Padm Awards 2026: সোমবার সন্ধ্যায় দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে পদ্ম অ্যাওয়ার্ড ২০২৬-এর অনুষ্ঠান। সেখানে দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু শিল্প, চিকিৎসা, বিজ্ঞান ও ক্রীড়া-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ১৩১ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে সম্মানিত করেন। বলিউড অভিনেতা ধর্মেন্দ্রকেও মরণোত্তর পদ্ম বিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়। তাঁর হয়ে এই সম্মান গ্রহণ করতে উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী, অভিনেত্রী ও সাংসদ হেমা মালিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুষ্ঠানের একটি ভিডিয়ো সামনে এসেছে, যেখানে পুরস্কার গ্রহণের সময় হেমা মালিনীকে আবেগপ্রবণ দেখা যায়। ভিডিয়োতে তাঁদের মেয়ে অহনা দেওলের এক ঝলক দেখা গিয়েছে, যেখানে তাঁকে কাঁদতে দেখা যায়।

হেমা মালিনী ও মেয়ে আহানা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন
বলিউড অভিনেতা ধর্মেন্দ্রকে মরণোত্তর পদ্ম বিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়। এই উপলক্ষে হেমা মালিনী মেয়ে আহানাকে নিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। একটি ভিডিয়োতে দেখা যায়, ধর্মেন্দ্রের নাম ঘোষণা হতেই হেমা মালিনী সামনে এগিয়ে আসেন। তাঁর মুখে বিশেষ কোনও অভিব্যক্তি না থাকলেও তিনি স্পষ্টতই আবেগপ্রবণ ছিলেন। ধর্মেন্দ্রের হয়ে তিনিই সেই সম্মান গ্রহণ করেন। ভিডিয়োতে মেয়ে আহানাকেও চোখের জল ফেলতে দেখা যায়। মুহূর্তটি ধর্মেন্দ্রের পরিবারের জন্য ছিল অত্যন্ত আবেগঘন ও হৃদয়স্পর্শী।
ধর্মেন্দ্রর এটিই প্রথম পদ্ম পুরস্কার নয়। এর আগে, তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য ২০১২ সালে পদ্মভূষণ পুরষ্কারে ভূষিত হন। এখন তাঁর মৃত্যুর পর মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত হয়েছেন তিনি। এই তালিকায় রয়েছেন অভিনেতা সতীশ শাহও। তিনি মরণোত্তর পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হন। ভারতীয় চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য গায়িকা অলকা ইয়াগনিককে পদ্মভূষণ এবং অভিনেতা আর মাধবনকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হবে।
{{/usCountry}}ধর্মেন্দ্রর এটিই প্রথম পদ্ম পুরস্কার নয়। এর আগে, তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য ২০১২ সালে পদ্মভূষণ পুরষ্কারে ভূষিত হন। এখন তাঁর মৃত্যুর পর মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত হয়েছেন তিনি। এই তালিকায় রয়েছেন অভিনেতা সতীশ শাহও। তিনি মরণোত্তর পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হন। ভারতীয় চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য গায়িকা অলকা ইয়াগনিককে পদ্মভূষণ এবং অভিনেতা আর মাধবনকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হবে।
{{/usCountry}}১৯৫৪ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সে বিয়ে করেছিলেন অভিনেতা ধর্মেন্দ্র, প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর। সেই বিয়ে থেকে চার সন্তান হয়, দুই পুত্র সানি দেওল ও ববি দেওল। দুই কন্যা বিজেতা ও অজিতা। তবে এরপর আচমকাই হেমা মালিনির প্রেমে পড়েন। ১৯৮০ সালে হেমা মালিনীকে বিয়ে করেছিলেন ধর্মেন্দ্র। কিন্তু কখনোই ডিভোর্স দেননি প্রথম স্ত্রীকে। শোনা যায়, সেই সময় হেমা ও ধর্মেন্দ্র দুজনেই ধর্ম বদলে, হিন্দু থেকে মুসলিম হয়ে তারপর বিয়েটা করেন। কারণ, হিন্দু ধর্মে একসঙ্গে ২ স্ত্রী রাখার অনুমতি নেই। যদিও প্রকাশ্যে এই কথা কোনোদিনই স্বীকার করেননি তিনি বা হেমা। বিয়ের পর আলাদা বাড়িতেই থাকতেন হেমা। মাঝেমধ্যে সেখানে আসতেন ধর্মেন্দ্র ঠিকই, তবে পাকাপোক্তভাবে তাঁর থাকার জায়গা ছিল পৈত্রিক বাড়িটি, যেখানে প্রকাশ কৌর থাকতেন নিজের চার সন্তানকে নিয়ে।