্তু পুটু কোনোদিন কোনো অহংকার দেখায়নি। কারণ ও মনের দিক থেকে এতটাই স্পিরিচুয়াল যে ও জানে জীবনটাকে কীভাবে চালাতে হয়, কতটা মাটির মানুষ হয়ে থাকতে হয়।’

সমালোচকদের মুখে সপাটে চড় ও পরোক্ষ তোপ:

'বিগ বস' বা অনস্ক্রিন বিতর্ক নিয়ে সহ-অভিনেত্রী নন্দিনী দত্তের আচরণের দিকে পরোক্ষ ইঙ্গিত দিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, এত ছোট একটা বাচ্চাকে নিয়েও মানুষ কীভাবে ইগো আর হিংসা ধরে রাখতে পারে!

তাঁর কথায়, ‘যারা ওকে নিয়ে সমালোচনা করেন বা হিংসা দেখান, আমি মনে করি তারা আসলে চরম বোকা। একটা ছোট্ট মানুষের যোগ্যতাকে সম্মান না করে যখন আমরা হিংসা করি, সেটা কিন্তু আমাদের নিজেদেরই পরাজয়। ও কিন্তু তার বাবার নামের জোরে নয়, বরং সম্পূর্ণ নিজের অভিনয় দক্ষতার জোরেই এই জায়গাটা অর্জন করেছে।’

বিদায়বেলায় সাইনাকে শুভকামনা জানিয়ে ফের গাইলেন সেই প্রিয় গান— ‘সাইয়ারা... তু তো বদলা নেহি হ্যায়, মৌসম জরা সা রুঠা হুয়া হ্যায়…’।

বাবার নাম ভাঙিয়ে নয়, নিজের প্রতিভায় দর্শকমনে জায়গা করে নেওয়া সাইনার এই জয়যাত্রাকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন অনুরাগী ও গোটা টেলিপাড়া!

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks